জনমত ২৪

সারাদেশ

ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট নতুন স্থলবন্দরে স্থানান্তরের দাবি

চুনারুঘাটে অলস পড়ে আছে ৪৯ কোটি টাকার স্থলবন্দর

চুনারুঘাটে অলস পড়ে আছে ৪৯ কোটি টাকার স্থলবন্দর

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার ১ নং গাজীপুর ইউনিয়নের কেদারাকোট এলাকায় প্রায় ৪৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে দৃষ্টিনন্দন ও আধুনিক 'বাল্লা স্থলবন্দর'। তবে বন্দরের আধুনিক অবকাঠামো পুরোপুরি প্রস্তুত থাকলেও পুরানো 'বাল্লা খোয়াই' ইমিগ্রেশন চেকপোস্টটি নতুন স্থানে স্থানান্তরিত না হওয়ায় সরকারের বিপুল অর্থের বিনিয়োগ এখন অলস পড়ে আছে। অন্যদিকে বন্দরের পূর্ণাঙ্গ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী ও দুই দেশের পাসপোর্টধারী যাত্রীরা।

​খোঁজ নিয়ে জানা যায়, খোয়াই নদীর ওপর সেতু না থাকায় নদী পার হয়ে পুরানো চেকপোস্টে যাতায়াত করতে হয়। পর্যটন, ব্যবসায়িক কাজ কিংবা ভারতে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে যাওয়া হাজার হাজার যাত্রী প্রতিদিন চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। বর্ষা মৌসুমে নদীর প্রখর স্রোত পার হতে গিয়ে যাত্রী সাধারণকে প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিতে হচ্ছে।

​জরাজীর্ণ স্থান থেকে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম অবিলম্বে কেদারাকোটে নির্মিত নতুন স্থলবন্দর চত্বরে সরিয়ে নেওয়া।

​নদী পারাপারের ভয়াবহ ঝুঁকি এড়িয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের দ্রুত, আধুনিক ও মানসম্মত সেবা সুনিশ্চিত করা।

​রাজস্ব বৃদ্ধি ও ব্যবসা-বাণিজ্য: বন্দরটি পুরোপুরি সচল হলে সীমান্ত বাণিজ্যে গতি ফিরবে এবং সরকারের ঘরে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ রাজস্ব জমা হবে।

​লাখ লাখ মানুষের যাতায়াত সহজ করতে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে গতি আনতে ৪৯ কোটি টাকার এই মেগা প্রকল্পটিকে দ্রুত পুরোদমে চালুর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়ও সচেতন মহল। দ্রুত ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট স্থানান্তরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি ও জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সবাই।

বিষয় : হবিগঞ্জ স্থলবন্দর বাল্লা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চুনারুঘাট

জনমত ২৪

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬


চুনারুঘাটে অলস পড়ে আছে ৪৯ কোটি টাকার স্থলবন্দর

প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার ১ নং গাজীপুর ইউনিয়নের কেদারাকোট এলাকায় প্রায় ৪৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে দৃষ্টিনন্দন ও আধুনিক 'বাল্লা স্থলবন্দর'। তবে বন্দরের আধুনিক অবকাঠামো পুরোপুরি প্রস্তুত থাকলেও পুরানো 'বাল্লা খোয়াই' ইমিগ্রেশন চেকপোস্টটি নতুন স্থানে স্থানান্তরিত না হওয়ায় সরকারের বিপুল অর্থের বিনিয়োগ এখন অলস পড়ে আছে। অন্যদিকে বন্দরের পূর্ণাঙ্গ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী ও দুই দেশের পাসপোর্টধারী যাত্রীরা।

​খোঁজ নিয়ে জানা যায়, খোয়াই নদীর ওপর সেতু না থাকায় নদী পার হয়ে পুরানো চেকপোস্টে যাতায়াত করতে হয়। পর্যটন, ব্যবসায়িক কাজ কিংবা ভারতে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে যাওয়া হাজার হাজার যাত্রী প্রতিদিন চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। বর্ষা মৌসুমে নদীর প্রখর স্রোত পার হতে গিয়ে যাত্রী সাধারণকে প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিতে হচ্ছে।

​জরাজীর্ণ স্থান থেকে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম অবিলম্বে কেদারাকোটে নির্মিত নতুন স্থলবন্দর চত্বরে সরিয়ে নেওয়া।

​নদী পারাপারের ভয়াবহ ঝুঁকি এড়িয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের দ্রুত, আধুনিক ও মানসম্মত সেবা সুনিশ্চিত করা।

​রাজস্ব বৃদ্ধি ও ব্যবসা-বাণিজ্য: বন্দরটি পুরোপুরি সচল হলে সীমান্ত বাণিজ্যে গতি ফিরবে এবং সরকারের ঘরে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ রাজস্ব জমা হবে।

​লাখ লাখ মানুষের যাতায়াত সহজ করতে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে গতি আনতে ৪৯ কোটি টাকার এই মেগা প্রকল্পটিকে দ্রুত পুরোদমে চালুর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়ও সচেতন মহল। দ্রুত ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট স্থানান্তরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি ও জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সবাই।


জনমত ২৪

সম্পাদক ও প্রকাশক : রায়হান আহমেদ
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত জনমত