রাজধানীর পল্লবী থানায় হত্যাচেষ্টার মামলায় জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত সাতক্ষীরা-৪ আসনের আলোচিত এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে আট সপ্তাহের আগাম জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার এই আদেশ দেন। পাশাপাশি তাকে কেন স্থায়ী জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করেন আদালত।
এদিন আদালতে গাজী নজরুলের আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান। গত ২১ জুলাই মামলাটি দায়ের করেন এই এমপির ব্যক্তিগত গাড়িচালক ওবায়দুর রহমান। মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম ছাড়াও তার চার সহযোগীকে আসামি করা হয়। মামলার অভিযোগে বলা হয়, এমপির ‘অনৈতিক সম্পর্কের’ প্রতিবাদ করায় এবং একটি ভিডিও ফাঁসের ঘটনায় তার হাত রয়েছে বলে সন্দেহ করে তাকে মারধর করা হয়েছে।
গাজী নজরুল ইসলাম জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। চলতি বছরের জুলাইয়ের মাঝামাঝিতে এক তরুণীর সঙ্গে তার ব্যক্তিগত মুহূর্তের একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ওই ঘটনার পর অনৈতিক সম্পর্কের প্রতিবাদ ও ভিডিও ফাঁসের সন্দেহের জেরে মারধর ও শ্বাসরোধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে গত ২২ জুলাই এমপি গাজী নজরুলসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলা করেন ভুক্তভোগী ওই তরুণীর মামা ওবায়দুর রহমান। এরপর জরুরি বৈঠক ডেকে ‘নৈতিক স্খলনের’ অভিযোগে গত ২২ জুলাই গাজী নজরুল ইসলামকে বহিষ্কার করে জামায়াতে ইসলামী।

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
রাজধানীর পল্লবী থানায় হত্যাচেষ্টার মামলায় জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত সাতক্ষীরা-৪ আসনের আলোচিত এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে আট সপ্তাহের আগাম জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার এই আদেশ দেন। পাশাপাশি তাকে কেন স্থায়ী জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করেন আদালত।
এদিন আদালতে গাজী নজরুলের আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান। গত ২১ জুলাই মামলাটি দায়ের করেন এই এমপির ব্যক্তিগত গাড়িচালক ওবায়দুর রহমান। মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম ছাড়াও তার চার সহযোগীকে আসামি করা হয়। মামলার অভিযোগে বলা হয়, এমপির ‘অনৈতিক সম্পর্কের’ প্রতিবাদ করায় এবং একটি ভিডিও ফাঁসের ঘটনায় তার হাত রয়েছে বলে সন্দেহ করে তাকে মারধর করা হয়েছে।
গাজী নজরুল ইসলাম জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। চলতি বছরের জুলাইয়ের মাঝামাঝিতে এক তরুণীর সঙ্গে তার ব্যক্তিগত মুহূর্তের একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ওই ঘটনার পর অনৈতিক সম্পর্কের প্রতিবাদ ও ভিডিও ফাঁসের সন্দেহের জেরে মারধর ও শ্বাসরোধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে গত ২২ জুলাই এমপি গাজী নজরুলসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলা করেন ভুক্তভোগী ওই তরুণীর মামা ওবায়দুর রহমান। এরপর জরুরি বৈঠক ডেকে ‘নৈতিক স্খলনের’ অভিযোগে গত ২২ জুলাই গাজী নজরুল ইসলামকে বহিষ্কার করে জামায়াতে ইসলামী।

মতামত