জনমত ২৪

সারাদেশ

ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা

চুনারুঘাটে রায়হানিয়া মাদ্রাসায় ফলাফলে চরম বিপর্যয়, পাস মাত্র ৪জন

চুনারুঘাটে রায়হানিয়া মাদ্রাসায় ফলাফলে চরম বিপর্যয়, পাস মাত্র ৪জন

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার গাজীপুর রায়হানিয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসায় এবারের এসএসসি (দাখিল) পরীক্ষায় নজিরবিহীন বিপর্যয় ঘটেছে। ২৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে মাত্র ৪ জন। পাসের হার এবং সার্বিক ফলাফলের দিক থেকে এটি চুনারুঘাট উপজেলার সবকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সর্বনিম্ন ও সবচেয়ে বাজে পারফরম্যান্স।

ধারাবাহিক এই চরম ব্যর্থতার পেছনে প্রতিষ্ঠানটির সুপার এ এম এম শহীদুল্লাহর চরম গাফিলতি, প্রশাসনিক অক্ষমতা ও দায়িত্বজ্ঞানহীনতাকে দায়ী করছেন স্থানীয় অভিভাবক ও সুশীল সমাজ।

অভিযোগ উঠেছে, সুপার এ এম এম শহীদুল্লাহ শিক্ষার মান, পাসের হার কিংবা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের তোয়াক্কা না করে কেবল ব্যক্তিগত লবিং ও প্রভাব বজায় রেখে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন।

স্থানীয় না হওয়ায় এলাকার শিক্ষা পরিবেশ কিংবা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের প্রতি উনার ন্যূনতম জবাবদিহিতা বা আন্তরিকতা নেই বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।

তিনি গত কয়েক যুগ ধরে এই মাদ্রাসার সুপারের দায়িত্বে থাকলেও দৃশ্যমান কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা শিক্ষাগত উন্নয়ন ঘটেনি।

কয়েক দশক ধরে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করার পরও পরীক্ষার ফলাফলের এই দৈন্যদশা স্পষ্ট করে যে প্রতিষ্ঠানটিতে চরম অব্যবস্থাপনা বিরাজ করছে। সচেতন অভিভাবক ও

এলাকাবাসীর দাবি— অবিলম্বে মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে এবং মাদ্রাসার শিক্ষার মান ফেরাতে দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

প্রতিষ্ঠানটির সুপার এ এম এম শহীদুল্লাহর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%
জনমত ২৪

শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


চুনারুঘাটে রায়হানিয়া মাদ্রাসায় ফলাফলে চরম বিপর্যয়, পাস মাত্র ৪জন

প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার গাজীপুর রায়হানিয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসায় এবারের এসএসসি (দাখিল) পরীক্ষায় নজিরবিহীন বিপর্যয় ঘটেছে। ২৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে মাত্র ৪ জন। পাসের হার এবং সার্বিক ফলাফলের দিক থেকে এটি চুনারুঘাট উপজেলার সবকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সর্বনিম্ন ও সবচেয়ে বাজে পারফরম্যান্স।

ধারাবাহিক এই চরম ব্যর্থতার পেছনে প্রতিষ্ঠানটির সুপার এ এম এম শহীদুল্লাহর চরম গাফিলতি, প্রশাসনিক অক্ষমতা ও দায়িত্বজ্ঞানহীনতাকে দায়ী করছেন স্থানীয় অভিভাবক ও সুশীল সমাজ।

অভিযোগ উঠেছে, সুপার এ এম এম শহীদুল্লাহ শিক্ষার মান, পাসের হার কিংবা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের তোয়াক্কা না করে কেবল ব্যক্তিগত লবিং ও প্রভাব বজায় রেখে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন।

স্থানীয় না হওয়ায় এলাকার শিক্ষা পরিবেশ কিংবা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের প্রতি উনার ন্যূনতম জবাবদিহিতা বা আন্তরিকতা নেই বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।

তিনি গত কয়েক যুগ ধরে এই মাদ্রাসার সুপারের দায়িত্বে থাকলেও দৃশ্যমান কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা শিক্ষাগত উন্নয়ন ঘটেনি।

কয়েক দশক ধরে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করার পরও পরীক্ষার ফলাফলের এই দৈন্যদশা স্পষ্ট করে যে প্রতিষ্ঠানটিতে চরম অব্যবস্থাপনা বিরাজ করছে। সচেতন অভিভাবক ও

এলাকাবাসীর দাবি— অবিলম্বে মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে এবং মাদ্রাসার শিক্ষার মান ফেরাতে দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

প্রতিষ্ঠানটির সুপার এ এম এম শহীদুল্লাহর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।


জনমত ২৪

সম্পাদক ও প্রকাশক : রায়হান আহমেদ
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত জনমত