জনমত ২৪
সর্বশেষ

চুনারুঘাটে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক ড. সরফরাজ

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসুরক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ফার্স্ট এইড (প্রাথমিক চিকিৎসা) বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করেন— হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. জি. এম. সরফরাজ। চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গালিব চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন— চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. সাঈদ ইমরান, অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পঙ্কজ নাহাসহ শিক্ষকরা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক বশির আহমেদ।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক চিকিৎসার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা বলেন, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নানা ধরনের দুর্ঘটনা বা আকস্মিক অসুস্থতার ঘটনায় দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া গেলে বড় ধরনের বিপদ এড়ানো সম্ভব।প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক ড. জি. এম. সরফরাজ বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেকোনো আকস্মিক দুর্ঘটনা বা অসুস্থতার ক্ষেত্রে প্রাথমিক চিকিৎসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা দিতে পারলে অনেক বড় বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব। তাই প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের ফার্স্ট এইড বিষয়ে ব্যবহারিক জ্ঞান থাকা জরুরি।চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গালিব চৌধুরী বলেন, চুনারুঘাট উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় দক্ষ করে তুলতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে।প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। এ সময় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা শিক্ষার্থীদের ফার্স্ট এইড কিটের ব্যবহার, জরুরি মুহূর্তে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ, রক্তপাত বন্ধ করা, ব্যান্ডেজ বাঁধা এবং প্রাথমিক জীবনরক্ষাকারী বিভিন্ন কৌশল হাতে-কলমে শেখান।প্রশিক্ষণ শেষে বিদ্যালয়ের জন্য একটি ফার্স্ট এইড বক্স ও জরুরি চিকিৎসাসামগ্রী হস্তান্তর করা হয়।অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

চুনারুঘাটে প্যানেল চেয়ারম্যান ও তাঁতীলীগ সভাপতি জামাল মিয়া গ্রেপ্তার

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে মিরাশী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনতাঁতীলীগের সভাপতি মো. জামাল মিয়াকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে উপজেলার মিরাশী ইউনিয়নের নালমুখ বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চুনারুঘাট থানার একটি অভিযানিক দল নালমুখ বাজার এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় জামাল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় ইউনিয়ন প্যানেল চেয়ারম্যান মো. জামাল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে চুনারুঘাট থানায় একাধিক মামলাও রয়েছে।ওসি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তার স্বার্থে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

চুনারুঘাটে প্যানেল চেয়ারম্যান ও তাঁতীলীগ সভাপতি জামাল মিয়া গ্রেপ্তার

পানি সংকটে সাতছড়ির বন্যপ্রাণী / জলাধার পুনঃখননের তাগিদ দিলেন চীফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে বন্যপ্রাণীর পানির সংকট নিরসনে জরুরি ভিত্তিতে জলাধার ও পুকুর পুনঃখননের তাগিদ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চীফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম। বন বিভাগ চাইলে বন্যপ্রাণীর জন্য পুকুর খনন ও পানির সুব্যবস্থায় নিজস্ব অর্থায়নে সহযোগিতা করার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিমকে সঙ্গে নিয়ে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান পরিদর্শনে যান চীফ প্রসিকিউটর। এ সময় সাতছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা মোবারক হোসেনসহ বন বিভাগের কর্মকর্তারা তাঁর সঙ্গে ছিলেন।পরিদর্শনকালে বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, সাম্প্রতিক ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসের কারণে জাতীয় উদ্যানের ভেতরের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জলাধারে পলি ও বালু জমে ভরাট হয়ে গেছে। বিশেষ করে ‘বড় পুকুর’সহ প্রধান জলাধারগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় আসন্ন শুষ্ক মৌসুমে বন্যপ্রাণীর পানির সংকট তীব্র হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।বন বিভাগ ও স্থানীয় পরিবেশবাদীদের তথ্যমতে, সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের তিনটি প্রধান জলাধারের মধ্যে দুটি পাহাড়ি বালু ও পলিতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে একটি প্রায় সম্পূর্ণ শুকিয়ে গেছে এবং অন্যটি দ্রুত ভরাট হয়ে যাচ্ছে।সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, বনের ভেতরে পানির উৎসগুলো নষ্ট হয়ে গেলে উল্লুক, চশমাধারী হনুমান, হরিণ ও মেছোবাঘসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণী পানির সন্ধানে লোকালয়ে চলে আসতে পারে। এতে বন্যপ্রাণীর জীবন যেমন ঝুঁকির মুখে পড়বে, তেমনি মানুষ ও বন্যপ্রাণীর সংঘাতও বাড়তে পারে।এ ছাড়া জলাধারগুলো সাতছড়ি বনের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এসব জলাশয় বনের আর্দ্রতা বা মাইক্রোক্লাইমেট ধরে রাখার পাশাপাশি ব্যাঙ, কীটপতঙ্গসহ বিভিন্ন জলজ ও স্থলজ প্রাণীর আবাসস্থল হিসেবেও কাজ করে।পরিদর্শন শেষে চীফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম ক্ষতিগ্রস্ত জলাধারগুলো দ্রুত পুনঃখনন ও সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি পুকুরগুলোর গভীরতা বাড়ানো, পাড় মজবুত করা এবং শুষ্ক মৌসুমে পানির স্থায়ী ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পরামর্শ দেন।প্রয়োজনে গভীর নলকূপ স্থাপন কিংবা টেকসই কৃত্রিম জলাধার তৈরির কথাও বলেন তিনি। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে পাহাড়ি ঢল ও বালুর স্রোতে জলাধার ভরাট ঠেকাতে কারিগরি পরামর্শ অনুযায়ী গাইড ওয়াল পুনর্নির্মাণ, রাবার ড্যাম বা গাইড ব্লক স্থাপনের ওপর গুরুত্ব দেন।আসন্ন শুষ্ক মৌসুম শুরুর আগেই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জলাধারগুলোর খনন ও সংস্কারকাজ শেষ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান চীফ প্রসিকিউটর। তিনি বলেন, সাতছড়ির জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বন্যপ্রাণীর নিরাপদ পানির উৎস নিশ্চিত করা জরুরি। বন বিভাগ চাইলে বন্যপ্রাণীর জন্য পুকুর খনন ও পানির সুব্যবস্থা নিজস্ব অর্থায়নে করব। এছাড়াও সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের উন্নয়ন কর্মাকাণ্ডে সংশ্লিষ্টদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। 

জলাধার পুনঃখননের তাগিদ দিলেন চীফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম
চুনারুঘাটে মাদকসেবীর ৬ মাসের কারাদণ্ড

চুনারুঘাটে মাদকসেবীর ৬ মাসের কারাদণ্ড

চুনারুঘাটে ধানের জমিতে মিলল যুবকের মরদেহ

চুনারুঘাটে ধানের জমিতে মিলল যুবকের মরদেহ

চামড়া সংরক্ষণে  বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার

চামড়া সংরক্ষণে বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার

চুনারুঘাটে আ'লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান মানিক সরকার গ্রেফতার

চুনারুঘাটে আ'লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান মানিক সরকার গ্রেফতার

চুনারুঘাটে রায়হানিয়া মাদ্রাসায় ফলাফলে চরম বিপর্যয়, পাস মাত্র ৪জন

চুনারুঘাটে রায়হানিয়া মাদ্রাসায় ফলাফলে চরম বিপর্যয়, পাস মাত্র ৪জন

মাধবপুরে ফ্যামিলি কার্ডের শুমারি থেকে ৪ তথ্য সংগ্রহকারীর নিয়োগ বাতিল

মাধবপুরে ফ্যামিলি কার্ডের শুমারি থেকে ৪ তথ্য সংগ্রহকারীর নিয়োগ বাতিল

রানীগাঁও বাজারে পূবালী ব্যাংকের ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং বুথ উদ্বোধন

রানীগাঁও বাজারে পূবালী ব্যাংকের ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং বুথ উদ্বোধন

বিক্ষোভের প্রস্তুতিকালে হবিগঞ্জের বৈছাআ নেতা মাহদীসহ আটক ৩

বিক্ষোভের প্রস্তুতিকালে হবিগঞ্জের বৈছাআ নেতা মাহদীসহ আটক ৩

হবিগঞ্জে শাশুড়ি হত্যা মামলায় জামাতার যাবজ্জীবন

হবিগঞ্জে শাশুড়ি হত্যা মামলায় জামাতার যাবজ্জীবন

চুনারুঘাটে মাদক সেবন করে মাকে মারধর, এক যুবককে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিলেন ইউএনও

চুনারুঘাটে মাদক সেবন করে মাকে মারধর, এক যুবককে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিলেন ইউএনও

চুনারুঘাটে দক্ষিণা চরণ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও বৃক্ষরোপণ

চুনারুঘাটে দক্ষিণা চরণ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও বৃক্ষরোপণ

সংঘাত-প্রতিশোধের রাজনীতি ভুলে সমঝোতার আহ্বান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের

সংঘাত-প্রতিশোধের রাজনীতি ভুলে সমঝোতার আহ্বান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের

প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি স্থগিত

প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি স্থগিত

লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে সিভিল সার্জন রত্নদ্বীপ বিশ্বাস

লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে সিভিল সার্জন রত্নদ্বীপ বিশ্বাস

চানপুর চা-বাগানে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক

চানপুর চা-বাগানে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক

চুনারুঘাটে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক ড. সরফরাজ

চুনারুঘাটে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক ড. সরফরাজ

চুনারুঘাটে প্যানেল চেয়ারম্যান ও তাঁতীলীগ সভাপতি জামাল মিয়া গ্রেপ্তার

চুনারুঘাটে প্যানেল চেয়ারম্যান ও তাঁতীলীগ সভাপতি জামাল মিয়া গ্রেপ্তার

চুনারুঘাটে প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণের মামলায় কাউসার গ্রেপ্তার

চুনারুঘাটে প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণের মামলায় কাউসার গ্রেপ্তার

জলাধার পুনঃখননের তাগিদ দিলেন চীফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম

জলাধার পুনঃখননের তাগিদ দিলেন চীফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম

চুনারুঘাটে মসজিদ নির্মাণে ২০০১ ব্যাচ শিক্ষার্থীদের অনুদান

চুনারুঘাটে মসজিদ নির্মাণে ২০০১ ব্যাচ শিক্ষার্থীদের অনুদান

সংঘাত-প্রতিশোধের রাজনীতি ভুলে সমঝোতার আহ্বান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের

সংঘাত-প্রতিশোধের রাজনীতি ভুলে সমঝোতার আহ্বান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের

‘আপনারা প্রশ্ন করতে পারেন, তবে আমি এখন পলিটিক্যাল প্রশ্নের উত্তর দেব না।’ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সংঘাত ও প্রতিশোধের রাজনীতি পরিহার করে সমঝোতা, গণতন্ত্র ও সহনশীলতার রাজনীতির আহ্বান জানান তিনি। আজ সোমবার বেলা ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের ভাতারমার ইক্ষু খামার এলাকায় একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপতি। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ঠাকুরগাঁওবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল জেলায় জাতীয় পর্যায়ের একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের ফলে সেই প্রত্যাশা পূরণের পথে আজকের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আজকের এই আনন্দময় মুহূর্তে আমি পরম করুণাময় মহান আল্লাহ তাআলার কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। তাঁর অশেষ রহমতে ঠাকুরগাঁওয়ের জনগণের দীর্ঘদিনের আশা পূরণ হতে যাচ্ছে।’ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, অল্প সময়ের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বিশ্ববিদ্যালয়টির অনুমোদন পাওয়া গেছে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জায়গাও পাওয়া গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নির্ধারিত জায়গাটি শিল্প মন্ত্রণালয় ও ঠাকুরগাঁও সুগার মিল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি। এ জন্য সুগার মিল কর্তৃপক্ষ, ব্যবস্থাপক ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ধন্যবাদ জানান রাষ্ট্রপতি। বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের প্রশংসা করে মির্জা ফখরুল বলেন, তাঁরা অল্প সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করেছেন। দ্রুত বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা ও অবকাঠামোর নকশা তৈরি করে নির্মাণকাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। রাষ্ট্রপতি বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ঠাকুরগাঁওয়ে উচ্চশিক্ষার প্রসার ঘটবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের উন্নয়নে অবদান রাখার সুযোগ তৈরি হবে। এলাকার মানুষকে এই সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানান তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়টি উন্নত ও মানসম্মতভাবে গড়ে তুলতে উপাচার্য ও সিন্ডিকেট সদস্যদের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেন রাষ্ট্রপতি। তাঁদের দক্ষ পরিচালনায় বিশ্ববিদ্যালয়টি দ্রুত এগিয়ে যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. ইসরাফিল শাহীন, ত্রাণ ও দুর্যোগমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য, প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মির্জা ফখরুল। রাজনৈতিক বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘আপনারা যদি প্রশ্ন করেন, করতে পারেন। তবে আমি এখন পলিটিক্যাল প্রশ্নের উত্তর দেব না।’ পরে দেশের রাজনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি গতকালই সেই আহ্বান জানিয়েছি। আমরা সংঘাত এবং প্রতিশোধের এই ধরনের রাজনীতি দেখতে চাই না। অনেক হয়েছে। এখন একটা সমঝোতার রাজনীতি, গণতন্ত্রের রাজনীতি, সহনশীলতার রাজনীতি—গোটা দেশের মানুষের এটাই চাওয়া।’

প্রতিদিনের বাংলাদেশ

চুনারুঘাটে দক্ষিণা চরণ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও বৃক্ষরোপণ

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ও সুনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দক্ষিণা চরণ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা, বৃক্ষরোপণসহ বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. জি. এম. সরফরাজ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার গালিব চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন, অত্র বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র নাজিম উদ্দিন সামছু, গাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী প্রমুখ।এ সময় সাবেক কাউন্সিলর জালাল তালুকদারসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়নের লক্ষ্যে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়। বক্তারা শিক্ষার্থীদের মেধা ও মনন বিকাশে সহশিক্ষা কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং পরিবেশ রক্ষায় বেশি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেবে জামায়াত

আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী। একক প্রার্থী দেওয়ার বিষয়টি রোববার জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দলগুলোর সমন্বয়ে গঠিত ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ বৈঠকে চূড়ান্ত করা হবে। শনিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। দলের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার রাতে বলা হয়, ‘বৈঠকে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।’ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পর সর্বসম্মতভাবে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এই লক্ষ্যে রোববার (৯ আগস্ট) ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে। এই বৈঠকেই বিরোধীদলের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে।’ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ছাড়াও বৈঠকে দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সংবিধান সংস্কার ইস্যু এবং ১১ দলীয় ঐক্য ঘোষিত চলমান রাজনৈতিক কর্মসূচিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

১২ আগস্ট ২০২৬, ১২:১৫ এএম
বর্তমান সরকার কি অসহনীয় লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসতে পারবে?

বর্তমান সরকার কি অসহনীয় লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসতে পারবে?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
লিংক কপি করা হয়েছে!

ঈদে আসছে নতুন টাকা, থাকছে না কোনো ব্যক্তির ছবি: গভর্নর

শনিবার (২৪ মে) সকালে পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনে দেশের প্রথম ক্রেডিট এনহ্যান্সমেন্ট স্কিম উদ্বোধন শেষে এ কথা বলেন তিনি।গভর্নর বলেন, ‘নতুন নোটে থাকবে দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনা। ঈদে বাজারে প্রথমে ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকার নতুন নোট আসবে।’টাঁকশাল থেকে জানা গেছে, ২০ টাকার নোট ছাপা প্রায় সম্পন্ন। আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এর পরে ৫০ ও ১০০০ টাকার নোট বাংলাদেশ ব্যাংককে বুঝিয়ে দেবে টাঁকশাল। এরপর কেন্দ্রীয় ব্যাংক সিদ্ধান্ত নেবে এই টাকা কবে বাজারে আসবে।টাঁকশাল জানিয়েছে, নতুন নকশার নোট ছাপাতে ১ থেকে দেড় বছর সময় লাগে। আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। গত ডিসেম্বরে নতুন নকশার নোট বাজারে আনার সিদ্ধান্ত নেয় এই সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় টাঁকশাল চলতি মাসে নতুন নকশার নোট ছাপানো শুরু করে।টাঁকশাল আরও জানায়, একসঙ্গে ৩টি নোটের বেশি ছাপানোর সক্ষমতা নেই টাঁকশালের। তাই প্রথম ধাপে ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকার নোট ছাপানো হচ্ছে।এদিকে গভর্নর জানিয়েছে, পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনা অন্তর্বর্তী সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার।তিনি বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রচারিত হওয়ায় তা ফেরত পাঠাতে চাপ তৈরি হয়েছে। পাচারকৃত অর্থ ফ্রিজ করায় অর্থ ফেরত আনার প্রথম ধাপ সম্পন্ন হয়েছে।’গভর্নর বলেন, ‘স্কিমের আওতায় পিকেএসএফ অংশীদার এমএফআই গুলোকে ২৪০ কোটি টাকার রিজার্ভ তহবিল ভিত্তিতে ব্যাংক ঋণ গ্যারান্টি দেবে। ঋণের গ্যারান্টি অনুযায়ী এককালীন ০.৫ শতাংশ কমিশন আদায় করা হবে। এর মাধ্যমে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ব্যাংক ঋণ পাওয়া সহজ হবে।’

নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...
সংঘাত-প্রতিশোধের রাজনীতি ভুলে সমঝোতার আহ্বান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের

সংঘাত-প্রতিশোধের রাজনীতি ভুলে সমঝোতার আহ্বান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের

‘আপনারা প্রশ্ন করতে পারেন, তবে আমি এখন পলিটিক্যাল প্রশ্নের উত্তর দেব না।’ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সংঘাত ও প্রতিশোধের রাজনীতি পরিহার করে সমঝোতা, গণতন্ত্র ও সহনশীলতার রাজনীতির আহ্বান জানান তিনি। আজ সোমবার বেলা ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের ভাতারমার ইক্ষু খামার এলাকায় একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপতি। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ঠাকুরগাঁওবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল জেলায় জাতীয় পর্যায়ের একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের ফলে সেই প্রত্যাশা পূরণের পথে আজকের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আজকের এই আনন্দময় মুহূর্তে আমি পরম করুণাময় মহান আল্লাহ তাআলার কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। তাঁর অশেষ রহমতে ঠাকুরগাঁওয়ের জনগণের দীর্ঘদিনের আশা পূরণ হতে যাচ্ছে।’ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, অল্প সময়ের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বিশ্ববিদ্যালয়টির অনুমোদন পাওয়া গেছে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জায়গাও পাওয়া গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নির্ধারিত জায়গাটি শিল্প মন্ত্রণালয় ও ঠাকুরগাঁও সুগার মিল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি। এ জন্য সুগার মিল কর্তৃপক্ষ, ব্যবস্থাপক ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ধন্যবাদ জানান রাষ্ট্রপতি। বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের প্রশংসা করে মির্জা ফখরুল বলেন, তাঁরা অল্প সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করেছেন। দ্রুত বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা ও অবকাঠামোর নকশা তৈরি করে নির্মাণকাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। রাষ্ট্রপতি বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ঠাকুরগাঁওয়ে উচ্চশিক্ষার প্রসার ঘটবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের উন্নয়নে অবদান রাখার সুযোগ তৈরি হবে। এলাকার মানুষকে এই সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানান তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়টি উন্নত ও মানসম্মতভাবে গড়ে তুলতে উপাচার্য ও সিন্ডিকেট সদস্যদের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেন রাষ্ট্রপতি। তাঁদের দক্ষ পরিচালনায় বিশ্ববিদ্যালয়টি দ্রুত এগিয়ে যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. ইসরাফিল শাহীন, ত্রাণ ও দুর্যোগমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য, প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মির্জা ফখরুল। রাজনৈতিক বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘আপনারা যদি প্রশ্ন করেন, করতে পারেন। তবে আমি এখন পলিটিক্যাল প্রশ্নের উত্তর দেব না।’ পরে দেশের রাজনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি গতকালই সেই আহ্বান জানিয়েছি। আমরা সংঘাত এবং প্রতিশোধের এই ধরনের রাজনীতি দেখতে চাই না। অনেক হয়েছে। এখন একটা সমঝোতার রাজনীতি, গণতন্ত্রের রাজনীতি, সহনশীলতার রাজনীতি—গোটা দেশের মানুষের এটাই চাওয়া।’

কোন ভিডিও নেই !
কোন ভিডিও নেই !
যমুনা ফিউচার পার্কে ‘ঈদ বাজার’ উৎসব

যমুনা ফিউচার পার্কে ‘ঈদ বাজার’ উৎসব

পোশাক কেনার সঙ্গে ঘোরাঘুরি ক্রেতাদের আনন্দে যোগ করেছে নতুন মাত্রা। বন্ধু-বান্ধব নিয়ে যমুনায় আসছেন সব বয়সি মানুষ। মা-বাবার হাত ধরে আসছে পরিবারের ছোট সদস্যও। বাহারি ডিজাইনের পোশাকের সঙ্গে কিনছে রং-বেরংয়ের খেলনা। চড়ছে নানা রাইডে। দিনভর কেনাকাটা শেষে রসনা তৃপ্তিতে ফুডকোর্টে লোভনীয় মজাদার খাবারও রয়েছে। সবশেষে সিনেমা দেখে খুশি মনে সবাই ফিরছেন বাড়ি। সব মিলিয়ে যমুনা ফিউচার পার্কে কেনাকাটা করতে আসা সবাই ঈদের আগেই যেন ঈদ আনন্দ উপভোগ করছেন।শপিংমল কর্তৃপক্ষ জানায়, ঈদের কেনাকাটার সেরা গন্তব্য হিসাবে যমুনা ফিউচার পার্কে ১৫শর বেশি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড নিয়ে এবারের ‘ঈদ বাজার’ উৎসব সাজানো হয়েছে। যেখানে থাকছে ঐতিহ্যবাহী পোশাক, ডিজাইনার কালেকশন, ইলেকট্রনিক্স, এক্সেসরিজ, জুতা, পারফিউম, হোম ডেকরসহ আরও অনেক কিছু। ফ্যাশন, লাইফস্টাইল এবং টেক ক্যাটাগরিতে থাকছে বিশেষ ঈদ ছাড়, এক্সক্লুসিভ লঞ্চ এবং আকর্ষণীয় বান্ডেল অফার। এছাড়াও বিকাশ, নগদ মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস এবং ব্যাংক কার্ডে থাকছে বিশেষ ক্যাশব্যাক ও ইনস্ট্যান্ট ডিসকাউন্ট অফার। যা ঈদের কেনাকাটাকে করবে আরও সাশ্রয়ী ও আনন্দদায়ক।পছন্দের পণ্য কিনতে সর্ববৃহৎ শপিংমলে সকাল থেকেই সব শ্রেণির ক্রেতা ভিড় করছেন। এক শোরুম থেকে আরেক শোরুম ঘুরে কিনছেন হাল ফ্যাশনের বৈচিত্র্যময় পোশাক। পোশাক কেনা শেষ করে ক্রেতারা যাচ্ছেন জুতার শোরুমে। সেখান থেকে গহনার দোকানে। এছাড়া কসমেটিকস, ক্রোকারিজ, পারফিউমসহ সব ধরনের পণ্য থাকায় ঈদ ঘিরে জমজমাট যমুনা ফিউচার পার্ক। সঙ্গে মোবাইল ও ইলেকট্রনিক্সের শোরুমগুলোতেও ঈদ ঘিরে বিক্রি বেড়েছে। এতে খুশি বিক্রেতারা।শনিবার ইনফিনিটি, কে-ক্রাফট, অঞ্জনস, আড়ং, জিন্স অ্যান্ড কোম্পানি, টুয়েলভ, রেড, জেন্টল পার্ক, টিনস ক্লাব, প্লাস পয়েন্ট, কান্ট্রি বয়, রেঞ্জ, লা রিভ, আর্টিসান, টপ টেন পোশাকের ব্র্যান্ড ও শপগুলোতে প্রচুর ক্রেতা সমাগম লক্ষ্য করা গেছে।শপিংমলের বুটিক্স ল্যাবের স্বত্বাধিকারী সুমাইয়া আক্তার যুগান্তরকে বলেন, ক্রেতাদের আস্থার কথা চিন্তা করে গ্রাউন্ড ফ্লোরে আমাদের আরেকটি আউটলেট উদ্বোধন করা হয়েছে। যেখানে ঈদ বাজার উপলক্ষ্যে ৫ জুন পর্যন্ত সব ধরনের পোশাকে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ে পণ্য বিক্রি হবে। এছাড়া শনিবার প্রত্যেকটি পোশাকে ৩০০ টাকা করে ডিসকাউন্টে বিক্রি হচ্ছে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেবে জামায়াত

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেবে জামায়াত

আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী। একক প্রার্থী দেওয়ার বিষয়টি রোববার জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দলগুলোর সমন্বয়ে গঠিত ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ বৈঠকে চূড়ান্ত করা হবে। শনিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। দলের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার রাতে বলা হয়, ‘বৈঠকে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।’ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পর সর্বসম্মতভাবে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এই লক্ষ্যে রোববার (৯ আগস্ট) ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে। এই বৈঠকেই বিরোধীদলের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে।’ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ছাড়াও বৈঠকে দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সংবিধান সংস্কার ইস্যু এবং ১১ দলীয় ঐক্য ঘোষিত চলমান রাজনৈতিক কর্মসূচিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান ইনকিলাব মঞ্চের

জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান ইনকিলাব মঞ্চের

শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে দেশের চলমান সংকট মোকাবিলায় জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক দল নিয়ে জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়ে শরিফ ওসমান হাদি বলেন, বিএনপি অসহযোগিতা করলে তাদের জাতির কাছে জবাবদিহি করতে হবে। জামায়াত অসহযোগিতা করলে জবাবদিহি করতে হবে তাদেরও। এই সরকারের মেয়াদ হবে ১০ মাস থেকে এক বছর। যদি জাতীয় সরকার না করতে পারেন তাহলে জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল গড়ে তোলেন। জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল প্রধান হবেন ড. ইউনূস। সব রাজনৈতিক দল থেকে সেখানে প্রতিনিধি থাকবে সদস্য হিসাবে। তাদের সাংবিধানিক মর্যাদা হবে ক্যাবিনেট মন্ত্রী পরিষদের মতো। তারা মন্ত্রী হবেন না, উপদেষ্টা হবেন না কিন্তু ওয়াচডগ হিসাবে কাজ করবেন।জুলাই ঘোষণাপত্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত জুলাই ঘোষণাপত্রের কার্যক্রম না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে কোনো লাভ নেই। যদি জুলাই ঘোষণাপত্র না আসে, যারা জুলাইয়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন দিল্লির সঙ্গে মিলে আওয়ামী লীগ তাদের কচুকাটা করবে। জুলাই ঘোষণাপত্র সাংবিধানিক স্বীকৃতি পেলেই আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ হবে।

সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছে এনসিপি

সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছে এনসিপি

দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত

সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছে এনসিপি

সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছে এনসিপি

দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত

সংঘাত-প্রতিশোধের রাজনীতি ভুলে সমঝোতার আহ্বান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের

সংঘাত-প্রতিশোধের রাজনীতি ভুলে সমঝোতার আহ্বান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের

‘আপনারা প্রশ্ন করতে পারেন, তবে আমি এখন পলিটিক্যাল প্রশ্নের উত্তর দেব না।’ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সংঘাত ও প্রতিশোধের রাজনীতি পরিহার করে সমঝোতা, গণতন্ত্র ও সহনশীলতার রাজনীতির আহ্বান জানান তিনি। আজ সোমবার বেলা ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের ভাতারমার ইক্ষু খামার এলাকায় একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপতি। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ঠাকুরগাঁওবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল জেলায় জাতীয় পর্যায়ের একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের ফলে সেই প্রত্যাশা পূরণের পথে আজকের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আজকের এই আনন্দময় মুহূর্তে আমি পরম করুণাময় মহান আল্লাহ তাআলার কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। তাঁর অশেষ রহমতে ঠাকুরগাঁওয়ের জনগণের দীর্ঘদিনের আশা পূরণ হতে যাচ্ছে।’ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, অল্প সময়ের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বিশ্ববিদ্যালয়টির অনুমোদন পাওয়া গেছে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জায়গাও পাওয়া গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নির্ধারিত জায়গাটি শিল্প মন্ত্রণালয় ও ঠাকুরগাঁও সুগার মিল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি। এ জন্য সুগার মিল কর্তৃপক্ষ, ব্যবস্থাপক ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ধন্যবাদ জানান রাষ্ট্রপতি। বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের প্রশংসা করে মির্জা ফখরুল বলেন, তাঁরা অল্প সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করেছেন। দ্রুত বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা ও অবকাঠামোর নকশা তৈরি করে নির্মাণকাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। রাষ্ট্রপতি বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ঠাকুরগাঁওয়ে উচ্চশিক্ষার প্রসার ঘটবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের উন্নয়নে অবদান রাখার সুযোগ তৈরি হবে। এলাকার মানুষকে এই সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানান তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়টি উন্নত ও মানসম্মতভাবে গড়ে তুলতে উপাচার্য ও সিন্ডিকেট সদস্যদের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেন রাষ্ট্রপতি। তাঁদের দক্ষ পরিচালনায় বিশ্ববিদ্যালয়টি দ্রুত এগিয়ে যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. ইসরাফিল শাহীন, ত্রাণ ও দুর্যোগমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য, প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মির্জা ফখরুল। রাজনৈতিক বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘আপনারা যদি প্রশ্ন করেন, করতে পারেন। তবে আমি এখন পলিটিক্যাল প্রশ্নের উত্তর দেব না।’ পরে দেশের রাজনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি গতকালই সেই আহ্বান জানিয়েছি। আমরা সংঘাত এবং প্রতিশোধের এই ধরনের রাজনীতি দেখতে চাই না। অনেক হয়েছে। এখন একটা সমঝোতার রাজনীতি, গণতন্ত্রের রাজনীতি, সহনশীলতার রাজনীতি—গোটা দেশের মানুষের এটাই চাওয়া।’

আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...
সংঘাত-প্রতিশোধের রাজনীতি ভুলে সমঝোতার আহ্বান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের

সংঘাত-প্রতিশোধের রাজনীতি ভুলে সমঝোতার আহ্বান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের

‘আপনারা প্রশ্ন করতে পারেন, তবে আমি এখন পলিটিক্যাল প্রশ্নের উত্তর দেব না।’ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সংঘাত ও প্রতিশোধের রাজনীতি পরিহার করে সমঝোতা, গণতন্ত্র ও সহনশীলতার রাজনীতির আহ্বান জানান তিনি। আজ সোমবার বেলা ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের ভাতারমার ইক্ষু খামার এলাকায় একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপতি। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ঠাকুরগাঁওবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল জেলায় জাতীয় পর্যায়ের একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের ফলে সেই প্রত্যাশা পূরণের পথে আজকের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আজকের এই আনন্দময় মুহূর্তে আমি পরম করুণাময় মহান আল্লাহ তাআলার কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। তাঁর অশেষ রহমতে ঠাকুরগাঁওয়ের জনগণের দীর্ঘদিনের আশা পূরণ হতে যাচ্ছে।’ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, অল্প সময়ের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বিশ্ববিদ্যালয়টির অনুমোদন পাওয়া গেছে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জায়গাও পাওয়া গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নির্ধারিত জায়গাটি শিল্প মন্ত্রণালয় ও ঠাকুরগাঁও সুগার মিল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি। এ জন্য সুগার মিল কর্তৃপক্ষ, ব্যবস্থাপক ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ধন্যবাদ জানান রাষ্ট্রপতি। বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের প্রশংসা করে মির্জা ফখরুল বলেন, তাঁরা অল্প সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করেছেন। দ্রুত বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা ও অবকাঠামোর নকশা তৈরি করে নির্মাণকাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। রাষ্ট্রপতি বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ঠাকুরগাঁওয়ে উচ্চশিক্ষার প্রসার ঘটবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের উন্নয়নে অবদান রাখার সুযোগ তৈরি হবে। এলাকার মানুষকে এই সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানান তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়টি উন্নত ও মানসম্মতভাবে গড়ে তুলতে উপাচার্য ও সিন্ডিকেট সদস্যদের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেন রাষ্ট্রপতি। তাঁদের দক্ষ পরিচালনায় বিশ্ববিদ্যালয়টি দ্রুত এগিয়ে যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. ইসরাফিল শাহীন, ত্রাণ ও দুর্যোগমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য, প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মির্জা ফখরুল। রাজনৈতিক বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘আপনারা যদি প্রশ্ন করেন, করতে পারেন। তবে আমি এখন পলিটিক্যাল প্রশ্নের উত্তর দেব না।’ পরে দেশের রাজনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি গতকালই সেই আহ্বান জানিয়েছি। আমরা সংঘাত এবং প্রতিশোধের এই ধরনের রাজনীতি দেখতে চাই না। অনেক হয়েছে। এখন একটা সমঝোতার রাজনীতি, গণতন্ত্রের রাজনীতি, সহনশীলতার রাজনীতি—গোটা দেশের মানুষের এটাই চাওয়া।’

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

চোখের স্ট্রোকের জন্য কি হাইপারটেনশন দায়ী?চোখের চিকিৎসক ডা. সুমন মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘হাইপারটেনশনের কারণে চোখের একাধিক ক্ষতি হতে পারে।’ উচ্চ রক্তচাপে চোখের রেটিনার শিরায় ব্লকেজ তৈরি হয়। এর ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এই অবস্থাকে ‘সেন্টাল রেটিনাল ভেইন অকুলেশন’ বলা হয়। এটি শিরার পাশাপাশি ধমনীতেও হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডা. মুখোপাধ্যায়। আসলে চলতি ভাষায় এই অবস্থাকেই চোখের স্ট্রোক বলা হয়।সিআরভিও-এ কি দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন?সিআরভিও-এর একাধিক উপসর্গ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কমন হলো- হঠাৎ করে একটা চোখের দৃষ্টি কমে যাওয়া। এছাড়া চোখে রক্তপাত হলে চোখের ভিতর কালো ঝুলের মতো অংশ দেখা যায়।‘সিআরভিও-এর চিকিৎসা হলো ইনজেকশন বা রেটিনাল লেজার’ বলেন ডা. মুখোপাধ্যায়। সিআরভিও হলে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, ঝাপসা দৃষ্টি এবং দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কতটা ক্ষতিকর?ডা. মুখোপাধ্যায়ের সংযোজন, ‘প্রেশার খুব বেশি থাকলে চোখের ভিতর যে অপটিক নার্ভ থাকে, তারও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।’ এই অবস্থায় চোখে রক্তপাতও হতে পারে। একে চিকিৎসার ভাষায় হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি বলা হয়।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কি গর্ভবতীদেরও হয়?হাইপারটেনশনে ভয় রয়েছে অন্তঃসত্ত্বা নারীদেরও। অনেক সময় গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের ব্লাড প্রেশার অত্যধিক বেড়ে যায়। যাকে বলে প্রেগন্যান্সি হাইপারটেনশন বা ‘একলাম্পসিয়া’। এই অবস্থা তৈরি হলে মস্তিষ্কে রক্তপাত হয়। এই পর্যায়ে পৌঁছনোর ঠিক আগে চোখের উপর প্রভাব পড়ে। দৃষ্টিশক্তি কমে আসে। এই লক্ষণ দেখে বোঝা যায় যে, ‘একলাম্পসিয়া’ খারাপ দিকে এগোচ্ছে ‘অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার কন্ট্রোলে রাখা দরকার কেন?এছাড়া অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার বারবার যাচাই করা দরকার। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ থাকা অবস্থায় অস্ত্রোপচার করলে চোখে রক্তপাত হতে পারে এবং চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।