জনমত ২৪
সর্বশেষ

হবিগঞ্জে তীব্র গ্যাস সংকট, শিল্প কারখানায় উৎপাদন বন্ধ

হবিগঞ্জে তীব্র গ্যাস সংকটে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে শিল্প খাত। গত ১৫ দিন ধরে চাহিদার তুলনায় এক-তৃতীয়াংশ থেকে এক-চতুর্থাংশ গ্যাস সরবরাহ পাওয়ার পর বুধবার থেকে জেলার অধিকাংশ শিল্পকারখানায় গ্যাস সরবরাহ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। এতে ছোট-বড় দেড় শতাধিক শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। কর্মহীন হয়ে পড়েছেন এসব প্রতিষ্ঠানের বিপুলসংখ্যক শ্রমিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী।শিল্প উদ্যোক্তাদের দাবি, গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় প্রতিদিন বিপুল অঙ্কের উৎপাদন ক্ষতি হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠানগুলো। উৎপাদন বন্ধ থাকায় নির্ধারিত সময়ে বিদেশি ক্রেতাদের পণ্য সরবরাহ করা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সময়মতো শিপমেন্ট দিতে না পারলে ক্রেতাদের অর্ডার বাতিলের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন উদ্যোক্তারা।হবিগঞ্জের যমুনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে রয়েছে ছয়টি কারখানা। এর মধ্যে টায়ার ও পাওয়ার প্লান্ট ছাড়া বাকি চারটি প্রতিষ্ঠান শতভাগ রপ্তানিমুখী। পার্কটির মহাব্যবস্থাপক (প্রকৌশল) আবুল হোসেন জানান— সেখানে শ্রমিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী মিলিয়ে প্রায় ১২ হাজার মানুষ কাজ করেন। কারখানাগুলোর দৈনিক অনুমোদিত গ্যাসের চাহিদা ১৩ দশমিক ৬ স্ট্যান্ডার্ড মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফ)। অথচ বেশ কিছুদিন ধরে মাত্র ৩ এমএমসিএফ গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছিল। এতে উৎপাদন চালিয়ে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। বুধবার (১২ আগস্ট) রাত ১২টা থেকে গ্যাস সরবরাহ প্রায় পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।স্টার সিরামিকসের প্রশাসন বিভাগের কর্মকর্তা পল্লব জানান, তাঁদের প্রতিষ্ঠানেও বেশ কিছুদিন ধরে চাহিদার এক-তৃতীয়াংশ থেকে এক-চতুর্থাংশ গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছিল। বুধবার দুপুর থেকে সরবরাহ প্রায় পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। এতে নির্ধারিত সময়ে বিদেশি ক্রেতাদের পণ্য পাঠানো নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।এসএম স্পিনিংয়ের মহাব্যবস্থাপক আবুল বাশার জানান, তাঁদের প্রতিষ্ঠানে সাড়ে ১৩ হাজার শ্রমিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী কাজ করেন। বুধবার বিকেল পৌনে ৪টা থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৩৮ হাজার মেট্রিক টন সুতা উৎপাদন হতো। উৎপাদন বন্ধ থাকায় প্রতিদিন প্রায় ১ লাখ ২১ হাজার ৬০০ ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় দেড় কোটি টাকার ক্ষতি হচ্ছে বলে জানান তিনি।হবিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের (প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ) মহাব্যবস্থাপক দীপক কুমার দেব বলেন, তাঁদের প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৩৫ হাজার শ্রমিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী রয়েছেন। কয়েক দিন ধরে গ্যাস সংকট চললেও বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে সরবরাহ একেবারে শূন্য হয়ে যায়। এতে শিল্পপার্কের সব কারখানার উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।স্কয়ার ডেনিমের মহাব্যবস্থাপক আব্দুল মাজেদ বলেন, তাঁদের দৈনিক গ্যাসের চাহিদা ২০ মেগাওয়াট। বুধবার বিকেল ৩টা থেকে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। এতে প্রায় তিন হাজার শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। প্রতিষ্ঠানটি শতভাগ রপ্তানিমুখী হওয়ায় বিদেশি ক্রেতাদের অর্ডার নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।তিনি বলেন, বিদেশি ক্রেতাদের কাছ থেকে নেওয়া অর্ডারের পণ্য এখন উৎপাদন করা যাচ্ছে না। নির্ধারিত সময়ে শিপমেন্ট দিতে ব্যর্থ হলে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে বিদেশি ক্রেতারা মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।কারখানার শ্রমিক-কর্মচারীরাও পড়েছেন অনিশ্চয়তায়। স্থানীয় একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কর্মচারী করিম হোসেন বলেন, কয়েক দিন ধরেই গ্যাসের চাপ কম থাকায় স্বাভাবিক উৎপাদন করা যাচ্ছিল না। এখন পুরোপুরি সরবরাহ বন্ধ হওয়ায় কারখানার কাজও বন্ধ। শ্রমিক-কর্মচারীরা কর্মস্থলে এসে অলস সময় পার করছেন। এ অবস্থা দীর্ঘায়িত হলে তাঁদের আয়-রোজগার ও সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়বে।শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কয়েকজন কর্মকর্তার অভিযোগ, হবিগঞ্জের সব শিল্পকারখানায় সমানভাবে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করা হয়নি। কিছু প্রতিষ্ঠানে এখনো গ্যাস সরবরাহ রয়েছে। তাঁদের প্রশ্ন, সংকট যদি জাতীয় পর্যায়ের হয়, তাহলে সব শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে একই নীতি প্রয়োগ করা হচ্ছে না কেন। এ ধরনের বৈষম্য শিল্প খাতে নতুন সংকট তৈরি করছে বলেও অভিযোগ তাঁদের।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, হবিগঞ্জে ছোট-বড় মিলিয়ে দেড় শতাধিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে অর্ধশতাধিক প্রতিষ্ঠান শতভাগ রপ্তানিমুখী। আরও কিছু প্রতিষ্ঠান আংশিকভাবে রপ্তানি করে। এসব প্রতিষ্ঠানের বড় একটি অংশ ক্যাপটিভ পাওয়ার প্লান্টের মাধ্যমে নিজস্ব বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ক্যাপটিভ পাওয়ার প্লান্টও বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ও উৎপাদন—দুই দিক থেকেই বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে শিল্পকারখানাগুলো।উদ্যোক্তারা জানান, জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে হবিগঞ্জে গ্যাস সংকট শুরু হয়। প্রথমদিকে চাহিদার তুলনায় এক-তৃতীয়াংশ বা এক-চতুর্থাংশ গ্যাস সরবরাহ করা হলেও কোনোভাবে উৎপাদন চালু রাখা হয়েছিল। কিন্তু বুধবার থেকে সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে জালালাবাদ গ্যাস টি অ্যান্ড ডি সিস্টেম লিমিটেড গ্যাস সরবরাহ কমানো বা বন্ধের বিষয়ে একাধিক চিঠি দিয়েছে। তবে কেন সরবরাহ কমানো বা বন্ধ করা হচ্ছে, সে বিষয়ে চিঠিগুলোতে স্পষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি বলে দাবি শিল্প উদ্যোক্তাদের।জালালাবাদ গ্যাস টি অ্যান্ড ডি সিস্টেম লিমিটেডের উপ মহাব্যবস্থাপক মো. রুহুল করিম চৌধুরী বলেন, গ্যাস সংকট জাতীয় সমস্যা। জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহ থেকেই এ সংকট শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তিও দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্রগুলোতে গ্যাসের সরবরাহ বাড়ানোর কারণে শিল্পকারখানায় সরবরাহ কমাতে হয়েছে। তবে আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।তবে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা করছেন শিল্প উদ্যোক্তারা। তাঁদের মতে, দীর্ঘ সময় উৎপাদন বন্ধ থাকলে শুধু শিল্পপ্রতিষ্ঠান নয়, এর প্রভাব পড়বে শ্রমিকদের কর্মসংস্থান, রপ্তানি আয়, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের শিল্পপণ্যের গ্রহণযোগ্যতার ওপর। তাই দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

চুনারুঘাটে আ'লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান মানিক সরকার গ্রেফতার

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ নতুনব্রিজ এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার ৪ নং  আসামি এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আয়ামী লীগের চুনারুঘাট উপজেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলার ১০নং  মিরাশী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মানিক সরকারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।বৃহস্পতিবার গভীর রাতে চুনারুঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল পুলিশ  অভিযান চালিয়ে তার বসতঘর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেন।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শায়েস্তাগঞ্জ নতুনব্রিজ এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মানিক সরকারকে ৪ নম্বর আসামি করা হয়। মামলার পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।গোপন সংবাদের ভিত্তিতে  বৃহস্পতিবার গভীর রাতে চুনারুঘাট থানা পুলিশ তার নিজ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসব তথ্য নিশ্চিত করে চুনারুঘাট থানার ওসি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, মানিক সরকারকে সংশ্লিষ্ট মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

চুনারুঘাটে আ'লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান মানিক সরকার গ্রেফতার

হবিগঞ্জ ৫৫ বিজিবির মাদকবিরোধী অভিযান / ৫ লক্ষাধিক মূল্যের ভারতীয় ইয়াবাসহ আটক ১

হবিগঞ্জে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ৭১০ পিস ভারতীয় ইয়াবাসহ মো. আব্দুর রহমান (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় তার কাছ থেকে একটি বাইসাইকেলও জব্দ করা হয়। জব্দ করা ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ৫ লাখ ১৮ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৫ বিজিবি) এর সিন্দুরখান বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার ইসলামপুরে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।বিজিবি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিন্দুরখান বিওপির একটি টহলদল ইসলামপুর এলাকায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালায়। এ সময় সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে আটক করে তল্লাশি করা হলে তার কাছ থেকে ১ হাজার ৭১০ পিস ভারতীয় ইয়াবা ও একটি বাইসাইকেল উদ্ধার করা হয়।আটক মো. আব্দুর রহমান মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থানার কুঞ্জবন গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম মৃত কচির উল্লাহ।বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিতভাবে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত চক্রকে শনাক্ত ও আটক করতে বিজিবির গোয়েন্দা তৎপরতাও অব্যাহত রয়েছে। হবিগঞ্জ ৫৫ বিজিবি ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানজিলুর রহমান বলেন, দেশের যুবসমাজকে মাদকের ভয়াল গ্রাস থেকে রক্ষা এবং সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে মাদক ও চোরাচালানমুক্ত সমাজ গঠনে স্থানীয় জনগণসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

৫ লক্ষাধিক মূল্যের ভারতীয় ইয়াবাসহ আটক ১
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বড় সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বড় সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

অবসরপ্রাপ্ত বেসরকারি শিক্ষকদের জন্য সুখবর দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ একসঙ্গে পরিশোধের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তার এডিমিনের করা পোস্টে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। পোস্টটি হুবহু দেওয়া হলো-  ‘দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান, অবশেষে আগামীকাল শনিবার (১৫ আগস্ট) একযোগে অবসর-কল্যাণের টাকা পাচ্ছেন অবসরপ্রাপ্ত বেসরকারি শিক্ষকরা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে তাদের অবসর ও কল্যাণের এই অর্থ পরিশোধে এককালীন ২০৩৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, দীর্ঘ ৪ বছর ধরে জমে থাকা শিক্ষকদের পাহাড়সম বকেয়ার জট কাটাতে আমরা যে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছি তারই ধারাবাহিকতায় দেশের ৬৪টি জেলায় একযোগে ২০৩৫ কোটি ৮৬ লক্ষ টাকা শিক্ষকদের স্ব স্ব ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রেরণ করতে যাচ্ছি।’

প্রতিদিনের বাংলাদেশ

খুলনায় জাল টাকা তৈরির বিপুল সরঞ্জাম জব্দ, আটক ৩

খুলনা নগরীর দৌলতপুরে জাল নোট তৈরি ও সরবরাহের অভিযোগে তিন জনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে জাল টাকা এবং টাকা তৈরির বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।  বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দিনগত রাতে থানার কল্পতরু মার্কেট এলাকায় কাজী মিনহাজ করিম অমিতের বসতবাড়ির দোতলার স্টুডিও রুমে এ অভিযান পরিচালনা করে দৌলতপুর থানা পুলিশ। আটকরা হলেন—কাজী মিনহাজ করিম অমিত (৩২), শেখ ইমতিয়াজ কবির (৩৮) ও আসাদুজ্জামান আশিক (৩০)। পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে হাতেনাতে ওই তিনজনকে আটক করা হয়। পরে ঘর তল্লাশি করে এক হাজার টাকার তিনটি এবং ৫০০ টাকার দুটি নোটসহ মোট ৪ হাজার টাকার জাল নোট জব্দ করা হয়। জব্দ নোটগুলোর গায়ে কলম দিয়ে ‘DEMO’ লেখা ছিল। আরও পড়ুনআরও পড়ুনবিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে বের হয়ে এসেছে: ফারজানা শারমীন এছাড়া জাল টাকা তৈরিতে ব্যবহৃত একটি ল্যাপটপ, একটি এক্সটার্নাল হার্ডডিস্ক এবং জাল নোট প্রিন্ট করার কাজে ব্যবহৃত একটি কালার লেজার প্রিন্টার জব্দ করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে এ সব সরঞ্জাম ব্যবহার করে জাল টাকা তৈরি করে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে আসছিল। আটকদের বিরুদ্ধে দৌলতপুর থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেবে জামায়াত

আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী। একক প্রার্থী দেওয়ার বিষয়টি রোববার জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দলগুলোর সমন্বয়ে গঠিত ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ বৈঠকে চূড়ান্ত করা হবে। শনিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। দলের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার রাতে বলা হয়, ‘বৈঠকে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।’ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পর সর্বসম্মতভাবে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এই লক্ষ্যে রোববার (৯ আগস্ট) ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে। এই বৈঠকেই বিরোধীদলের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে।’ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ছাড়াও বৈঠকে দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সংবিধান সংস্কার ইস্যু এবং ১১ দলীয় ঐক্য ঘোষিত চলমান রাজনৈতিক কর্মসূচিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

১২ আগস্ট ২০২৬, ১২:১৫ এএম
বর্তমান সরকার কি অসহনীয় লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসতে পারবে?

বর্তমান সরকার কি অসহনীয় লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসতে পারবে?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
লিংক কপি করা হয়েছে!

ঈদে আসছে নতুন টাকা, থাকছে না কোনো ব্যক্তির ছবি: গভর্নর

শনিবার (২৪ মে) সকালে পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনে দেশের প্রথম ক্রেডিট এনহ্যান্সমেন্ট স্কিম উদ্বোধন শেষে এ কথা বলেন তিনি।গভর্নর বলেন, ‘নতুন নোটে থাকবে দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনা। ঈদে বাজারে প্রথমে ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকার নতুন নোট আসবে।’টাঁকশাল থেকে জানা গেছে, ২০ টাকার নোট ছাপা প্রায় সম্পন্ন। আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এর পরে ৫০ ও ১০০০ টাকার নোট বাংলাদেশ ব্যাংককে বুঝিয়ে দেবে টাঁকশাল। এরপর কেন্দ্রীয় ব্যাংক সিদ্ধান্ত নেবে এই টাকা কবে বাজারে আসবে।টাঁকশাল জানিয়েছে, নতুন নকশার নোট ছাপাতে ১ থেকে দেড় বছর সময় লাগে। আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। গত ডিসেম্বরে নতুন নকশার নোট বাজারে আনার সিদ্ধান্ত নেয় এই সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় টাঁকশাল চলতি মাসে নতুন নকশার নোট ছাপানো শুরু করে।টাঁকশাল আরও জানায়, একসঙ্গে ৩টি নোটের বেশি ছাপানোর সক্ষমতা নেই টাঁকশালের। তাই প্রথম ধাপে ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকার নোট ছাপানো হচ্ছে।এদিকে গভর্নর জানিয়েছে, পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনা অন্তর্বর্তী সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার।তিনি বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রচারিত হওয়ায় তা ফেরত পাঠাতে চাপ তৈরি হয়েছে। পাচারকৃত অর্থ ফ্রিজ করায় অর্থ ফেরত আনার প্রথম ধাপ সম্পন্ন হয়েছে।’গভর্নর বলেন, ‘স্কিমের আওতায় পিকেএসএফ অংশীদার এমএফআই গুলোকে ২৪০ কোটি টাকার রিজার্ভ তহবিল ভিত্তিতে ব্যাংক ঋণ গ্যারান্টি দেবে। ঋণের গ্যারান্টি অনুযায়ী এককালীন ০.৫ শতাংশ কমিশন আদায় করা হবে। এর মাধ্যমে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ব্যাংক ঋণ পাওয়া সহজ হবে।’

নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বড় সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বড় সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

অবসরপ্রাপ্ত বেসরকারি শিক্ষকদের জন্য সুখবর দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ একসঙ্গে পরিশোধের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তার এডিমিনের করা পোস্টে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। পোস্টটি হুবহু দেওয়া হলো-  ‘দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান, অবশেষে আগামীকাল শনিবার (১৫ আগস্ট) একযোগে অবসর-কল্যাণের টাকা পাচ্ছেন অবসরপ্রাপ্ত বেসরকারি শিক্ষকরা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে তাদের অবসর ও কল্যাণের এই অর্থ পরিশোধে এককালীন ২০৩৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, দীর্ঘ ৪ বছর ধরে জমে থাকা শিক্ষকদের পাহাড়সম বকেয়ার জট কাটাতে আমরা যে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছি তারই ধারাবাহিকতায় দেশের ৬৪টি জেলায় একযোগে ২০৩৫ কোটি ৮৬ লক্ষ টাকা শিক্ষকদের স্ব স্ব ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রেরণ করতে যাচ্ছি।’

কোন ভিডিও নেই !
কোন ভিডিও নেই !
যমুনা ফিউচার পার্কে ‘ঈদ বাজার’ উৎসব

যমুনা ফিউচার পার্কে ‘ঈদ বাজার’ উৎসব

পোশাক কেনার সঙ্গে ঘোরাঘুরি ক্রেতাদের আনন্দে যোগ করেছে নতুন মাত্রা। বন্ধু-বান্ধব নিয়ে যমুনায় আসছেন সব বয়সি মানুষ। মা-বাবার হাত ধরে আসছে পরিবারের ছোট সদস্যও। বাহারি ডিজাইনের পোশাকের সঙ্গে কিনছে রং-বেরংয়ের খেলনা। চড়ছে নানা রাইডে। দিনভর কেনাকাটা শেষে রসনা তৃপ্তিতে ফুডকোর্টে লোভনীয় মজাদার খাবারও রয়েছে। সবশেষে সিনেমা দেখে খুশি মনে সবাই ফিরছেন বাড়ি। সব মিলিয়ে যমুনা ফিউচার পার্কে কেনাকাটা করতে আসা সবাই ঈদের আগেই যেন ঈদ আনন্দ উপভোগ করছেন।শপিংমল কর্তৃপক্ষ জানায়, ঈদের কেনাকাটার সেরা গন্তব্য হিসাবে যমুনা ফিউচার পার্কে ১৫শর বেশি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড নিয়ে এবারের ‘ঈদ বাজার’ উৎসব সাজানো হয়েছে। যেখানে থাকছে ঐতিহ্যবাহী পোশাক, ডিজাইনার কালেকশন, ইলেকট্রনিক্স, এক্সেসরিজ, জুতা, পারফিউম, হোম ডেকরসহ আরও অনেক কিছু। ফ্যাশন, লাইফস্টাইল এবং টেক ক্যাটাগরিতে থাকছে বিশেষ ঈদ ছাড়, এক্সক্লুসিভ লঞ্চ এবং আকর্ষণীয় বান্ডেল অফার। এছাড়াও বিকাশ, নগদ মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস এবং ব্যাংক কার্ডে থাকছে বিশেষ ক্যাশব্যাক ও ইনস্ট্যান্ট ডিসকাউন্ট অফার। যা ঈদের কেনাকাটাকে করবে আরও সাশ্রয়ী ও আনন্দদায়ক।পছন্দের পণ্য কিনতে সর্ববৃহৎ শপিংমলে সকাল থেকেই সব শ্রেণির ক্রেতা ভিড় করছেন। এক শোরুম থেকে আরেক শোরুম ঘুরে কিনছেন হাল ফ্যাশনের বৈচিত্র্যময় পোশাক। পোশাক কেনা শেষ করে ক্রেতারা যাচ্ছেন জুতার শোরুমে। সেখান থেকে গহনার দোকানে। এছাড়া কসমেটিকস, ক্রোকারিজ, পারফিউমসহ সব ধরনের পণ্য থাকায় ঈদ ঘিরে জমজমাট যমুনা ফিউচার পার্ক। সঙ্গে মোবাইল ও ইলেকট্রনিক্সের শোরুমগুলোতেও ঈদ ঘিরে বিক্রি বেড়েছে। এতে খুশি বিক্রেতারা।শনিবার ইনফিনিটি, কে-ক্রাফট, অঞ্জনস, আড়ং, জিন্স অ্যান্ড কোম্পানি, টুয়েলভ, রেড, জেন্টল পার্ক, টিনস ক্লাব, প্লাস পয়েন্ট, কান্ট্রি বয়, রেঞ্জ, লা রিভ, আর্টিসান, টপ টেন পোশাকের ব্র্যান্ড ও শপগুলোতে প্রচুর ক্রেতা সমাগম লক্ষ্য করা গেছে।শপিংমলের বুটিক্স ল্যাবের স্বত্বাধিকারী সুমাইয়া আক্তার যুগান্তরকে বলেন, ক্রেতাদের আস্থার কথা চিন্তা করে গ্রাউন্ড ফ্লোরে আমাদের আরেকটি আউটলেট উদ্বোধন করা হয়েছে। যেখানে ঈদ বাজার উপলক্ষ্যে ৫ জুন পর্যন্ত সব ধরনের পোশাকে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ে পণ্য বিক্রি হবে। এছাড়া শনিবার প্রত্যেকটি পোশাকে ৩০০ টাকা করে ডিসকাউন্টে বিক্রি হচ্ছে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেবে জামায়াত

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেবে জামায়াত

আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী। একক প্রার্থী দেওয়ার বিষয়টি রোববার জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দলগুলোর সমন্বয়ে গঠিত ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ বৈঠকে চূড়ান্ত করা হবে। শনিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। দলের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার রাতে বলা হয়, ‘বৈঠকে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।’ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পর সর্বসম্মতভাবে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এই লক্ষ্যে রোববার (৯ আগস্ট) ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে। এই বৈঠকেই বিরোধীদলের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে।’ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ছাড়াও বৈঠকে দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সংবিধান সংস্কার ইস্যু এবং ১১ দলীয় ঐক্য ঘোষিত চলমান রাজনৈতিক কর্মসূচিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান ইনকিলাব মঞ্চের

জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান ইনকিলাব মঞ্চের

শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে দেশের চলমান সংকট মোকাবিলায় জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক দল নিয়ে জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়ে শরিফ ওসমান হাদি বলেন, বিএনপি অসহযোগিতা করলে তাদের জাতির কাছে জবাবদিহি করতে হবে। জামায়াত অসহযোগিতা করলে জবাবদিহি করতে হবে তাদেরও। এই সরকারের মেয়াদ হবে ১০ মাস থেকে এক বছর। যদি জাতীয় সরকার না করতে পারেন তাহলে জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল গড়ে তোলেন। জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল প্রধান হবেন ড. ইউনূস। সব রাজনৈতিক দল থেকে সেখানে প্রতিনিধি থাকবে সদস্য হিসাবে। তাদের সাংবিধানিক মর্যাদা হবে ক্যাবিনেট মন্ত্রী পরিষদের মতো। তারা মন্ত্রী হবেন না, উপদেষ্টা হবেন না কিন্তু ওয়াচডগ হিসাবে কাজ করবেন।জুলাই ঘোষণাপত্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত জুলাই ঘোষণাপত্রের কার্যক্রম না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে কোনো লাভ নেই। যদি জুলাই ঘোষণাপত্র না আসে, যারা জুলাইয়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন দিল্লির সঙ্গে মিলে আওয়ামী লীগ তাদের কচুকাটা করবে। জুলাই ঘোষণাপত্র সাংবিধানিক স্বীকৃতি পেলেই আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ হবে।

সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছে এনসিপি

সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছে এনসিপি

দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত

সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছে এনসিপি

সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছে এনসিপি

দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বড় সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বড় সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

অবসরপ্রাপ্ত বেসরকারি শিক্ষকদের জন্য সুখবর দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ একসঙ্গে পরিশোধের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তার এডিমিনের করা পোস্টে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। পোস্টটি হুবহু দেওয়া হলো-  ‘দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান, অবশেষে আগামীকাল শনিবার (১৫ আগস্ট) একযোগে অবসর-কল্যাণের টাকা পাচ্ছেন অবসরপ্রাপ্ত বেসরকারি শিক্ষকরা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে তাদের অবসর ও কল্যাণের এই অর্থ পরিশোধে এককালীন ২০৩৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, দীর্ঘ ৪ বছর ধরে জমে থাকা শিক্ষকদের পাহাড়সম বকেয়ার জট কাটাতে আমরা যে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছি তারই ধারাবাহিকতায় দেশের ৬৪টি জেলায় একযোগে ২০৩৫ কোটি ৮৬ লক্ষ টাকা শিক্ষকদের স্ব স্ব ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রেরণ করতে যাচ্ছি।’

আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বড় সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বড় সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

অবসরপ্রাপ্ত বেসরকারি শিক্ষকদের জন্য সুখবর দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ একসঙ্গে পরিশোধের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তার এডিমিনের করা পোস্টে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। পোস্টটি হুবহু দেওয়া হলো-  ‘দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান, অবশেষে আগামীকাল শনিবার (১৫ আগস্ট) একযোগে অবসর-কল্যাণের টাকা পাচ্ছেন অবসরপ্রাপ্ত বেসরকারি শিক্ষকরা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে তাদের অবসর ও কল্যাণের এই অর্থ পরিশোধে এককালীন ২০৩৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, দীর্ঘ ৪ বছর ধরে জমে থাকা শিক্ষকদের পাহাড়সম বকেয়ার জট কাটাতে আমরা যে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছি তারই ধারাবাহিকতায় দেশের ৬৪টি জেলায় একযোগে ২০৩৫ কোটি ৮৬ লক্ষ টাকা শিক্ষকদের স্ব স্ব ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রেরণ করতে যাচ্ছি।’

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

চোখের স্ট্রোকের জন্য কি হাইপারটেনশন দায়ী?চোখের চিকিৎসক ডা. সুমন মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘হাইপারটেনশনের কারণে চোখের একাধিক ক্ষতি হতে পারে।’ উচ্চ রক্তচাপে চোখের রেটিনার শিরায় ব্লকেজ তৈরি হয়। এর ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এই অবস্থাকে ‘সেন্টাল রেটিনাল ভেইন অকুলেশন’ বলা হয়। এটি শিরার পাশাপাশি ধমনীতেও হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডা. মুখোপাধ্যায়। আসলে চলতি ভাষায় এই অবস্থাকেই চোখের স্ট্রোক বলা হয়।সিআরভিও-এ কি দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন?সিআরভিও-এর একাধিক উপসর্গ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কমন হলো- হঠাৎ করে একটা চোখের দৃষ্টি কমে যাওয়া। এছাড়া চোখে রক্তপাত হলে চোখের ভিতর কালো ঝুলের মতো অংশ দেখা যায়।‘সিআরভিও-এর চিকিৎসা হলো ইনজেকশন বা রেটিনাল লেজার’ বলেন ডা. মুখোপাধ্যায়। সিআরভিও হলে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, ঝাপসা দৃষ্টি এবং দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কতটা ক্ষতিকর?ডা. মুখোপাধ্যায়ের সংযোজন, ‘প্রেশার খুব বেশি থাকলে চোখের ভিতর যে অপটিক নার্ভ থাকে, তারও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।’ এই অবস্থায় চোখে রক্তপাতও হতে পারে। একে চিকিৎসার ভাষায় হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি বলা হয়।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কি গর্ভবতীদেরও হয়?হাইপারটেনশনে ভয় রয়েছে অন্তঃসত্ত্বা নারীদেরও। অনেক সময় গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের ব্লাড প্রেশার অত্যধিক বেড়ে যায়। যাকে বলে প্রেগন্যান্সি হাইপারটেনশন বা ‘একলাম্পসিয়া’। এই অবস্থা তৈরি হলে মস্তিষ্কে রক্তপাত হয়। এই পর্যায়ে পৌঁছনোর ঠিক আগে চোখের উপর প্রভাব পড়ে। দৃষ্টিশক্তি কমে আসে। এই লক্ষণ দেখে বোঝা যায় যে, ‘একলাম্পসিয়া’ খারাপ দিকে এগোচ্ছে ‘অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার কন্ট্রোলে রাখা দরকার কেন?এছাড়া অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার বারবার যাচাই করা দরকার। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ থাকা অবস্থায় অস্ত্রোপচার করলে চোখে রক্তপাত হতে পারে এবং চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।