জনমত ২৪
সর্বশেষ

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সততা-স্বচ্ছতায় মানুষের কাজ করে যাচ্ছি : এমপি ফয়সল

হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ মো. ফয়সল বলেছেন, জনগণ অনেক আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে তাঁদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করেন। সেই প্রত্যাশা পূরণে জনপ্রতিনিধিদের সরাসরি জনগণের কাছে যেতে হবে। এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা কাছ থেকে জানতে চাই। জনগণের কথা শুনেই উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে।রোববার বিকেলে মাধবপুরে সংসদ সদস্যের পরিদর্শন কক্ষ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এমপি ফয়সল  বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত ছয় মাসে দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতির মধ্যেও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছেন। এসব কার্যক্রম দেশ-বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সঙ্গে মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছি।সৈয়দ মো. ফয়সল বলেন, স্থানীয় পর্যায়ের সমস্যা, উন্নয়ন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোগত সংকটসহ জনকল্যাণের বিষয়গুলো জনগণের কাছ থেকে সরাসরি শুনতে চাই। মানুষের প্রয়োজন ও প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কাজ করতে হবে। সংসদ সদস্যের পরিদর্শন কক্ষটি জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে।এমপি ফয়সল বলেন, জনপ্রতিনিধি হিসেবে মানুষের কাছে জবাবদিহি রয়েছে। কোনো এলাকার সমস্যা শুধু কাগজে-কলমে জানলে তার প্রকৃত চিত্র বোঝা সম্ভব নয়। তাই সরেজমিনে গিয়ে মানুষের কথা শুনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ মো. শাহজাহান, ইউপি চেয়ারম্যান পারভেজ হোসেন চৌধুরী, মাহবুবুর রহমান সোহাগ, মীর খুর্শেদ আলম, মাধবপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আলাউদ্দিন আলরনি, বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ, মাধবপুর থানার ওসি সোহেল রানাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

হবিগঞ্জ বিজিবির অভিযান / সাতছড়ির জঙ্গলে মাটির নিচ থেকে ৬ পিস্তল, ৭ ম্যাগাজিন ও গুলি উদ্ধার

হবিগঞ্জের সাতছড়ি রিজার্ভ ফরেস্টের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় মাটির নিচে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ছয়টি পিস্তল, সাতটি ম্যাগাজিন ও ২২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ভোররাতে সাতছড়ি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৫ বিজিবি) সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তানজিলুর রহমানের নেতৃত্বে বিজিবির একটি বিশেষ দল অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সীমান্ত পিলার ১৯৭৮ থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সাতছড়ি রিজার্ভ ফরেস্টের দুর্গম পাহাড়ি ও ঘন জঙ্গলে তল্লাশি চালানো হয়।একপর্যায়ে মাটির নিচে বিশেষ কৌশলে পুঁতে রাখা অবস্থায় ছয়টি পিস্তল, সাতটি ম্যাগাজিন ও বিভিন্ন ধরনের ২২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।বিজিবির প্রাথমিক ধারণা, ডাকাতি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন অপরাধে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে দুর্বৃত্তরা এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় লুকিয়ে রেখেছিল। তবে অস্ত্রগুলোর মালিকানা ও এগুলো কোথা থেকে আনা হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।৫৫ বিজিবি জানিয়েছে, উদ্ধার করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে থানায় জমা দেওয়ার কার্যক্রম চলছে। একই সঙ্গে এসব অস্ত্রের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা তৎপরতা এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে।হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৫ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তানজিলুর রহমান বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদের বিস্তার রোধ এবং সীমান্ত এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিজিবি দৃঢ়ভাবে কাজ করছে। যেকোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান ও তৎপরতা আরও জোরদার করা হবে।উল্লেখ্য যে, গত তিন মাসে সাতছড়ি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের দুর্গম সীমান্ত এলাকায় ৫৫ বিজিবির অভিযানে প্রায় ৪১ লাখ টাকা মূল্যের ২৩৮ কেজি ভারতীয় গাঁজা, ২ হাজার ৫৮৫টি ইয়াবা, ৫৯ বোতল মদ এবং ২১টি গরু আটক করা হয়েছে।

সাতছড়ির জঙ্গলে মাটির নিচ থেকে ৬ পিস্তল, ৭ ম্যাগাজিন ও গুলি উদ্ধার

চুনারুঘাটে ধানের জমিতে মিলল যুবকের মরদেহ

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার মিরাশি ইউনিয়নের রাখী গ্রামের পাকা রাস্তার পাশের একটি ধানের জমি থেকে আহম্মদ আলী সুজন (৩৫) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৯ আগস্ট)  সকাল ১০টায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওইদিন সকাল আনুমানিক ৮ঘটিকায় শ্রমিকরা ধান কাটতে যাওয়ার পথে ধান ক্ষেতে সুজনের লাশ পড়ে রয়েছে দেখতে পান। স্থানীয় লোকেরা চুনারুঘাট থানায় খবর দিলে থানার এসআই গিয়াস উদ্দিনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেন।নিহত সুজন একই উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের দুলাল মিয়ার পুত্র ও রাখী গ্রামের রশিদ মিয়ার মেয়ের জামাই। সে ঘরজামাই হিসেবে শশুরবাড়িতে বসবাস করতো। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে অনেক গুলো রক্তাক্ত জখম রয়েছে। এব্যাপারে চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে সুজন নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে বলা যাচ্ছে— এটি একটি হত্যাকাণ্ড। তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে হত্যা মামলা হবে। ময়নাতদন্ত শেষে তদন্ত সাপেক্ষে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

চুনারুঘাটে ধানের জমিতে মিলল যুবকের মরদেহ
চুনারুঘাটে মাদকসেবীর ৬ মাসের কারাদণ্ড

চুনারুঘাটে মাদকসেবীর ৬ মাসের কারাদণ্ড

চামড়া সংরক্ষণে  বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার

চামড়া সংরক্ষণে বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার

চুনারুঘাটে ধানের জমিতে মিলল যুবকের মরদেহ

চুনারুঘাটে ধানের জমিতে মিলল যুবকের মরদেহ

চুনারুঘাটে আ'লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান মানিক সরকার গ্রেফতার

চুনারুঘাটে আ'লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান মানিক সরকার গ্রেফতার

চুনারুঘাটে রায়হানিয়া মাদ্রাসায় ফলাফলে চরম বিপর্যয়, পাস মাত্র ৪জন

চুনারুঘাটে রায়হানিয়া মাদ্রাসায় ফলাফলে চরম বিপর্যয়, পাস মাত্র ৪জন

রানীগাঁও বাজারে পূবালী ব্যাংকের ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং বুথ উদ্বোধন

রানীগাঁও বাজারে পূবালী ব্যাংকের ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং বুথ উদ্বোধন

মাধবপুরে ফ্যামিলি কার্ডের শুমারি থেকে ৪ তথ্য সংগ্রহকারীর নিয়োগ বাতিল

মাধবপুরে ফ্যামিলি কার্ডের শুমারি থেকে ৪ তথ্য সংগ্রহকারীর নিয়োগ বাতিল

বিক্ষোভের প্রস্তুতিকালে হবিগঞ্জের বৈছাআ নেতা মাহদীসহ আটক ৩

বিক্ষোভের প্রস্তুতিকালে হবিগঞ্জের বৈছাআ নেতা মাহদীসহ আটক ৩

হবিগঞ্জে শাশুড়ি হত্যা মামলায় জামাতার যাবজ্জীবন

হবিগঞ্জে শাশুড়ি হত্যা মামলায় জামাতার যাবজ্জীবন

চুনারুঘাটে মাদক সেবন করে মাকে মারধর, এক যুবককে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিলেন ইউএনও

চুনারুঘাটে মাদক সেবন করে মাকে মারধর, এক যুবককে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিলেন ইউএনও

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সততা-স্বচ্ছতায় মানুষের কাজ করে যাচ্ছি : এমপি ফয়সল

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সততা-স্বচ্ছতায় মানুষের কাজ করে যাচ্ছি : এমপি ফয়সল

গাজীগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন : সভাপতি জাহাঙ্গীর, সম্পাদক দেলোয়ার

গাজীগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন : সভাপতি জাহাঙ্গীর, সম্পাদক দেলোয়ার

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার কারণ জানালেন রুমিন ফারহানা

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার কারণ জানালেন রুমিন ফারহানা

দাওয়াত খেতে যাওয়ার পথে প্রাণ গেল মা-মেয়ের

দাওয়াত খেতে যাওয়ার পথে প্রাণ গেল মা-মেয়ের

হাজী ইয়াছিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হলেন নাসির

হাজী ইয়াছিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হলেন নাসির

সাতছড়ির জঙ্গলে মাটির নিচ থেকে ৬ পিস্তল, ৭ ম্যাগাজিন ও গুলি উদ্ধার

সাতছড়ির জঙ্গলে মাটির নিচ থেকে ৬ পিস্তল, ৭ ম্যাগাজিন ও গুলি উদ্ধার

চুনারুঘাটে ধানের জমিতে মিলল যুবকের মরদেহ

চুনারুঘাটে ধানের জমিতে মিলল যুবকের মরদেহ

চুনারুঘাটে পরোয়ানাভুক্ত ৩ আসামি গ্রেফতার

চুনারুঘাটে পরোয়ানাভুক্ত ৩ আসামি গ্রেফতার

চুনারুঘাটে ইয়াবা ও চোলাইমদ সহ গ্রেপ্তার ১

চুনারুঘাটে ইয়াবা ও চোলাইমদ সহ গ্রেপ্তার ১

ব্যাংক-বিকাশ প্রতারণা : হবিগঞ্জে গ্রেফতার ৩, আত্মসাৎ করা টাকা উদ্ধার

ব্যাংক-বিকাশ প্রতারণা : হবিগঞ্জে গ্রেফতার ৩, আত্মসাৎ করা টাকা উদ্ধার

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার কারণ জানালেন রুমিন ফারহানা

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার কারণ জানালেন রুমিন ফারহানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসন থেকে নির্বাচিত স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেননি। এ নির্বাচনকে ‘অর্থহীন’ ও ‘প্রহসন’ বলে আখ্যায়িত করেছেন তিনি। তবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন এই সংসদ সদস্য । সেই সঙ্গে ‘প্রহসনের অংশ’ হতে না চাওয়ায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেননি বলে জানিয়েছেন রুমিন ফারহানা। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর গ্রামে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান। তিন কারণে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেননি উল্লেখ করে রুমিন ফারহানা বলেন, নির্বাচনে যদি অনিশ্চয়তা না থাকে, তাহলে সেটাকে নির্বাচন বলা যায় না; সেটা মনোনয়ন। সারা বাংলাদেশের সবাই জনতেন এই ভোটের ফল কী হবে। সুতরাং এটাকে আমি নির্বাচন বলতেই চাই না। ভোট না দেওয়ার দ্বিতীয় কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে আমাদের দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম হচ্ছে যে ৭০ অনুচ্ছেদকে অ্যাজ ইট ইজ আমরা রাখব না। দলের সদস্যরা দল করলেও তারা চাইলে স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। কিন্তু আমরা দেখলাম বারবার সতর্ক করা হলো যে, বিএনপির যারা সংসদ সদস্য আছেন, তারা দলের বাইরে কোনোভাবেই ভোট দিতে পারবেন না। যদি তারা ভোট দেন, তাহলে তাদের সংসদ সদস্য পদ বাতিল হয়ে যাবে। তাহলে ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে বড় বড় কথা কী দরকার ছিল? তিনি আরও বলেন, ভোট শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন, আমরা এখনই ৭০ অনুচ্ছেদটা সংশোধন করব এবং সদস্যরা চাইলে দলের বাইরে ভোট দিতে পারবেন। তাহলে এই ভোটে তাদের সেই অধিকার দেওয়া হলো না কেনো? তৃতীয় কারণ উল্লেখ করে রুমিন ফারহানা বলেন, আমরা সব দল মিলে একজন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি মনোনয়ন দিতে পারতাম। রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য যেটা ২০১৬ সালে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলেন একটা ভারসাম্য আনা হবে। যেটি বিএনপির ৩১ দফাতেও আছে। সেগুলো নিয়ে কিন্তু আমরা কোনোরকম কোনো কথা শুনি না। তাই সবকিছু দেখে আমার মনে হয়েছে আমি এই প্রহসনের অংশ হতে চাচ্ছি না। সরকারি নির্বাহী তথ্য অনুসন্ধান করা।

প্রতিদিনের বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সততা-স্বচ্ছতায় মানুষের কাজ করে যাচ্ছি : এমপি ফয়সল

হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ মো. ফয়সল বলেছেন, জনগণ অনেক আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে তাঁদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করেন। সেই প্রত্যাশা পূরণে জনপ্রতিনিধিদের সরাসরি জনগণের কাছে যেতে হবে। এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা কাছ থেকে জানতে চাই। জনগণের কথা শুনেই উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে।রোববার বিকেলে মাধবপুরে সংসদ সদস্যের পরিদর্শন কক্ষ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এমপি ফয়সল  বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত ছয় মাসে দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতির মধ্যেও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছেন। এসব কার্যক্রম দেশ-বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সঙ্গে মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছি।সৈয়দ মো. ফয়সল বলেন, স্থানীয় পর্যায়ের সমস্যা, উন্নয়ন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোগত সংকটসহ জনকল্যাণের বিষয়গুলো জনগণের কাছ থেকে সরাসরি শুনতে চাই। মানুষের প্রয়োজন ও প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কাজ করতে হবে। সংসদ সদস্যের পরিদর্শন কক্ষটি জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে।এমপি ফয়সল বলেন, জনপ্রতিনিধি হিসেবে মানুষের কাছে জবাবদিহি রয়েছে। কোনো এলাকার সমস্যা শুধু কাগজে-কলমে জানলে তার প্রকৃত চিত্র বোঝা সম্ভব নয়। তাই সরেজমিনে গিয়ে মানুষের কথা শুনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ মো. শাহজাহান, ইউপি চেয়ারম্যান পারভেজ হোসেন চৌধুরী, মাহবুবুর রহমান সোহাগ, মীর খুর্শেদ আলম, মাধবপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আলাউদ্দিন আলরনি, বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ, মাধবপুর থানার ওসি সোহেল রানাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেবে জামায়াত

আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী। একক প্রার্থী দেওয়ার বিষয়টি রোববার জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দলগুলোর সমন্বয়ে গঠিত ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ বৈঠকে চূড়ান্ত করা হবে। শনিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। দলের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার রাতে বলা হয়, ‘বৈঠকে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।’ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পর সর্বসম্মতভাবে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এই লক্ষ্যে রোববার (৯ আগস্ট) ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে। এই বৈঠকেই বিরোধীদলের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে।’ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ছাড়াও বৈঠকে দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সংবিধান সংস্কার ইস্যু এবং ১১ দলীয় ঐক্য ঘোষিত চলমান রাজনৈতিক কর্মসূচিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

১২ আগস্ট ২০২৬, ১২:১৫ এএম
বর্তমান সরকার কি অসহনীয় লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসতে পারবে?

বর্তমান সরকার কি অসহনীয় লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসতে পারবে?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
লিংক কপি করা হয়েছে!

ঈদে আসছে নতুন টাকা, থাকছে না কোনো ব্যক্তির ছবি: গভর্নর

শনিবার (২৪ মে) সকালে পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনে দেশের প্রথম ক্রেডিট এনহ্যান্সমেন্ট স্কিম উদ্বোধন শেষে এ কথা বলেন তিনি।গভর্নর বলেন, ‘নতুন নোটে থাকবে দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনা। ঈদে বাজারে প্রথমে ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকার নতুন নোট আসবে।’টাঁকশাল থেকে জানা গেছে, ২০ টাকার নোট ছাপা প্রায় সম্পন্ন। আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এর পরে ৫০ ও ১০০০ টাকার নোট বাংলাদেশ ব্যাংককে বুঝিয়ে দেবে টাঁকশাল। এরপর কেন্দ্রীয় ব্যাংক সিদ্ধান্ত নেবে এই টাকা কবে বাজারে আসবে।টাঁকশাল জানিয়েছে, নতুন নকশার নোট ছাপাতে ১ থেকে দেড় বছর সময় লাগে। আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। গত ডিসেম্বরে নতুন নকশার নোট বাজারে আনার সিদ্ধান্ত নেয় এই সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় টাঁকশাল চলতি মাসে নতুন নকশার নোট ছাপানো শুরু করে।টাঁকশাল আরও জানায়, একসঙ্গে ৩টি নোটের বেশি ছাপানোর সক্ষমতা নেই টাঁকশালের। তাই প্রথম ধাপে ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকার নোট ছাপানো হচ্ছে।এদিকে গভর্নর জানিয়েছে, পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনা অন্তর্বর্তী সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার।তিনি বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রচারিত হওয়ায় তা ফেরত পাঠাতে চাপ তৈরি হয়েছে। পাচারকৃত অর্থ ফ্রিজ করায় অর্থ ফেরত আনার প্রথম ধাপ সম্পন্ন হয়েছে।’গভর্নর বলেন, ‘স্কিমের আওতায় পিকেএসএফ অংশীদার এমএফআই গুলোকে ২৪০ কোটি টাকার রিজার্ভ তহবিল ভিত্তিতে ব্যাংক ঋণ গ্যারান্টি দেবে। ঋণের গ্যারান্টি অনুযায়ী এককালীন ০.৫ শতাংশ কমিশন আদায় করা হবে। এর মাধ্যমে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ব্যাংক ঋণ পাওয়া সহজ হবে।’

নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার কারণ জানালেন রুমিন ফারহানা

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার কারণ জানালেন রুমিন ফারহানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসন থেকে নির্বাচিত স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেননি। এ নির্বাচনকে ‘অর্থহীন’ ও ‘প্রহসন’ বলে আখ্যায়িত করেছেন তিনি। তবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন এই সংসদ সদস্য । সেই সঙ্গে ‘প্রহসনের অংশ’ হতে না চাওয়ায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেননি বলে জানিয়েছেন রুমিন ফারহানা। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর গ্রামে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান। তিন কারণে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেননি উল্লেখ করে রুমিন ফারহানা বলেন, নির্বাচনে যদি অনিশ্চয়তা না থাকে, তাহলে সেটাকে নির্বাচন বলা যায় না; সেটা মনোনয়ন। সারা বাংলাদেশের সবাই জনতেন এই ভোটের ফল কী হবে। সুতরাং এটাকে আমি নির্বাচন বলতেই চাই না। ভোট না দেওয়ার দ্বিতীয় কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে আমাদের দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম হচ্ছে যে ৭০ অনুচ্ছেদকে অ্যাজ ইট ইজ আমরা রাখব না। দলের সদস্যরা দল করলেও তারা চাইলে স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। কিন্তু আমরা দেখলাম বারবার সতর্ক করা হলো যে, বিএনপির যারা সংসদ সদস্য আছেন, তারা দলের বাইরে কোনোভাবেই ভোট দিতে পারবেন না। যদি তারা ভোট দেন, তাহলে তাদের সংসদ সদস্য পদ বাতিল হয়ে যাবে। তাহলে ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে বড় বড় কথা কী দরকার ছিল? তিনি আরও বলেন, ভোট শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন, আমরা এখনই ৭০ অনুচ্ছেদটা সংশোধন করব এবং সদস্যরা চাইলে দলের বাইরে ভোট দিতে পারবেন। তাহলে এই ভোটে তাদের সেই অধিকার দেওয়া হলো না কেনো? তৃতীয় কারণ উল্লেখ করে রুমিন ফারহানা বলেন, আমরা সব দল মিলে একজন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি মনোনয়ন দিতে পারতাম। রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য যেটা ২০১৬ সালে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলেন একটা ভারসাম্য আনা হবে। যেটি বিএনপির ৩১ দফাতেও আছে। সেগুলো নিয়ে কিন্তু আমরা কোনোরকম কোনো কথা শুনি না। তাই সবকিছু দেখে আমার মনে হয়েছে আমি এই প্রহসনের অংশ হতে চাচ্ছি না। সরকারি নির্বাহী তথ্য অনুসন্ধান করা।

কোন ভিডিও নেই !
কোন ভিডিও নেই !
যমুনা ফিউচার পার্কে ‘ঈদ বাজার’ উৎসব

যমুনা ফিউচার পার্কে ‘ঈদ বাজার’ উৎসব

পোশাক কেনার সঙ্গে ঘোরাঘুরি ক্রেতাদের আনন্দে যোগ করেছে নতুন মাত্রা। বন্ধু-বান্ধব নিয়ে যমুনায় আসছেন সব বয়সি মানুষ। মা-বাবার হাত ধরে আসছে পরিবারের ছোট সদস্যও। বাহারি ডিজাইনের পোশাকের সঙ্গে কিনছে রং-বেরংয়ের খেলনা। চড়ছে নানা রাইডে। দিনভর কেনাকাটা শেষে রসনা তৃপ্তিতে ফুডকোর্টে লোভনীয় মজাদার খাবারও রয়েছে। সবশেষে সিনেমা দেখে খুশি মনে সবাই ফিরছেন বাড়ি। সব মিলিয়ে যমুনা ফিউচার পার্কে কেনাকাটা করতে আসা সবাই ঈদের আগেই যেন ঈদ আনন্দ উপভোগ করছেন।শপিংমল কর্তৃপক্ষ জানায়, ঈদের কেনাকাটার সেরা গন্তব্য হিসাবে যমুনা ফিউচার পার্কে ১৫শর বেশি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড নিয়ে এবারের ‘ঈদ বাজার’ উৎসব সাজানো হয়েছে। যেখানে থাকছে ঐতিহ্যবাহী পোশাক, ডিজাইনার কালেকশন, ইলেকট্রনিক্স, এক্সেসরিজ, জুতা, পারফিউম, হোম ডেকরসহ আরও অনেক কিছু। ফ্যাশন, লাইফস্টাইল এবং টেক ক্যাটাগরিতে থাকছে বিশেষ ঈদ ছাড়, এক্সক্লুসিভ লঞ্চ এবং আকর্ষণীয় বান্ডেল অফার। এছাড়াও বিকাশ, নগদ মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস এবং ব্যাংক কার্ডে থাকছে বিশেষ ক্যাশব্যাক ও ইনস্ট্যান্ট ডিসকাউন্ট অফার। যা ঈদের কেনাকাটাকে করবে আরও সাশ্রয়ী ও আনন্দদায়ক।পছন্দের পণ্য কিনতে সর্ববৃহৎ শপিংমলে সকাল থেকেই সব শ্রেণির ক্রেতা ভিড় করছেন। এক শোরুম থেকে আরেক শোরুম ঘুরে কিনছেন হাল ফ্যাশনের বৈচিত্র্যময় পোশাক। পোশাক কেনা শেষ করে ক্রেতারা যাচ্ছেন জুতার শোরুমে। সেখান থেকে গহনার দোকানে। এছাড়া কসমেটিকস, ক্রোকারিজ, পারফিউমসহ সব ধরনের পণ্য থাকায় ঈদ ঘিরে জমজমাট যমুনা ফিউচার পার্ক। সঙ্গে মোবাইল ও ইলেকট্রনিক্সের শোরুমগুলোতেও ঈদ ঘিরে বিক্রি বেড়েছে। এতে খুশি বিক্রেতারা।শনিবার ইনফিনিটি, কে-ক্রাফট, অঞ্জনস, আড়ং, জিন্স অ্যান্ড কোম্পানি, টুয়েলভ, রেড, জেন্টল পার্ক, টিনস ক্লাব, প্লাস পয়েন্ট, কান্ট্রি বয়, রেঞ্জ, লা রিভ, আর্টিসান, টপ টেন পোশাকের ব্র্যান্ড ও শপগুলোতে প্রচুর ক্রেতা সমাগম লক্ষ্য করা গেছে।শপিংমলের বুটিক্স ল্যাবের স্বত্বাধিকারী সুমাইয়া আক্তার যুগান্তরকে বলেন, ক্রেতাদের আস্থার কথা চিন্তা করে গ্রাউন্ড ফ্লোরে আমাদের আরেকটি আউটলেট উদ্বোধন করা হয়েছে। যেখানে ঈদ বাজার উপলক্ষ্যে ৫ জুন পর্যন্ত সব ধরনের পোশাকে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ে পণ্য বিক্রি হবে। এছাড়া শনিবার প্রত্যেকটি পোশাকে ৩০০ টাকা করে ডিসকাউন্টে বিক্রি হচ্ছে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেবে জামায়াত

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেবে জামায়াত

আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী। একক প্রার্থী দেওয়ার বিষয়টি রোববার জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দলগুলোর সমন্বয়ে গঠিত ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ বৈঠকে চূড়ান্ত করা হবে। শনিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। দলের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার রাতে বলা হয়, ‘বৈঠকে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।’ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পর সর্বসম্মতভাবে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এই লক্ষ্যে রোববার (৯ আগস্ট) ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে। এই বৈঠকেই বিরোধীদলের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে।’ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ছাড়াও বৈঠকে দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সংবিধান সংস্কার ইস্যু এবং ১১ দলীয় ঐক্য ঘোষিত চলমান রাজনৈতিক কর্মসূচিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান ইনকিলাব মঞ্চের

জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান ইনকিলাব মঞ্চের

শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে দেশের চলমান সংকট মোকাবিলায় জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক দল নিয়ে জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়ে শরিফ ওসমান হাদি বলেন, বিএনপি অসহযোগিতা করলে তাদের জাতির কাছে জবাবদিহি করতে হবে। জামায়াত অসহযোগিতা করলে জবাবদিহি করতে হবে তাদেরও। এই সরকারের মেয়াদ হবে ১০ মাস থেকে এক বছর। যদি জাতীয় সরকার না করতে পারেন তাহলে জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল গড়ে তোলেন। জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল প্রধান হবেন ড. ইউনূস। সব রাজনৈতিক দল থেকে সেখানে প্রতিনিধি থাকবে সদস্য হিসাবে। তাদের সাংবিধানিক মর্যাদা হবে ক্যাবিনেট মন্ত্রী পরিষদের মতো। তারা মন্ত্রী হবেন না, উপদেষ্টা হবেন না কিন্তু ওয়াচডগ হিসাবে কাজ করবেন।জুলাই ঘোষণাপত্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত জুলাই ঘোষণাপত্রের কার্যক্রম না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে কোনো লাভ নেই। যদি জুলাই ঘোষণাপত্র না আসে, যারা জুলাইয়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন দিল্লির সঙ্গে মিলে আওয়ামী লীগ তাদের কচুকাটা করবে। জুলাই ঘোষণাপত্র সাংবিধানিক স্বীকৃতি পেলেই আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ হবে।

সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছে এনসিপি

সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছে এনসিপি

দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত

সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছে এনসিপি

সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছে এনসিপি

দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার কারণ জানালেন রুমিন ফারহানা

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার কারণ জানালেন রুমিন ফারহানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসন থেকে নির্বাচিত স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেননি। এ নির্বাচনকে ‘অর্থহীন’ ও ‘প্রহসন’ বলে আখ্যায়িত করেছেন তিনি। তবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন এই সংসদ সদস্য । সেই সঙ্গে ‘প্রহসনের অংশ’ হতে না চাওয়ায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেননি বলে জানিয়েছেন রুমিন ফারহানা। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর গ্রামে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান। তিন কারণে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেননি উল্লেখ করে রুমিন ফারহানা বলেন, নির্বাচনে যদি অনিশ্চয়তা না থাকে, তাহলে সেটাকে নির্বাচন বলা যায় না; সেটা মনোনয়ন। সারা বাংলাদেশের সবাই জনতেন এই ভোটের ফল কী হবে। সুতরাং এটাকে আমি নির্বাচন বলতেই চাই না। ভোট না দেওয়ার দ্বিতীয় কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে আমাদের দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম হচ্ছে যে ৭০ অনুচ্ছেদকে অ্যাজ ইট ইজ আমরা রাখব না। দলের সদস্যরা দল করলেও তারা চাইলে স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। কিন্তু আমরা দেখলাম বারবার সতর্ক করা হলো যে, বিএনপির যারা সংসদ সদস্য আছেন, তারা দলের বাইরে কোনোভাবেই ভোট দিতে পারবেন না। যদি তারা ভোট দেন, তাহলে তাদের সংসদ সদস্য পদ বাতিল হয়ে যাবে। তাহলে ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে বড় বড় কথা কী দরকার ছিল? তিনি আরও বলেন, ভোট শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন, আমরা এখনই ৭০ অনুচ্ছেদটা সংশোধন করব এবং সদস্যরা চাইলে দলের বাইরে ভোট দিতে পারবেন। তাহলে এই ভোটে তাদের সেই অধিকার দেওয়া হলো না কেনো? তৃতীয় কারণ উল্লেখ করে রুমিন ফারহানা বলেন, আমরা সব দল মিলে একজন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি মনোনয়ন দিতে পারতাম। রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য যেটা ২০১৬ সালে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলেন একটা ভারসাম্য আনা হবে। যেটি বিএনপির ৩১ দফাতেও আছে। সেগুলো নিয়ে কিন্তু আমরা কোনোরকম কোনো কথা শুনি না। তাই সবকিছু দেখে আমার মনে হয়েছে আমি এই প্রহসনের অংশ হতে চাচ্ছি না। সরকারি নির্বাহী তথ্য অনুসন্ধান করা।

আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার কারণ জানালেন রুমিন ফারহানা

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার কারণ জানালেন রুমিন ফারহানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসন থেকে নির্বাচিত স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেননি। এ নির্বাচনকে ‘অর্থহীন’ ও ‘প্রহসন’ বলে আখ্যায়িত করেছেন তিনি। তবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন এই সংসদ সদস্য । সেই সঙ্গে ‘প্রহসনের অংশ’ হতে না চাওয়ায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেননি বলে জানিয়েছেন রুমিন ফারহানা। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর গ্রামে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান। তিন কারণে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেননি উল্লেখ করে রুমিন ফারহানা বলেন, নির্বাচনে যদি অনিশ্চয়তা না থাকে, তাহলে সেটাকে নির্বাচন বলা যায় না; সেটা মনোনয়ন। সারা বাংলাদেশের সবাই জনতেন এই ভোটের ফল কী হবে। সুতরাং এটাকে আমি নির্বাচন বলতেই চাই না। ভোট না দেওয়ার দ্বিতীয় কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে আমাদের দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম হচ্ছে যে ৭০ অনুচ্ছেদকে অ্যাজ ইট ইজ আমরা রাখব না। দলের সদস্যরা দল করলেও তারা চাইলে স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। কিন্তু আমরা দেখলাম বারবার সতর্ক করা হলো যে, বিএনপির যারা সংসদ সদস্য আছেন, তারা দলের বাইরে কোনোভাবেই ভোট দিতে পারবেন না। যদি তারা ভোট দেন, তাহলে তাদের সংসদ সদস্য পদ বাতিল হয়ে যাবে। তাহলে ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে বড় বড় কথা কী দরকার ছিল? তিনি আরও বলেন, ভোট শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন, আমরা এখনই ৭০ অনুচ্ছেদটা সংশোধন করব এবং সদস্যরা চাইলে দলের বাইরে ভোট দিতে পারবেন। তাহলে এই ভোটে তাদের সেই অধিকার দেওয়া হলো না কেনো? তৃতীয় কারণ উল্লেখ করে রুমিন ফারহানা বলেন, আমরা সব দল মিলে একজন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি মনোনয়ন দিতে পারতাম। রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য যেটা ২০১৬ সালে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলেন একটা ভারসাম্য আনা হবে। যেটি বিএনপির ৩১ দফাতেও আছে। সেগুলো নিয়ে কিন্তু আমরা কোনোরকম কোনো কথা শুনি না। তাই সবকিছু দেখে আমার মনে হয়েছে আমি এই প্রহসনের অংশ হতে চাচ্ছি না। সরকারি নির্বাহী তথ্য অনুসন্ধান করা।

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

চোখের স্ট্রোকের জন্য কি হাইপারটেনশন দায়ী?চোখের চিকিৎসক ডা. সুমন মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘হাইপারটেনশনের কারণে চোখের একাধিক ক্ষতি হতে পারে।’ উচ্চ রক্তচাপে চোখের রেটিনার শিরায় ব্লকেজ তৈরি হয়। এর ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এই অবস্থাকে ‘সেন্টাল রেটিনাল ভেইন অকুলেশন’ বলা হয়। এটি শিরার পাশাপাশি ধমনীতেও হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডা. মুখোপাধ্যায়। আসলে চলতি ভাষায় এই অবস্থাকেই চোখের স্ট্রোক বলা হয়।সিআরভিও-এ কি দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন?সিআরভিও-এর একাধিক উপসর্গ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কমন হলো- হঠাৎ করে একটা চোখের দৃষ্টি কমে যাওয়া। এছাড়া চোখে রক্তপাত হলে চোখের ভিতর কালো ঝুলের মতো অংশ দেখা যায়।‘সিআরভিও-এর চিকিৎসা হলো ইনজেকশন বা রেটিনাল লেজার’ বলেন ডা. মুখোপাধ্যায়। সিআরভিও হলে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, ঝাপসা দৃষ্টি এবং দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কতটা ক্ষতিকর?ডা. মুখোপাধ্যায়ের সংযোজন, ‘প্রেশার খুব বেশি থাকলে চোখের ভিতর যে অপটিক নার্ভ থাকে, তারও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।’ এই অবস্থায় চোখে রক্তপাতও হতে পারে। একে চিকিৎসার ভাষায় হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি বলা হয়।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কি গর্ভবতীদেরও হয়?হাইপারটেনশনে ভয় রয়েছে অন্তঃসত্ত্বা নারীদেরও। অনেক সময় গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের ব্লাড প্রেশার অত্যধিক বেড়ে যায়। যাকে বলে প্রেগন্যান্সি হাইপারটেনশন বা ‘একলাম্পসিয়া’। এই অবস্থা তৈরি হলে মস্তিষ্কে রক্তপাত হয়। এই পর্যায়ে পৌঁছনোর ঠিক আগে চোখের উপর প্রভাব পড়ে। দৃষ্টিশক্তি কমে আসে। এই লক্ষণ দেখে বোঝা যায় যে, ‘একলাম্পসিয়া’ খারাপ দিকে এগোচ্ছে ‘অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার কন্ট্রোলে রাখা দরকার কেন?এছাড়া অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার বারবার যাচাই করা দরকার। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ থাকা অবস্থায় অস্ত্রোপচার করলে চোখে রক্তপাত হতে পারে এবং চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।