জনমত ২৪
সর্বশেষ

নেপাল–তিব্বতে ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধসে নিখোঁজ প্রায় ১৫০০

নেপাল ও চীনের তিব্বত অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় প্রায় ১ হাজার ৫০০ মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে অন্তত ৮০০ জন বিদেশি নাগরিক। গতকাল বুধবার হিমালয়ের এক নদীতে পাহাড়ের মাটি ও পাথরের বিশাল অংশ ধসে পড়ার পর ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি হয়। এতে বিভিন্ন শহর ও উপত্যকা প্লাবিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার উদ্ধারকারীরা হেলিকপ্টার ব্যবহার করে জীবিতদের সন্ধান চালান এবং দুর্গম এলাকায় আটকে পড়া হাজারো মানুষের কাছে জরুরি ত্রাণ পৌঁছে দেন। দুর্ঘটনাটি ঘটেছে এমন এক দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে, যেখান দিয়ে তিব্বতের লাসা থেকে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর দিকে বিপুলসংখ্যক পর্যটক ও তীর্থযাত্রী যাতায়াত করেন। নেপাল পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মৃতের সংখ্যা ১৬৫ ছাড়িয়ে যেতে পারে। পুলিশের মুখপাত্র আবিনারায়ণ কাফলে রয়টার্সকে বলেন, ‘অনুসন্ধান আবার শুরু হয়েছে। আরও মরদেহ উদ্ধারের সম্ভাবনা থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়বে।’ নেপালে নিখোঁজ ৮২৬ জনের মধ্যে প্রায় ৬০০ জন বিদেশি বলে জানিয়েছে পুলিশ ও পর্যটন কর্মকর্তারা। নিখোঁজ বিদেশি পর্যটকরা দুই ডজনেরও বেশি দেশের নাগরিক। তাদের মধ্যে ভারতের ১৭৭ জন, যুক্তরাষ্ট্রের ৬৩ জন, অস্ট্রেলিয়ার ৩৪ জন, যুক্তরাজ্যের ৩৩ জন এবং কানাডার ২৫ জন রয়েছেন। অন্যদিকে, তিব্বতের গিরং কাউন্টিতে ৫৫৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি। তাদের মধ্যে ২৬০ জন বিদেশি নাগরিক। যাচাই করা ভিডিওতে দেখা গেছে, গিরংয়ের একটি সীমান্ত পারাপার এলাকায় পানি, কাদা ও ধ্বংসাবশেষের বিশাল স্রোত বহু মানুষকে ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এর পরের দিকে নেপালের ভূখণ্ডে বহু বাড়িঘর, সড়ক ও বিদ্যুৎ প্রকল্পও পানির তোড়ে ধ্বংস হয়ে যায়। বন্যা ও ভূমিধস থেকে বেঁচে যাওয়া ৬৮ বছর বয়সী কেশব প্রসাদ বারাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি বলেন, ‘আমাদের দিকে সরাসরি বিশাল এক কাদার ঢল এগিয়ে আসছিল।’ তিনি জানান, ঢল যত কাছে আসছিল, সেটি তত উঁচু হচ্ছিল। কাদা তাদের বাড়িতে ঢুকে পড়ার সময় তিনি স্ত্রীর হাত ধরে তাকে বাড়ির ছাদে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু কাদার স্রোত তার স্ত্রীকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। চার ঘণ্টা পর একটি হেলিকপ্টারে করে তাঁকে নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়। বারাল বলেন, ‘আমার স্ত্রী এখনো কোথাও কাদার নিচে আছে। সে চলে গেছে।’ আরেক বেঁচে যাওয়া ব্যক্তি জানান, তিনি একটি আমগাছ আঁকড়ে ধরে নিজেকে রক্ষা করেন। তাঁর চোখের সামনে তিনি যে বাড়িতে কাজ করছিলেন, সেটি সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে যায়। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোতে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে তাঁবু, খাবারসহ জরুরি ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। প্রতিবেশী ভারত এসব ত্রাণ সরবরাহ করছে বলে জানিয়েছেন নেপাল সেনাবাহিনীর মুখপাত্র রাজা রাম বাসনেত। উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযানে ৫ হাজারেরও বেশি সেনা ও পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। তাদের কাজ হলো জীবিতদের সন্ধান করা এবং মরদেহ উদ্ধার করা। এদিকে, প্রাথমিকভাবে নেপালের কর্মকর্তারা ধারণা করেছিলেন, ওই এলাকায় একটি ভূমিকম্পের কারণে হিমবাহের নিচের অংশ ধসে পড়ে এই ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে জানিয়েছে, প্রথমে ৪ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প হিসেবে যে কম্পন শনাক্ত করা হয়েছিল, সেটি আসলে হিমবাহের পাথর ও বরফ ধসে পড়ার ফলে সৃষ্ট ভূকম্পনশক্তি। এরপর সেখানে ধ্বংসাবশেষের প্রবাহ বা ডেব্রিস ফ্লো তৈরি হয়। এদিকে, তিব্বতের গিরং এলাকায় একটি হ্রদে পানি আটকে থাকা অবস্থায় নতুন ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে চীনা কর্তৃপক্ষ। হ্রদটি ভূমিধস ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত তিব্বত-নেপাল সীমান্ত পারাপার এলাকার উজানে অবস্থিত। সেখানে পানির চাপ বা হ্রদের পানি হঠাৎ নেমে এলে উদ্ধার অভিযান আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে সিসিটিভি জানিয়েছে। নিখোঁজদের অনেকেই কৈলাস-মানস সরোবরের তীর্থযাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন। তিব্বতের উচ্চভূমিতে অবস্থিত এই স্থান হিন্দু ও বৌদ্ধসহ বিভিন্ন ধর্মের মানুষের কাছে অত্যন্ত পবিত্র। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, কৈলাস পর্বত হলো ভগবান শিবের আবাসস্থল। কৈলাস পর্বতের পাশেই রয়েছে মানস সরোবর হ্রদ, যা বিভিন্ন ধর্মের অনুসারীদের কাছেই পবিত্র বলে বিবেচিত। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, তারা একজন দুর্যোগ মোকাবিলা-বিষয়ক পরামর্শক নেপালে পাঠাচ্ছে এবং দেশটিকে ৫ লাখ ডলার সহায়তা দিচ্ছে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, তাঁর সরকার পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। তিনি বন্যার ঘটনাকে ‘একেবারে ভয়াবহ’ বলে বর্ণনা করেন। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস জানিয়েছেন, জাতিসংঘের বিভিন্ন দল ও অংশীদার সংস্থাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত নেপালি জনগোষ্ঠীর সহায়তায় ত্রাণসামগ্রী ও কর্মী পাঠাচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ বলেন, দুর্যোগটির বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি বলেন, ‘নেপাল একটি উন্নয়নশীল দেশ। অস্ট্রেলিয়ায় এমন একটি দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য যে ধরনের সম্পদ রয়েছে, নেপালের তা নেই। তাই তথ্য পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।’ হিমালয়ভিত্তিক একটি পর্যটন প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী সাগর পান্ডে জানিয়েছেন, তার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তীর্থযাত্রায় থাকা ১৫ জন ভারতীয়-অস্ট্রেলীয় নাগরিক নিখোঁজ রয়েছেন। হেলিকপ্টারে করে দুর্গত এলাকা পরিদর্শনের পর তিনি রয়টার্সকে বলেন, ‘মানুষের তৈরি কোনো কিছুই আর নেই, কোনো জনবসতিও নেই। সবকিছু সমতল হয়ে গেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘তাই হোটেল, রেস্তোরাঁ কিংবা গাড়ির মধ্যে যারা ছিলেন, আমার বিশ্বাস সবাই মারা গেছেন।’ উদ্ধার অভিযান নতুন করে জোরদার করা হয়েছে। তবে দুর্গম পাহাড়ি এলাকা, ধ্বংসস্তূপ, বিচ্ছিন্ন সড়ক এবং উজানে থাকা আটকে পড়া পানির ঝুঁকির কারণে উদ্ধারকারীদের সামনে পরিস্থিতি অত্যন্ত কঠিন। ফলে মৃত ও নিখোঁজের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সততা-স্বচ্ছতায় মানুষের কাজ করে যাচ্ছি : এমপি ফয়সল

হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ মো. ফয়সল বলেছেন, জনগণ অনেক আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে তাঁদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করেন। সেই প্রত্যাশা পূরণে জনপ্রতিনিধিদের সরাসরি জনগণের কাছে যেতে হবে। এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা কাছ থেকে জানতে চাই। জনগণের কথা শুনেই উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে।রোববার বিকেলে মাধবপুরে সংসদ সদস্যের পরিদর্শন কক্ষ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এমপি ফয়সল  বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত ছয় মাসে দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতির মধ্যেও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছেন। এসব কার্যক্রম দেশ-বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সঙ্গে মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছি।সৈয়দ মো. ফয়সল বলেন, স্থানীয় পর্যায়ের সমস্যা, উন্নয়ন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোগত সংকটসহ জনকল্যাণের বিষয়গুলো জনগণের কাছ থেকে সরাসরি শুনতে চাই। মানুষের প্রয়োজন ও প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কাজ করতে হবে। সংসদ সদস্যের পরিদর্শন কক্ষটি জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে।এমপি ফয়সল বলেন, জনপ্রতিনিধি হিসেবে মানুষের কাছে জবাবদিহি রয়েছে। কোনো এলাকার সমস্যা শুধু কাগজে-কলমে জানলে তার প্রকৃত চিত্র বোঝা সম্ভব নয়। তাই সরেজমিনে গিয়ে মানুষের কথা শুনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ মো. শাহজাহান, ইউপি চেয়ারম্যান পারভেজ হোসেন চৌধুরী, মাহবুবুর রহমান সোহাগ, মীর খুর্শেদ আলম, মাধবপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আলাউদ্দিন আলরনি, বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ, মাধবপুর থানার ওসি সোহেল রানাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সততা-স্বচ্ছতায় মানুষের কাজ করে যাচ্ছি : এমপি ফয়সল

হবিগঞ্জ বিজিবির অভিযান / সাতছড়ির জঙ্গলে মাটির নিচ থেকে ৬ পিস্তল, ৭ ম্যাগাজিন ও গুলি উদ্ধার

হবিগঞ্জের সাতছড়ি রিজার্ভ ফরেস্টের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় মাটির নিচে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ছয়টি পিস্তল, সাতটি ম্যাগাজিন ও ২২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ভোররাতে সাতছড়ি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৫ বিজিবি) সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তানজিলুর রহমানের নেতৃত্বে বিজিবির একটি বিশেষ দল অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সীমান্ত পিলার ১৯৭৮ থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সাতছড়ি রিজার্ভ ফরেস্টের দুর্গম পাহাড়ি ও ঘন জঙ্গলে তল্লাশি চালানো হয়।একপর্যায়ে মাটির নিচে বিশেষ কৌশলে পুঁতে রাখা অবস্থায় ছয়টি পিস্তল, সাতটি ম্যাগাজিন ও বিভিন্ন ধরনের ২২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।বিজিবির প্রাথমিক ধারণা, ডাকাতি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন অপরাধে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে দুর্বৃত্তরা এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় লুকিয়ে রেখেছিল। তবে অস্ত্রগুলোর মালিকানা ও এগুলো কোথা থেকে আনা হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।৫৫ বিজিবি জানিয়েছে, উদ্ধার করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে থানায় জমা দেওয়ার কার্যক্রম চলছে। একই সঙ্গে এসব অস্ত্রের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা তৎপরতা এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে।হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৫ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তানজিলুর রহমান বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদের বিস্তার রোধ এবং সীমান্ত এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিজিবি দৃঢ়ভাবে কাজ করছে। যেকোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান ও তৎপরতা আরও জোরদার করা হবে।উল্লেখ্য যে, গত তিন মাসে সাতছড়ি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের দুর্গম সীমান্ত এলাকায় ৫৫ বিজিবির অভিযানে প্রায় ৪১ লাখ টাকা মূল্যের ২৩৮ কেজি ভারতীয় গাঁজা, ২ হাজার ৫৮৫টি ইয়াবা, ৫৯ বোতল মদ এবং ২১টি গরু আটক করা হয়েছে।

সাতছড়ির জঙ্গলে মাটির নিচ থেকে ৬ পিস্তল, ৭ ম্যাগাজিন ও গুলি উদ্ধার
চুনারুঘাটে মাদকসেবীর ৬ মাসের কারাদণ্ড

চুনারুঘাটে মাদকসেবীর ৬ মাসের কারাদণ্ড

চামড়া সংরক্ষণে  বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার

চামড়া সংরক্ষণে বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার

চুনারুঘাটে ধানের জমিতে মিলল যুবকের মরদেহ

চুনারুঘাটে ধানের জমিতে মিলল যুবকের মরদেহ

চুনারুঘাটে আ'লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান মানিক সরকার গ্রেফতার

চুনারুঘাটে আ'লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান মানিক সরকার গ্রেফতার

চুনারুঘাটে রায়হানিয়া মাদ্রাসায় ফলাফলে চরম বিপর্যয়, পাস মাত্র ৪জন

চুনারুঘাটে রায়হানিয়া মাদ্রাসায় ফলাফলে চরম বিপর্যয়, পাস মাত্র ৪জন

রানীগাঁও বাজারে পূবালী ব্যাংকের ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং বুথ উদ্বোধন

রানীগাঁও বাজারে পূবালী ব্যাংকের ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং বুথ উদ্বোধন

মাধবপুরে ফ্যামিলি কার্ডের শুমারি থেকে ৪ তথ্য সংগ্রহকারীর নিয়োগ বাতিল

মাধবপুরে ফ্যামিলি কার্ডের শুমারি থেকে ৪ তথ্য সংগ্রহকারীর নিয়োগ বাতিল

বিক্ষোভের প্রস্তুতিকালে হবিগঞ্জের বৈছাআ নেতা মাহদীসহ আটক ৩

বিক্ষোভের প্রস্তুতিকালে হবিগঞ্জের বৈছাআ নেতা মাহদীসহ আটক ৩

হবিগঞ্জে শাশুড়ি হত্যা মামলায় জামাতার যাবজ্জীবন

হবিগঞ্জে শাশুড়ি হত্যা মামলায় জামাতার যাবজ্জীবন

চুনারুঘাটে মাদক সেবন করে মাকে মারধর, এক যুবককে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিলেন ইউএনও

চুনারুঘাটে মাদক সেবন করে মাকে মারধর, এক যুবককে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিলেন ইউএনও

রংপুরের ৪ খুনের ঘটনায় পুলিশ হেফাজতে সিদ্ধার্থ-মুগ্ধ

রংপুরের ৪ খুনের ঘটনায় পুলিশ হেফাজতে সিদ্ধার্থ-মুগ্ধ

কুমিল্লায় সাংবাদিকদের ওপর হামলা, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

কুমিল্লায় সাংবাদিকদের ওপর হামলা, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

নেপাল–তিব্বতে ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধসে নিখোঁজ প্রায় ১৫০০

নেপাল–তিব্বতে ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধসে নিখোঁজ প্রায় ১৫০০

চুনারুঘাটে ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) পালন

চুনারুঘাটে ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) পালন

সালমান শাহ হত্যা মামলায় জজ আদালতেও ডনের জামিন নামঞ্জুর

সালমান শাহ হত্যা মামলায় জজ আদালতেও ডনের জামিন নামঞ্জুর

ভারতের পানি আগ্রাসন ঠেকাতে বাংলাদেশ আরও সজাগ থাকবে: পানিসম্পদমন্ত্রী

ভারতের পানি আগ্রাসন ঠেকাতে বাংলাদেশ আরও সজাগ থাকবে: পানিসম্পদমন্ত্রী

হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৯৮৬

হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৯৮৬

নারীদের স্বাবলম্বী করতে প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা জরুরি : এমপি ফয়সল

নারীদের স্বাবলম্বী করতে প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা জরুরি : এমপি ফয়সল

বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যুতে হুইপ গউছের শোক

বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যুতে হুইপ গউছের শোক

চুনারুঘাটে মাদক সেবনের দায়ে এক ব্যক্তিকে ৬ মাসের কারাদণ্ড

চুনারুঘাটে মাদক সেবনের দায়ে এক ব্যক্তিকে ৬ মাসের কারাদণ্ড

সালমান শাহ হত্যা মামলায় জজ আদালতেও ডনের জামিন নামঞ্জুর

সালমান শাহ হত্যা মামলায় জজ আদালতেও ডনের জামিন নামঞ্জুর

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় খলনায়ক আশরাফুল হক ডনের জামিন আবেদন আবারও প্রত্যাখ্যান করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ঢাকার ১১তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ নুরুল ইসলামের আদালত তার জামিন আবেদন খারিজ করেন। এদিন ডনের পক্ষে আইনজীবী তারিকুল ইসলাম জুয়েল জামিনের আবেদন করে শুনানি করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি নামঞ্জুর করেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী ফারুক দেওয়ান। এর আগে গত ১২ আগস্ট ঢাকার সিএমএম আদালতেও ডনের জামিন আবেদন বাতিল হয়েছিল। গত ৯ আগস্ট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন ডন। পরে তাকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং ওই দিনই আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। এদিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির ঢাকা মেট্রো দক্ষিণের পরিদর্শক মজিবুর রহমান ডনের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছেন। এ আবেদনের ওপর শুনানি বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। শুনানির সময় ডনকে আদালতে হাজির করা হবে। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইস্কাটনের বাসায় মারা যান জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহ। তার মৃত্যুর পর ঘটনাটিকে প্রথমে আত্মহত্যা হিসেবে উল্লেখ করা হলেও পরবর্তী সময়ে এটি হত্যাকাণ্ড হিসেবে তদন্ত ও মামলা পর্যন্ত গড়ায়। মামলাটিতে বিভিন্ন সময়ে একাধিক ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে। সর্বশেষ ২০২৫ সালের ২০ অক্টোবর সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তার ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম বাদী হয়ে রমনা থানায় সামিরা হকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার অন্য আসামিরা হলেন সামিরা হকের মা লতিফা হক লুসি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, আশরাফুল হক ডন, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, রুবী, আবদুস ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ওরফে ফরহাদ।

প্রতিদিনের বাংলাদেশ

রংপুরের ৪ খুনের ঘটনায় পুলিশ হেফাজতে সিদ্ধার্থ-মুগ্ধ

রংপুরে চাঞ্চল্যকর চার খুনের ঘটনায় গ্রেফতার হয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়া সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে আরো জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করা হবে। এর মাধ্যমে জনমনে ওঠা বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর বেরিয়ে আসবে বলে মনে করছে তদন্ত সংস্থাগুলো। বুধবার (২৬ আগস্ট) রিমান্ডে নেয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের ওসি জিন্নাত আলী বলেন, জব্দ করা আলামতগুলোর ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য আদালতের অনুমতি নিয়ে সিআইডির ল্যাবে পাঠানো হবে। তবে তার আগে আসামিদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান তারা। এরপর আরো কিছু বিষয় নিশ্চিত হয়ে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য আদালতে আবেদন করা হবে। স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়ার পরও কেন আবার রিমান্ডে নেয়া হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে তদন্ত কর্মকর্তা জিন্নাত আলী জানান, আরো জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনীয়তা তারা অনুভব করছেন। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে রিমান্ড চাওয়া হবে। কারণ আসামিদের অনেক বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। তিনি আরো জানান, আসামিদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদের পর জব্দ করা আলামতের ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য আদালতে আবেদন ও অনুমতি নিয়ে সেগুলো সিআইডির ল্যাবে পাঠানো হবে। এই উদ্যোগটি আগেই নেয়া উচিত ছিল বলে মনে করেন রংপুর মহানগর পুলিশের সাবেক কমিশনার মজিদ আলী। তিনি বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর ও বড় ঘটনা। তাই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির পাশাপাশি রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তদন্ত আরো নির্ভুল হবে। এতে ঘটনায় দুইজনের জড়িত থাকার পক্ষে আরো প্রমাণ পাওয়া যাবে। একইসাথে জনমনে তৈরি হওয়া বিশ্বাসের ঘাটতি এবং দুইজনের বাইরে আরো কেউ জড়িত কি না—সেই সংশয়ও দূর হবে। পুলিশের আরেকজন অবসরপ্রাপ্ত এসপি জানান, ঘটনায় কীভাবে দুইজন জড়িত—তা প্রমাণযোগ্যভাবে উপস্থাপন করা জরুরি। কীভাবে দুইজন চারজনকে হত্যা করল, সেটিও স্পষ্ট হওয়া দরকার। বিদ্যুতের লাইন কেন কাটা হয়েছিল, প্লাসটি কোথায়, ছাদে ইয়াবা সেবনের কোনো ডকুমেন্ট পাওয়া গেছে কি না—এসব বিষয়ও স্পষ্ট করা প্রয়োজন। তিনি আরো বলেন, সীমান্তের বাড়িতে ইয়াবা সেবন করা হয়ে থাকলে সীমান্ত কেন সাক্ষী হবেন, আসামি হবেন না—পুলিশকে সেটিও যুক্তি দিয়ে ব্যাখ্যা করতে হবে। ওই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, জনমনে প্রশ্ন উঠেছে, কীভাবে ছয় ঘণ্টার মধ্যে ঘটনার মোটিভ উদঘাটন হলো। তবে এটি সম্ভব। কারণ অনেক সময় ঘটনা উদঘাটনে দীর্ঘ সময় লাগে, আবার কিছু ক্ষেত্রে বড় ঘটনার মোটিভ দুই ঘণ্টার মধ্যেও উদঘাটন হয়েছে। তদন্ত সংস্থাগুলোর উচিত একটু সময় নিয়ে সবকিছু পরিষ্কার করা। তিনি বলেন, এত বড় একটি ঘটনা রংপুর মহানগর পুলিশ যেভাবে দ্রুততম সময়ে শনাক্ত করেছে, সে কারণে তারা সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য। এখন বিষয়টি শুধু গ্রহণযোগ্যভাবে আদালতে উপস্থাপন করা প্রয়োজন। পুলিশের ওই কর্মকর্তা আরো জানান, তদন্তে কোনো ফুলস্টপ দেয়া উচিত নয়। সব সন্দেহের বৈজ্ঞানিক ও যৌক্তিক প্রমাণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। উল্লেখ্য, শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভোরে রংপুর মহানগরীর মাছখোয়া পাড়ার তালাবদ্ধ নিজ বাড়িতে খুন হন রংপুর জিলা স্কুলের গণিতের শিক্ষক গণমতি চক্রবর্তী জুয়েল, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী বোলা, কারমাইকেল কলেজ থেকে ইংরেজিতে সদ্য মাস্টার্স করা তাদের কন্যা আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী এবং রংপুর জেলা স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছেলে আয়ুষ চক্রবর্তী প্রিয়ম। শনিবার (২২ আগস্ট) রাত ১১টার পর তাদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সোমবার (২৩ আগস্ট) সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস নামে দুইজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সেদিন রাতেই তারা রংপুর মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক রফিকুল ইসলামের কাছে হত্যার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। এছাড়াও মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) একই আদালতে স্বাক্ষী হিসেবে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধের বন্ধু সীমান্ত। সেই রাতে সীমান্তের ঘরে ইয়াবা সেবন করেছিল তারা। এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে আন্দোলন সংগ্রাম করছেন রংপুরের বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক এবং শিক্ষার্থীরা।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেবে জামায়াত

আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী। একক প্রার্থী দেওয়ার বিষয়টি রোববার জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দলগুলোর সমন্বয়ে গঠিত ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ বৈঠকে চূড়ান্ত করা হবে। শনিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। দলের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার রাতে বলা হয়, ‘বৈঠকে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।’ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পর সর্বসম্মতভাবে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এই লক্ষ্যে রোববার (৯ আগস্ট) ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে। এই বৈঠকেই বিরোধীদলের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে।’ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ছাড়াও বৈঠকে দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সংবিধান সংস্কার ইস্যু এবং ১১ দলীয় ঐক্য ঘোষিত চলমান রাজনৈতিক কর্মসূচিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

১২ আগস্ট ২০২৬, ১২:১৫ এএম
বর্তমান সরকার কি অসহনীয় লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসতে পারবে?

বর্তমান সরকার কি অসহনীয় লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসতে পারবে?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
লিংক কপি করা হয়েছে!

ঈদে আসছে নতুন টাকা, থাকছে না কোনো ব্যক্তির ছবি: গভর্নর

শনিবার (২৪ মে) সকালে পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনে দেশের প্রথম ক্রেডিট এনহ্যান্সমেন্ট স্কিম উদ্বোধন শেষে এ কথা বলেন তিনি।গভর্নর বলেন, ‘নতুন নোটে থাকবে দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনা। ঈদে বাজারে প্রথমে ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকার নতুন নোট আসবে।’টাঁকশাল থেকে জানা গেছে, ২০ টাকার নোট ছাপা প্রায় সম্পন্ন। আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এর পরে ৫০ ও ১০০০ টাকার নোট বাংলাদেশ ব্যাংককে বুঝিয়ে দেবে টাঁকশাল। এরপর কেন্দ্রীয় ব্যাংক সিদ্ধান্ত নেবে এই টাকা কবে বাজারে আসবে।টাঁকশাল জানিয়েছে, নতুন নকশার নোট ছাপাতে ১ থেকে দেড় বছর সময় লাগে। আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। গত ডিসেম্বরে নতুন নকশার নোট বাজারে আনার সিদ্ধান্ত নেয় এই সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় টাঁকশাল চলতি মাসে নতুন নকশার নোট ছাপানো শুরু করে।টাঁকশাল আরও জানায়, একসঙ্গে ৩টি নোটের বেশি ছাপানোর সক্ষমতা নেই টাঁকশালের। তাই প্রথম ধাপে ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকার নোট ছাপানো হচ্ছে।এদিকে গভর্নর জানিয়েছে, পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনা অন্তর্বর্তী সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার।তিনি বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রচারিত হওয়ায় তা ফেরত পাঠাতে চাপ তৈরি হয়েছে। পাচারকৃত অর্থ ফ্রিজ করায় অর্থ ফেরত আনার প্রথম ধাপ সম্পন্ন হয়েছে।’গভর্নর বলেন, ‘স্কিমের আওতায় পিকেএসএফ অংশীদার এমএফআই গুলোকে ২৪০ কোটি টাকার রিজার্ভ তহবিল ভিত্তিতে ব্যাংক ঋণ গ্যারান্টি দেবে। ঋণের গ্যারান্টি অনুযায়ী এককালীন ০.৫ শতাংশ কমিশন আদায় করা হবে। এর মাধ্যমে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ব্যাংক ঋণ পাওয়া সহজ হবে।’

নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...
সালমান শাহ হত্যা মামলায় জজ আদালতেও ডনের জামিন নামঞ্জুর

সালমান শাহ হত্যা মামলায় জজ আদালতেও ডনের জামিন নামঞ্জুর

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় খলনায়ক আশরাফুল হক ডনের জামিন আবেদন আবারও প্রত্যাখ্যান করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ঢাকার ১১তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ নুরুল ইসলামের আদালত তার জামিন আবেদন খারিজ করেন। এদিন ডনের পক্ষে আইনজীবী তারিকুল ইসলাম জুয়েল জামিনের আবেদন করে শুনানি করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি নামঞ্জুর করেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী ফারুক দেওয়ান। এর আগে গত ১২ আগস্ট ঢাকার সিএমএম আদালতেও ডনের জামিন আবেদন বাতিল হয়েছিল। গত ৯ আগস্ট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন ডন। পরে তাকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং ওই দিনই আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। এদিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির ঢাকা মেট্রো দক্ষিণের পরিদর্শক মজিবুর রহমান ডনের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছেন। এ আবেদনের ওপর শুনানি বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। শুনানির সময় ডনকে আদালতে হাজির করা হবে। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইস্কাটনের বাসায় মারা যান জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহ। তার মৃত্যুর পর ঘটনাটিকে প্রথমে আত্মহত্যা হিসেবে উল্লেখ করা হলেও পরবর্তী সময়ে এটি হত্যাকাণ্ড হিসেবে তদন্ত ও মামলা পর্যন্ত গড়ায়। মামলাটিতে বিভিন্ন সময়ে একাধিক ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে। সর্বশেষ ২০২৫ সালের ২০ অক্টোবর সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তার ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম বাদী হয়ে রমনা থানায় সামিরা হকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার অন্য আসামিরা হলেন সামিরা হকের মা লতিফা হক লুসি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, আশরাফুল হক ডন, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, রুবী, আবদুস ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ওরফে ফরহাদ।

কোন ভিডিও নেই !
কোন ভিডিও নেই !
যমুনা ফিউচার পার্কে ‘ঈদ বাজার’ উৎসব

যমুনা ফিউচার পার্কে ‘ঈদ বাজার’ উৎসব

পোশাক কেনার সঙ্গে ঘোরাঘুরি ক্রেতাদের আনন্দে যোগ করেছে নতুন মাত্রা। বন্ধু-বান্ধব নিয়ে যমুনায় আসছেন সব বয়সি মানুষ। মা-বাবার হাত ধরে আসছে পরিবারের ছোট সদস্যও। বাহারি ডিজাইনের পোশাকের সঙ্গে কিনছে রং-বেরংয়ের খেলনা। চড়ছে নানা রাইডে। দিনভর কেনাকাটা শেষে রসনা তৃপ্তিতে ফুডকোর্টে লোভনীয় মজাদার খাবারও রয়েছে। সবশেষে সিনেমা দেখে খুশি মনে সবাই ফিরছেন বাড়ি। সব মিলিয়ে যমুনা ফিউচার পার্কে কেনাকাটা করতে আসা সবাই ঈদের আগেই যেন ঈদ আনন্দ উপভোগ করছেন।শপিংমল কর্তৃপক্ষ জানায়, ঈদের কেনাকাটার সেরা গন্তব্য হিসাবে যমুনা ফিউচার পার্কে ১৫শর বেশি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড নিয়ে এবারের ‘ঈদ বাজার’ উৎসব সাজানো হয়েছে। যেখানে থাকছে ঐতিহ্যবাহী পোশাক, ডিজাইনার কালেকশন, ইলেকট্রনিক্স, এক্সেসরিজ, জুতা, পারফিউম, হোম ডেকরসহ আরও অনেক কিছু। ফ্যাশন, লাইফস্টাইল এবং টেক ক্যাটাগরিতে থাকছে বিশেষ ঈদ ছাড়, এক্সক্লুসিভ লঞ্চ এবং আকর্ষণীয় বান্ডেল অফার। এছাড়াও বিকাশ, নগদ মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস এবং ব্যাংক কার্ডে থাকছে বিশেষ ক্যাশব্যাক ও ইনস্ট্যান্ট ডিসকাউন্ট অফার। যা ঈদের কেনাকাটাকে করবে আরও সাশ্রয়ী ও আনন্দদায়ক।পছন্দের পণ্য কিনতে সর্ববৃহৎ শপিংমলে সকাল থেকেই সব শ্রেণির ক্রেতা ভিড় করছেন। এক শোরুম থেকে আরেক শোরুম ঘুরে কিনছেন হাল ফ্যাশনের বৈচিত্র্যময় পোশাক। পোশাক কেনা শেষ করে ক্রেতারা যাচ্ছেন জুতার শোরুমে। সেখান থেকে গহনার দোকানে। এছাড়া কসমেটিকস, ক্রোকারিজ, পারফিউমসহ সব ধরনের পণ্য থাকায় ঈদ ঘিরে জমজমাট যমুনা ফিউচার পার্ক। সঙ্গে মোবাইল ও ইলেকট্রনিক্সের শোরুমগুলোতেও ঈদ ঘিরে বিক্রি বেড়েছে। এতে খুশি বিক্রেতারা।শনিবার ইনফিনিটি, কে-ক্রাফট, অঞ্জনস, আড়ং, জিন্স অ্যান্ড কোম্পানি, টুয়েলভ, রেড, জেন্টল পার্ক, টিনস ক্লাব, প্লাস পয়েন্ট, কান্ট্রি বয়, রেঞ্জ, লা রিভ, আর্টিসান, টপ টেন পোশাকের ব্র্যান্ড ও শপগুলোতে প্রচুর ক্রেতা সমাগম লক্ষ্য করা গেছে।শপিংমলের বুটিক্স ল্যাবের স্বত্বাধিকারী সুমাইয়া আক্তার যুগান্তরকে বলেন, ক্রেতাদের আস্থার কথা চিন্তা করে গ্রাউন্ড ফ্লোরে আমাদের আরেকটি আউটলেট উদ্বোধন করা হয়েছে। যেখানে ঈদ বাজার উপলক্ষ্যে ৫ জুন পর্যন্ত সব ধরনের পোশাকে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ে পণ্য বিক্রি হবে। এছাড়া শনিবার প্রত্যেকটি পোশাকে ৩০০ টাকা করে ডিসকাউন্টে বিক্রি হচ্ছে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেবে জামায়াত

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেবে জামায়াত

আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী। একক প্রার্থী দেওয়ার বিষয়টি রোববার জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দলগুলোর সমন্বয়ে গঠিত ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ বৈঠকে চূড়ান্ত করা হবে। শনিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। দলের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার রাতে বলা হয়, ‘বৈঠকে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।’ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পর সর্বসম্মতভাবে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এই লক্ষ্যে রোববার (৯ আগস্ট) ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে। এই বৈঠকেই বিরোধীদলের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে।’ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ছাড়াও বৈঠকে দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সংবিধান সংস্কার ইস্যু এবং ১১ দলীয় ঐক্য ঘোষিত চলমান রাজনৈতিক কর্মসূচিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান ইনকিলাব মঞ্চের

জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান ইনকিলাব মঞ্চের

শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে দেশের চলমান সংকট মোকাবিলায় জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক দল নিয়ে জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়ে শরিফ ওসমান হাদি বলেন, বিএনপি অসহযোগিতা করলে তাদের জাতির কাছে জবাবদিহি করতে হবে। জামায়াত অসহযোগিতা করলে জবাবদিহি করতে হবে তাদেরও। এই সরকারের মেয়াদ হবে ১০ মাস থেকে এক বছর। যদি জাতীয় সরকার না করতে পারেন তাহলে জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল গড়ে তোলেন। জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল প্রধান হবেন ড. ইউনূস। সব রাজনৈতিক দল থেকে সেখানে প্রতিনিধি থাকবে সদস্য হিসাবে। তাদের সাংবিধানিক মর্যাদা হবে ক্যাবিনেট মন্ত্রী পরিষদের মতো। তারা মন্ত্রী হবেন না, উপদেষ্টা হবেন না কিন্তু ওয়াচডগ হিসাবে কাজ করবেন।জুলাই ঘোষণাপত্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত জুলাই ঘোষণাপত্রের কার্যক্রম না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে কোনো লাভ নেই। যদি জুলাই ঘোষণাপত্র না আসে, যারা জুলাইয়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন দিল্লির সঙ্গে মিলে আওয়ামী লীগ তাদের কচুকাটা করবে। জুলাই ঘোষণাপত্র সাংবিধানিক স্বীকৃতি পেলেই আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ হবে।

সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছে এনসিপি

সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছে এনসিপি

দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত

সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছে এনসিপি

সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছে এনসিপি

দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত

সালমান শাহ হত্যা মামলায় জজ আদালতেও ডনের জামিন নামঞ্জুর

সালমান শাহ হত্যা মামলায় জজ আদালতেও ডনের জামিন নামঞ্জুর

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় খলনায়ক আশরাফুল হক ডনের জামিন আবেদন আবারও প্রত্যাখ্যান করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ঢাকার ১১তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ নুরুল ইসলামের আদালত তার জামিন আবেদন খারিজ করেন। এদিন ডনের পক্ষে আইনজীবী তারিকুল ইসলাম জুয়েল জামিনের আবেদন করে শুনানি করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি নামঞ্জুর করেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী ফারুক দেওয়ান। এর আগে গত ১২ আগস্ট ঢাকার সিএমএম আদালতেও ডনের জামিন আবেদন বাতিল হয়েছিল। গত ৯ আগস্ট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন ডন। পরে তাকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং ওই দিনই আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। এদিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির ঢাকা মেট্রো দক্ষিণের পরিদর্শক মজিবুর রহমান ডনের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছেন। এ আবেদনের ওপর শুনানি বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। শুনানির সময় ডনকে আদালতে হাজির করা হবে। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইস্কাটনের বাসায় মারা যান জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহ। তার মৃত্যুর পর ঘটনাটিকে প্রথমে আত্মহত্যা হিসেবে উল্লেখ করা হলেও পরবর্তী সময়ে এটি হত্যাকাণ্ড হিসেবে তদন্ত ও মামলা পর্যন্ত গড়ায়। মামলাটিতে বিভিন্ন সময়ে একাধিক ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে। সর্বশেষ ২০২৫ সালের ২০ অক্টোবর সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তার ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম বাদী হয়ে রমনা থানায় সামিরা হকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার অন্য আসামিরা হলেন সামিরা হকের মা লতিফা হক লুসি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, আশরাফুল হক ডন, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, রুবী, আবদুস ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ওরফে ফরহাদ।

আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...
সালমান শাহ হত্যা মামলায় জজ আদালতেও ডনের জামিন নামঞ্জুর

সালমান শাহ হত্যা মামলায় জজ আদালতেও ডনের জামিন নামঞ্জুর

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় খলনায়ক আশরাফুল হক ডনের জামিন আবেদন আবারও প্রত্যাখ্যান করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ঢাকার ১১তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ নুরুল ইসলামের আদালত তার জামিন আবেদন খারিজ করেন। এদিন ডনের পক্ষে আইনজীবী তারিকুল ইসলাম জুয়েল জামিনের আবেদন করে শুনানি করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি নামঞ্জুর করেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী ফারুক দেওয়ান। এর আগে গত ১২ আগস্ট ঢাকার সিএমএম আদালতেও ডনের জামিন আবেদন বাতিল হয়েছিল। গত ৯ আগস্ট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন ডন। পরে তাকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং ওই দিনই আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। এদিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির ঢাকা মেট্রো দক্ষিণের পরিদর্শক মজিবুর রহমান ডনের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছেন। এ আবেদনের ওপর শুনানি বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। শুনানির সময় ডনকে আদালতে হাজির করা হবে। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইস্কাটনের বাসায় মারা যান জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহ। তার মৃত্যুর পর ঘটনাটিকে প্রথমে আত্মহত্যা হিসেবে উল্লেখ করা হলেও পরবর্তী সময়ে এটি হত্যাকাণ্ড হিসেবে তদন্ত ও মামলা পর্যন্ত গড়ায়। মামলাটিতে বিভিন্ন সময়ে একাধিক ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে। সর্বশেষ ২০২৫ সালের ২০ অক্টোবর সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তার ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম বাদী হয়ে রমনা থানায় সামিরা হকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার অন্য আসামিরা হলেন সামিরা হকের মা লতিফা হক লুসি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, আশরাফুল হক ডন, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, রুবী, আবদুস ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ওরফে ফরহাদ।

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

চোখের স্ট্রোকের জন্য কি হাইপারটেনশন দায়ী?চোখের চিকিৎসক ডা. সুমন মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘হাইপারটেনশনের কারণে চোখের একাধিক ক্ষতি হতে পারে।’ উচ্চ রক্তচাপে চোখের রেটিনার শিরায় ব্লকেজ তৈরি হয়। এর ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এই অবস্থাকে ‘সেন্টাল রেটিনাল ভেইন অকুলেশন’ বলা হয়। এটি শিরার পাশাপাশি ধমনীতেও হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডা. মুখোপাধ্যায়। আসলে চলতি ভাষায় এই অবস্থাকেই চোখের স্ট্রোক বলা হয়।সিআরভিও-এ কি দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন?সিআরভিও-এর একাধিক উপসর্গ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কমন হলো- হঠাৎ করে একটা চোখের দৃষ্টি কমে যাওয়া। এছাড়া চোখে রক্তপাত হলে চোখের ভিতর কালো ঝুলের মতো অংশ দেখা যায়।‘সিআরভিও-এর চিকিৎসা হলো ইনজেকশন বা রেটিনাল লেজার’ বলেন ডা. মুখোপাধ্যায়। সিআরভিও হলে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, ঝাপসা দৃষ্টি এবং দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কতটা ক্ষতিকর?ডা. মুখোপাধ্যায়ের সংযোজন, ‘প্রেশার খুব বেশি থাকলে চোখের ভিতর যে অপটিক নার্ভ থাকে, তারও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।’ এই অবস্থায় চোখে রক্তপাতও হতে পারে। একে চিকিৎসার ভাষায় হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি বলা হয়।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কি গর্ভবতীদেরও হয়?হাইপারটেনশনে ভয় রয়েছে অন্তঃসত্ত্বা নারীদেরও। অনেক সময় গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের ব্লাড প্রেশার অত্যধিক বেড়ে যায়। যাকে বলে প্রেগন্যান্সি হাইপারটেনশন বা ‘একলাম্পসিয়া’। এই অবস্থা তৈরি হলে মস্তিষ্কে রক্তপাত হয়। এই পর্যায়ে পৌঁছনোর ঠিক আগে চোখের উপর প্রভাব পড়ে। দৃষ্টিশক্তি কমে আসে। এই লক্ষণ দেখে বোঝা যায় যে, ‘একলাম্পসিয়া’ খারাপ দিকে এগোচ্ছে ‘অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার কন্ট্রোলে রাখা দরকার কেন?এছাড়া অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার বারবার যাচাই করা দরকার। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ থাকা অবস্থায় অস্ত্রোপচার করলে চোখে রক্তপাত হতে পারে এবং চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।