জনমত ২৪
সর্বশেষ

২১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর / প্রতি লিটারে ২০ টাকা করে বাড়ল সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যে দেশে আবারও বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম। ভর্তুকির চাপ সামলাতে ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রোলের দাম লিটারে ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে সরকার।রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দাম ঘোষণা করা হয়। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন এ দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন মূল্য অনুযায়ী, ডিজেলের দাম প্রতি লিটার ১১৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৫৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৬৫ টাকা এবং পেট্রোল ১৪০ টাকা থেকে বেড়ে ১৬০ টাকা হয়েছে।নতুন দাম ঘোষণার আগে সেপ্টেম্বর মাসে ডিজেল ১১৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ টাকা ও কেরোসিন ১৩৫ টাকা লিটারে বিক্রি হচ্ছিল।জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে মার্চ ২০২৬ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও ফ্রেইট চার্জ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য দ্বিগুণের বেশি বাড়লেও জনস্বার্থে এত দিন দেশে দাম বাড়ানো হয়নি। ফলে মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৮ এপ্রিল সরকার ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বাড়িয়ে ১১৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল।এরপর আন্তর্জাতিক বাজারে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি হলেও প্রায় পাঁচ মাস দেশে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত ছিল।জ্বালানি বিভাগ আরো জানিয়েছে, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারের দরের তুলনায় দেশে জ্বালানি তেলের দাম কম থাকায় প্রতিবেশী দেশগুলোতে পাচারের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় জ্বালানি তেল পাচার রোধ, বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় এবং বিপিসির লোকসান কমাতে দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারের দরে ডিজেল বিক্রি করলে বিপিসির প্রতি লিটারে প্রায় ৮৯ টাকা লোকসান হচ্ছে। এতে দৈনিক লোকসান প্রায় ১০৯ কোটি টাকা এবং বছরে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা হতে পারে।লিটারপ্রতি ২০ টাকা দাম বাড়ানো হলে বছরে বিপিসির লোকসান প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা কমানো সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ।এদিকে, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পেছনে বিপিসির আর্থিক চাপও বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি বিপিসি জানিয়েছে, মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত জ্বালানি তেল আমদানিতে সংস্থাটির লোকসান হয়েছে প্রায় ২২ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকা।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে এলএনজি আমদানিতেও ব্যয় বেড়েছে। একই সঙ্গে জ্বালানি সরবরাহ সচল রাখতে সরকারকে বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। এসব পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয়ের মাধ্যমে বিপিসির লোকসান কমানোর পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ কমানো এবং পাচারের ঝুঁকি ঠেকানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

২১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর / প্রতি লিটারে ২০ টাকা করে বাড়ল সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যে দেশে আবারও বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম। ভর্তুকির চাপ সামলাতে ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রোলের দাম লিটারে ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে সরকার।রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দাম ঘোষণা করা হয়। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন এ দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন মূল্য অনুযায়ী, ডিজেলের দাম প্রতি লিটার ১১৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৫৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৬৫ টাকা এবং পেট্রোল ১৪০ টাকা থেকে বেড়ে ১৬০ টাকা হয়েছে।নতুন দাম ঘোষণার আগে সেপ্টেম্বর মাসে ডিজেল ১১৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ টাকা ও কেরোসিন ১৩৫ টাকা লিটারে বিক্রি হচ্ছিল।জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে মার্চ ২০২৬ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও ফ্রেইট চার্জ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য দ্বিগুণের বেশি বাড়লেও জনস্বার্থে এত দিন দেশে দাম বাড়ানো হয়নি। ফলে মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৮ এপ্রিল সরকার ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বাড়িয়ে ১১৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল।এরপর আন্তর্জাতিক বাজারে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি হলেও প্রায় পাঁচ মাস দেশে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত ছিল।জ্বালানি বিভাগ আরো জানিয়েছে, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারের দরের তুলনায় দেশে জ্বালানি তেলের দাম কম থাকায় প্রতিবেশী দেশগুলোতে পাচারের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় জ্বালানি তেল পাচার রোধ, বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় এবং বিপিসির লোকসান কমাতে দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারের দরে ডিজেল বিক্রি করলে বিপিসির প্রতি লিটারে প্রায় ৮৯ টাকা লোকসান হচ্ছে। এতে দৈনিক লোকসান প্রায় ১০৯ কোটি টাকা এবং বছরে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা হতে পারে।লিটারপ্রতি ২০ টাকা দাম বাড়ানো হলে বছরে বিপিসির লোকসান প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা কমানো সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ।এদিকে, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পেছনে বিপিসির আর্থিক চাপও বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি বিপিসি জানিয়েছে, মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত জ্বালানি তেল আমদানিতে সংস্থাটির লোকসান হয়েছে প্রায় ২২ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকা।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে এলএনজি আমদানিতেও ব্যয় বেড়েছে। একই সঙ্গে জ্বালানি সরবরাহ সচল রাখতে সরকারকে বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। এসব পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয়ের মাধ্যমে বিপিসির লোকসান কমানোর পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ কমানো এবং পাচারের ঝুঁকি ঠেকানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রতি লিটারে ২০ টাকা করে বাড়ল সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম

চুনারুঘাটে হস্তান্তরের আগেই হেলে পড়েছে গাদিশাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের গাদিশাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন নির্মাণাধীন ভবন হস্তান্তরের আগেই হেলে পড়ার অভিযোগ উঠেছে। ভবন নির্মাণে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নির্মাণাধীন ভবনটির বিভিন্ন অংশে অসঙ্গতি ও কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভবন নির্মাণে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। দরজা-জানালায় ব্যবহার করা হয়েছে সস্তা কাঠ, পাশাপাশি বৈদ্যুতিক কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারেরও অভিযোগ রয়েছে।স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, ভবন নির্মাণের শুরু থেকেই কাজের মান নিয়ে নানা প্রশ্ন থাকলেও সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাদের দাবি, ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীর যোগসাজশে নিম্নমানের কাজ করা হয়ে থাকতে পারে।এলাকাবাসীর অভিযোগ, নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগেই ভবন হেলে পড়ার বিষয়টি ভবিষ্যতে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই ভবনটি হস্তান্তরের আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নির্মাণকাজের মান যাচাই ও প্রয়োজনীয় তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী আবুল কালামের বক্তব্য জানা যায়নি। এখন প্রশ্ন—হস্তান্তরের আগেই যদি ভবনের এমন অবস্থা হয়, তাহলে ভবিষ্যতে এই ভবনে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত?

চুনারুঘাটে হস্তান্তরের আগেই হেলে পড়েছে গাদিশাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন
চুনারুঘাটে মাদকসেবীর ৬ মাসের কারাদণ্ড

চুনারুঘাটে মাদকসেবীর ৬ মাসের কারাদণ্ড

চুনারুঘাটে ধানের জমিতে মিলল যুবকের মরদেহ

চুনারুঘাটে ধানের জমিতে মিলল যুবকের মরদেহ

চামড়া সংরক্ষণে  বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার

চামড়া সংরক্ষণে বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার

চুনারুঘাটে আ'লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান মানিক সরকার গ্রেফতার

চুনারুঘাটে আ'লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান মানিক সরকার গ্রেফতার

চুনারুঘাটে রায়হানিয়া মাদ্রাসায় ফলাফলে চরম বিপর্যয়, পাস মাত্র ৪জন

চুনারুঘাটে রায়হানিয়া মাদ্রাসায় ফলাফলে চরম বিপর্যয়, পাস মাত্র ৪জন

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুসলিম উদ্দিনের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুসলিম উদ্দিনের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

মাধবপুরে ফ্যামিলি কার্ডের শুমারি থেকে ৪ তথ্য সংগ্রহকারীর নিয়োগ বাতিল

মাধবপুরে ফ্যামিলি কার্ডের শুমারি থেকে ৪ তথ্য সংগ্রহকারীর নিয়োগ বাতিল

রানীগাঁও বাজারে পূবালী ব্যাংকের ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং বুথ উদ্বোধন

রানীগাঁও বাজারে পূবালী ব্যাংকের ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং বুথ উদ্বোধন

চুনারুঘাটের নালুয়া চা-বাগান থেকে অজ্ঞাত বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

চুনারুঘাটের নালুয়া চা-বাগান থেকে অজ্ঞাত বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

বিক্ষোভের প্রস্তুতিকালে হবিগঞ্জের বৈছাআ নেতা মাহদীসহ আটক ৩

বিক্ষোভের প্রস্তুতিকালে হবিগঞ্জের বৈছাআ নেতা মাহদীসহ আটক ৩

প্রতি লিটারে ২০ টাকা করে বাড়ল সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম

প্রতি লিটারে ২০ টাকা করে বাড়ল সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম

প্রতি লিটারে ২০ টাকা করে বাড়ল সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম

প্রতি লিটারে ২০ টাকা করে বাড়ল সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম

চুনারুঘাটে হস্তান্তরের আগেই হেলে পড়েছে গাদিশাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন

চুনারুঘাটে হস্তান্তরের আগেই হেলে পড়েছে গাদিশাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন

চুনারুঘাটে চা-শ্রমিকদের রেইনকোট দিলেন এসএম ফয়সল এমপি

চুনারুঘাটে চা-শ্রমিকদের রেইনকোট দিলেন এসএম ফয়সল এমপি

চুনারুঘাটে সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ ৩ জন গ্রেফতার

চুনারুঘাটে সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ ৩ জন গ্রেফতার

চুনারুঘাটে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতার

চুনারুঘাটে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতার

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর স্বীকৃতিসহ ৬ দফা দাবি চা শ্রমিকদের

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর স্বীকৃতিসহ ৬ দফা দাবি চা শ্রমিকদের

চুনারুঘাটের নালুয়া চা-বাগান থেকে অজ্ঞাত বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

চুনারুঘাটের নালুয়া চা-বাগান থেকে অজ্ঞাত বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

চুনারুঘাটে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের নতুন কমিটি

চুনারুঘাটে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের নতুন কমিটি

রাজার বাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত  শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

রাজার বাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

প্রতি লিটারে ২০ টাকা করে বাড়ল সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম

২১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর / প্রতি লিটারে ২০ টাকা করে বাড়ল সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যে দেশে আবারও বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম। ভর্তুকির চাপ সামলাতে ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রোলের দাম লিটারে ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে সরকার।রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দাম ঘোষণা করা হয়। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন এ দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন মূল্য অনুযায়ী, ডিজেলের দাম প্রতি লিটার ১১৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৫৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৬৫ টাকা এবং পেট্রোল ১৪০ টাকা থেকে বেড়ে ১৬০ টাকা হয়েছে।নতুন দাম ঘোষণার আগে সেপ্টেম্বর মাসে ডিজেল ১১৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ টাকা ও কেরোসিন ১৩৫ টাকা লিটারে বিক্রি হচ্ছিল।জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে মার্চ ২০২৬ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও ফ্রেইট চার্জ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য দ্বিগুণের বেশি বাড়লেও জনস্বার্থে এত দিন দেশে দাম বাড়ানো হয়নি। ফলে মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৮ এপ্রিল সরকার ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বাড়িয়ে ১১৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল।এরপর আন্তর্জাতিক বাজারে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি হলেও প্রায় পাঁচ মাস দেশে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত ছিল।জ্বালানি বিভাগ আরো জানিয়েছে, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারের দরের তুলনায় দেশে জ্বালানি তেলের দাম কম থাকায় প্রতিবেশী দেশগুলোতে পাচারের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় জ্বালানি তেল পাচার রোধ, বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় এবং বিপিসির লোকসান কমাতে দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারের দরে ডিজেল বিক্রি করলে বিপিসির প্রতি লিটারে প্রায় ৮৯ টাকা লোকসান হচ্ছে। এতে দৈনিক লোকসান প্রায় ১০৯ কোটি টাকা এবং বছরে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা হতে পারে।লিটারপ্রতি ২০ টাকা দাম বাড়ানো হলে বছরে বিপিসির লোকসান প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা কমানো সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ।এদিকে, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পেছনে বিপিসির আর্থিক চাপও বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি বিপিসি জানিয়েছে, মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত জ্বালানি তেল আমদানিতে সংস্থাটির লোকসান হয়েছে প্রায় ২২ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকা।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে এলএনজি আমদানিতেও ব্যয় বেড়েছে। একই সঙ্গে জ্বালানি সরবরাহ সচল রাখতে সরকারকে বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। এসব পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয়ের মাধ্যমে বিপিসির লোকসান কমানোর পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ কমানো এবং পাচারের ঝুঁকি ঠেকানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

চুনারুঘাটে হস্তান্তরের আগেই হেলে পড়েছে গাদিশাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের গাদিশাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন নির্মাণাধীন ভবন হস্তান্তরের আগেই হেলে পড়ার অভিযোগ উঠেছে। ভবন নির্মাণে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নির্মাণাধীন ভবনটির বিভিন্ন অংশে অসঙ্গতি ও কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভবন নির্মাণে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। দরজা-জানালায় ব্যবহার করা হয়েছে সস্তা কাঠ, পাশাপাশি বৈদ্যুতিক কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারেরও অভিযোগ রয়েছে।স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, ভবন নির্মাণের শুরু থেকেই কাজের মান নিয়ে নানা প্রশ্ন থাকলেও সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাদের দাবি, ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীর যোগসাজশে নিম্নমানের কাজ করা হয়ে থাকতে পারে।এলাকাবাসীর অভিযোগ, নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগেই ভবন হেলে পড়ার বিষয়টি ভবিষ্যতে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই ভবনটি হস্তান্তরের আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নির্মাণকাজের মান যাচাই ও প্রয়োজনীয় তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী আবুল কালামের বক্তব্য জানা যায়নি। এখন প্রশ্ন—হস্তান্তরের আগেই যদি ভবনের এমন অবস্থা হয়, তাহলে ভবিষ্যতে এই ভবনে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত?

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেবে জামায়াত

আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী। একক প্রার্থী দেওয়ার বিষয়টি রোববার জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দলগুলোর সমন্বয়ে গঠিত ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ বৈঠকে চূড়ান্ত করা হবে। শনিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। দলের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার রাতে বলা হয়, ‘বৈঠকে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।’ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পর সর্বসম্মতভাবে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এই লক্ষ্যে রোববার (৯ আগস্ট) ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে। এই বৈঠকেই বিরোধীদলের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে।’ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ছাড়াও বৈঠকে দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সংবিধান সংস্কার ইস্যু এবং ১১ দলীয় ঐক্য ঘোষিত চলমান রাজনৈতিক কর্মসূচিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

১২ আগস্ট ২০২৬, ১২:১৫ এএম
বর্তমান সরকার কি অসহনীয় লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসতে পারবে?

বর্তমান সরকার কি অসহনীয় লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসতে পারবে?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
লিংক কপি করা হয়েছে!

ঈদে আসছে নতুন টাকা, থাকছে না কোনো ব্যক্তির ছবি: গভর্নর

শনিবার (২৪ মে) সকালে পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনে দেশের প্রথম ক্রেডিট এনহ্যান্সমেন্ট স্কিম উদ্বোধন শেষে এ কথা বলেন তিনি।গভর্নর বলেন, ‘নতুন নোটে থাকবে দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনা। ঈদে বাজারে প্রথমে ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকার নতুন নোট আসবে।’টাঁকশাল থেকে জানা গেছে, ২০ টাকার নোট ছাপা প্রায় সম্পন্ন। আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এর পরে ৫০ ও ১০০০ টাকার নোট বাংলাদেশ ব্যাংককে বুঝিয়ে দেবে টাঁকশাল। এরপর কেন্দ্রীয় ব্যাংক সিদ্ধান্ত নেবে এই টাকা কবে বাজারে আসবে।টাঁকশাল জানিয়েছে, নতুন নকশার নোট ছাপাতে ১ থেকে দেড় বছর সময় লাগে। আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। গত ডিসেম্বরে নতুন নকশার নোট বাজারে আনার সিদ্ধান্ত নেয় এই সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় টাঁকশাল চলতি মাসে নতুন নকশার নোট ছাপানো শুরু করে।টাঁকশাল আরও জানায়, একসঙ্গে ৩টি নোটের বেশি ছাপানোর সক্ষমতা নেই টাঁকশালের। তাই প্রথম ধাপে ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকার নোট ছাপানো হচ্ছে।এদিকে গভর্নর জানিয়েছে, পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনা অন্তর্বর্তী সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার।তিনি বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রচারিত হওয়ায় তা ফেরত পাঠাতে চাপ তৈরি হয়েছে। পাচারকৃত অর্থ ফ্রিজ করায় অর্থ ফেরত আনার প্রথম ধাপ সম্পন্ন হয়েছে।’গভর্নর বলেন, ‘স্কিমের আওতায় পিকেএসএফ অংশীদার এমএফআই গুলোকে ২৪০ কোটি টাকার রিজার্ভ তহবিল ভিত্তিতে ব্যাংক ঋণ গ্যারান্টি দেবে। ঋণের গ্যারান্টি অনুযায়ী এককালীন ০.৫ শতাংশ কমিশন আদায় করা হবে। এর মাধ্যমে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ব্যাংক ঋণ পাওয়া সহজ হবে।’

নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...
প্রতি লিটারে ২০ টাকা করে বাড়ল সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম

২১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর / প্রতি লিটারে ২০ টাকা করে বাড়ল সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যে দেশে আবারও বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম। ভর্তুকির চাপ সামলাতে ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রোলের দাম লিটারে ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে সরকার।রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দাম ঘোষণা করা হয়। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন এ দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন মূল্য অনুযায়ী, ডিজেলের দাম প্রতি লিটার ১১৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৫৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৬৫ টাকা এবং পেট্রোল ১৪০ টাকা থেকে বেড়ে ১৬০ টাকা হয়েছে।নতুন দাম ঘোষণার আগে সেপ্টেম্বর মাসে ডিজেল ১১৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ টাকা ও কেরোসিন ১৩৫ টাকা লিটারে বিক্রি হচ্ছিল।জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে মার্চ ২০২৬ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও ফ্রেইট চার্জ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য দ্বিগুণের বেশি বাড়লেও জনস্বার্থে এত দিন দেশে দাম বাড়ানো হয়নি। ফলে মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৮ এপ্রিল সরকার ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বাড়িয়ে ১১৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল।এরপর আন্তর্জাতিক বাজারে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি হলেও প্রায় পাঁচ মাস দেশে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত ছিল।জ্বালানি বিভাগ আরো জানিয়েছে, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারের দরের তুলনায় দেশে জ্বালানি তেলের দাম কম থাকায় প্রতিবেশী দেশগুলোতে পাচারের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় জ্বালানি তেল পাচার রোধ, বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় এবং বিপিসির লোকসান কমাতে দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারের দরে ডিজেল বিক্রি করলে বিপিসির প্রতি লিটারে প্রায় ৮৯ টাকা লোকসান হচ্ছে। এতে দৈনিক লোকসান প্রায় ১০৯ কোটি টাকা এবং বছরে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা হতে পারে।লিটারপ্রতি ২০ টাকা দাম বাড়ানো হলে বছরে বিপিসির লোকসান প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা কমানো সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ।এদিকে, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পেছনে বিপিসির আর্থিক চাপও বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি বিপিসি জানিয়েছে, মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত জ্বালানি তেল আমদানিতে সংস্থাটির লোকসান হয়েছে প্রায় ২২ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকা।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে এলএনজি আমদানিতেও ব্যয় বেড়েছে। একই সঙ্গে জ্বালানি সরবরাহ সচল রাখতে সরকারকে বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। এসব পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয়ের মাধ্যমে বিপিসির লোকসান কমানোর পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ কমানো এবং পাচারের ঝুঁকি ঠেকানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কোন ভিডিও নেই !
কোন ভিডিও নেই !
যমুনা ফিউচার পার্কে ‘ঈদ বাজার’ উৎসব

যমুনা ফিউচার পার্কে ‘ঈদ বাজার’ উৎসব

পোশাক কেনার সঙ্গে ঘোরাঘুরি ক্রেতাদের আনন্দে যোগ করেছে নতুন মাত্রা। বন্ধু-বান্ধব নিয়ে যমুনায় আসছেন সব বয়সি মানুষ। মা-বাবার হাত ধরে আসছে পরিবারের ছোট সদস্যও। বাহারি ডিজাইনের পোশাকের সঙ্গে কিনছে রং-বেরংয়ের খেলনা। চড়ছে নানা রাইডে। দিনভর কেনাকাটা শেষে রসনা তৃপ্তিতে ফুডকোর্টে লোভনীয় মজাদার খাবারও রয়েছে। সবশেষে সিনেমা দেখে খুশি মনে সবাই ফিরছেন বাড়ি। সব মিলিয়ে যমুনা ফিউচার পার্কে কেনাকাটা করতে আসা সবাই ঈদের আগেই যেন ঈদ আনন্দ উপভোগ করছেন।শপিংমল কর্তৃপক্ষ জানায়, ঈদের কেনাকাটার সেরা গন্তব্য হিসাবে যমুনা ফিউচার পার্কে ১৫শর বেশি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড নিয়ে এবারের ‘ঈদ বাজার’ উৎসব সাজানো হয়েছে। যেখানে থাকছে ঐতিহ্যবাহী পোশাক, ডিজাইনার কালেকশন, ইলেকট্রনিক্স, এক্সেসরিজ, জুতা, পারফিউম, হোম ডেকরসহ আরও অনেক কিছু। ফ্যাশন, লাইফস্টাইল এবং টেক ক্যাটাগরিতে থাকছে বিশেষ ঈদ ছাড়, এক্সক্লুসিভ লঞ্চ এবং আকর্ষণীয় বান্ডেল অফার। এছাড়াও বিকাশ, নগদ মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস এবং ব্যাংক কার্ডে থাকছে বিশেষ ক্যাশব্যাক ও ইনস্ট্যান্ট ডিসকাউন্ট অফার। যা ঈদের কেনাকাটাকে করবে আরও সাশ্রয়ী ও আনন্দদায়ক।পছন্দের পণ্য কিনতে সর্ববৃহৎ শপিংমলে সকাল থেকেই সব শ্রেণির ক্রেতা ভিড় করছেন। এক শোরুম থেকে আরেক শোরুম ঘুরে কিনছেন হাল ফ্যাশনের বৈচিত্র্যময় পোশাক। পোশাক কেনা শেষ করে ক্রেতারা যাচ্ছেন জুতার শোরুমে। সেখান থেকে গহনার দোকানে। এছাড়া কসমেটিকস, ক্রোকারিজ, পারফিউমসহ সব ধরনের পণ্য থাকায় ঈদ ঘিরে জমজমাট যমুনা ফিউচার পার্ক। সঙ্গে মোবাইল ও ইলেকট্রনিক্সের শোরুমগুলোতেও ঈদ ঘিরে বিক্রি বেড়েছে। এতে খুশি বিক্রেতারা।শনিবার ইনফিনিটি, কে-ক্রাফট, অঞ্জনস, আড়ং, জিন্স অ্যান্ড কোম্পানি, টুয়েলভ, রেড, জেন্টল পার্ক, টিনস ক্লাব, প্লাস পয়েন্ট, কান্ট্রি বয়, রেঞ্জ, লা রিভ, আর্টিসান, টপ টেন পোশাকের ব্র্যান্ড ও শপগুলোতে প্রচুর ক্রেতা সমাগম লক্ষ্য করা গেছে।শপিংমলের বুটিক্স ল্যাবের স্বত্বাধিকারী সুমাইয়া আক্তার যুগান্তরকে বলেন, ক্রেতাদের আস্থার কথা চিন্তা করে গ্রাউন্ড ফ্লোরে আমাদের আরেকটি আউটলেট উদ্বোধন করা হয়েছে। যেখানে ঈদ বাজার উপলক্ষ্যে ৫ জুন পর্যন্ত সব ধরনের পোশাকে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ে পণ্য বিক্রি হবে। এছাড়া শনিবার প্রত্যেকটি পোশাকে ৩০০ টাকা করে ডিসকাউন্টে বিক্রি হচ্ছে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেবে জামায়াত

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেবে জামায়াত

আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী। একক প্রার্থী দেওয়ার বিষয়টি রোববার জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দলগুলোর সমন্বয়ে গঠিত ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ বৈঠকে চূড়ান্ত করা হবে। শনিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। দলের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার রাতে বলা হয়, ‘বৈঠকে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।’ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পর সর্বসম্মতভাবে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এই লক্ষ্যে রোববার (৯ আগস্ট) ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে। এই বৈঠকেই বিরোধীদলের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে।’ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ছাড়াও বৈঠকে দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সংবিধান সংস্কার ইস্যু এবং ১১ দলীয় ঐক্য ঘোষিত চলমান রাজনৈতিক কর্মসূচিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান ইনকিলাব মঞ্চের

জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান ইনকিলাব মঞ্চের

শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে দেশের চলমান সংকট মোকাবিলায় জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক দল নিয়ে জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়ে শরিফ ওসমান হাদি বলেন, বিএনপি অসহযোগিতা করলে তাদের জাতির কাছে জবাবদিহি করতে হবে। জামায়াত অসহযোগিতা করলে জবাবদিহি করতে হবে তাদেরও। এই সরকারের মেয়াদ হবে ১০ মাস থেকে এক বছর। যদি জাতীয় সরকার না করতে পারেন তাহলে জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল গড়ে তোলেন। জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল প্রধান হবেন ড. ইউনূস। সব রাজনৈতিক দল থেকে সেখানে প্রতিনিধি থাকবে সদস্য হিসাবে। তাদের সাংবিধানিক মর্যাদা হবে ক্যাবিনেট মন্ত্রী পরিষদের মতো। তারা মন্ত্রী হবেন না, উপদেষ্টা হবেন না কিন্তু ওয়াচডগ হিসাবে কাজ করবেন।জুলাই ঘোষণাপত্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত জুলাই ঘোষণাপত্রের কার্যক্রম না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে কোনো লাভ নেই। যদি জুলাই ঘোষণাপত্র না আসে, যারা জুলাইয়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন দিল্লির সঙ্গে মিলে আওয়ামী লীগ তাদের কচুকাটা করবে। জুলাই ঘোষণাপত্র সাংবিধানিক স্বীকৃতি পেলেই আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ হবে।

সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছে এনসিপি

সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছে এনসিপি

দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত

সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছে এনসিপি

সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছে এনসিপি

দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত

প্রতি লিটারে ২০ টাকা করে বাড়ল সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম

২১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর / প্রতি লিটারে ২০ টাকা করে বাড়ল সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যে দেশে আবারও বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম। ভর্তুকির চাপ সামলাতে ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রোলের দাম লিটারে ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে সরকার।রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দাম ঘোষণা করা হয়। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন এ দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন মূল্য অনুযায়ী, ডিজেলের দাম প্রতি লিটার ১১৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৫৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৬৫ টাকা এবং পেট্রোল ১৪০ টাকা থেকে বেড়ে ১৬০ টাকা হয়েছে।নতুন দাম ঘোষণার আগে সেপ্টেম্বর মাসে ডিজেল ১১৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ টাকা ও কেরোসিন ১৩৫ টাকা লিটারে বিক্রি হচ্ছিল।জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে মার্চ ২০২৬ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও ফ্রেইট চার্জ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য দ্বিগুণের বেশি বাড়লেও জনস্বার্থে এত দিন দেশে দাম বাড়ানো হয়নি। ফলে মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৮ এপ্রিল সরকার ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বাড়িয়ে ১১৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল।এরপর আন্তর্জাতিক বাজারে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি হলেও প্রায় পাঁচ মাস দেশে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত ছিল।জ্বালানি বিভাগ আরো জানিয়েছে, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারের দরের তুলনায় দেশে জ্বালানি তেলের দাম কম থাকায় প্রতিবেশী দেশগুলোতে পাচারের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় জ্বালানি তেল পাচার রোধ, বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় এবং বিপিসির লোকসান কমাতে দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারের দরে ডিজেল বিক্রি করলে বিপিসির প্রতি লিটারে প্রায় ৮৯ টাকা লোকসান হচ্ছে। এতে দৈনিক লোকসান প্রায় ১০৯ কোটি টাকা এবং বছরে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা হতে পারে।লিটারপ্রতি ২০ টাকা দাম বাড়ানো হলে বছরে বিপিসির লোকসান প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা কমানো সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ।এদিকে, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পেছনে বিপিসির আর্থিক চাপও বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি বিপিসি জানিয়েছে, মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত জ্বালানি তেল আমদানিতে সংস্থাটির লোকসান হয়েছে প্রায় ২২ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকা।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে এলএনজি আমদানিতেও ব্যয় বেড়েছে। একই সঙ্গে জ্বালানি সরবরাহ সচল রাখতে সরকারকে বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। এসব পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয়ের মাধ্যমে বিপিসির লোকসান কমানোর পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ কমানো এবং পাচারের ঝুঁকি ঠেকানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...
প্রতি লিটারে ২০ টাকা করে বাড়ল সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম

২১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর / প্রতি লিটারে ২০ টাকা করে বাড়ল সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যে দেশে আবারও বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম। ভর্তুকির চাপ সামলাতে ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রোলের দাম লিটারে ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে সরকার।রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দাম ঘোষণা করা হয়। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন এ দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন মূল্য অনুযায়ী, ডিজেলের দাম প্রতি লিটার ১১৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৫৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৬৫ টাকা এবং পেট্রোল ১৪০ টাকা থেকে বেড়ে ১৬০ টাকা হয়েছে।নতুন দাম ঘোষণার আগে সেপ্টেম্বর মাসে ডিজেল ১১৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ টাকা ও কেরোসিন ১৩৫ টাকা লিটারে বিক্রি হচ্ছিল।জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে মার্চ ২০২৬ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও ফ্রেইট চার্জ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য দ্বিগুণের বেশি বাড়লেও জনস্বার্থে এত দিন দেশে দাম বাড়ানো হয়নি। ফলে মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৮ এপ্রিল সরকার ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বাড়িয়ে ১১৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল।এরপর আন্তর্জাতিক বাজারে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি হলেও প্রায় পাঁচ মাস দেশে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত ছিল।জ্বালানি বিভাগ আরো জানিয়েছে, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারের দরের তুলনায় দেশে জ্বালানি তেলের দাম কম থাকায় প্রতিবেশী দেশগুলোতে পাচারের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় জ্বালানি তেল পাচার রোধ, বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় এবং বিপিসির লোকসান কমাতে দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারের দরে ডিজেল বিক্রি করলে বিপিসির প্রতি লিটারে প্রায় ৮৯ টাকা লোকসান হচ্ছে। এতে দৈনিক লোকসান প্রায় ১০৯ কোটি টাকা এবং বছরে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা হতে পারে।লিটারপ্রতি ২০ টাকা দাম বাড়ানো হলে বছরে বিপিসির লোকসান প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা কমানো সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ।এদিকে, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পেছনে বিপিসির আর্থিক চাপও বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি বিপিসি জানিয়েছে, মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত জ্বালানি তেল আমদানিতে সংস্থাটির লোকসান হয়েছে প্রায় ২২ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকা।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে এলএনজি আমদানিতেও ব্যয় বেড়েছে। একই সঙ্গে জ্বালানি সরবরাহ সচল রাখতে সরকারকে বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। এসব পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয়ের মাধ্যমে বিপিসির লোকসান কমানোর পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ কমানো এবং পাচারের ঝুঁকি ঠেকানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

চোখের স্ট্রোকের জন্য কি হাইপারটেনশন দায়ী?চোখের চিকিৎসক ডা. সুমন মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘হাইপারটেনশনের কারণে চোখের একাধিক ক্ষতি হতে পারে।’ উচ্চ রক্তচাপে চোখের রেটিনার শিরায় ব্লকেজ তৈরি হয়। এর ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এই অবস্থাকে ‘সেন্টাল রেটিনাল ভেইন অকুলেশন’ বলা হয়। এটি শিরার পাশাপাশি ধমনীতেও হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডা. মুখোপাধ্যায়। আসলে চলতি ভাষায় এই অবস্থাকেই চোখের স্ট্রোক বলা হয়।সিআরভিও-এ কি দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন?সিআরভিও-এর একাধিক উপসর্গ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কমন হলো- হঠাৎ করে একটা চোখের দৃষ্টি কমে যাওয়া। এছাড়া চোখে রক্তপাত হলে চোখের ভিতর কালো ঝুলের মতো অংশ দেখা যায়।‘সিআরভিও-এর চিকিৎসা হলো ইনজেকশন বা রেটিনাল লেজার’ বলেন ডা. মুখোপাধ্যায়। সিআরভিও হলে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, ঝাপসা দৃষ্টি এবং দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কতটা ক্ষতিকর?ডা. মুখোপাধ্যায়ের সংযোজন, ‘প্রেশার খুব বেশি থাকলে চোখের ভিতর যে অপটিক নার্ভ থাকে, তারও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।’ এই অবস্থায় চোখে রক্তপাতও হতে পারে। একে চিকিৎসার ভাষায় হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি বলা হয়।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কি গর্ভবতীদেরও হয়?হাইপারটেনশনে ভয় রয়েছে অন্তঃসত্ত্বা নারীদেরও। অনেক সময় গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের ব্লাড প্রেশার অত্যধিক বেড়ে যায়। যাকে বলে প্রেগন্যান্সি হাইপারটেনশন বা ‘একলাম্পসিয়া’। এই অবস্থা তৈরি হলে মস্তিষ্কে রক্তপাত হয়। এই পর্যায়ে পৌঁছনোর ঠিক আগে চোখের উপর প্রভাব পড়ে। দৃষ্টিশক্তি কমে আসে। এই লক্ষণ দেখে বোঝা যায় যে, ‘একলাম্পসিয়া’ খারাপ দিকে এগোচ্ছে ‘অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার কন্ট্রোলে রাখা দরকার কেন?এছাড়া অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার বারবার যাচাই করা দরকার। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ থাকা অবস্থায় অস্ত্রোপচার করলে চোখে রক্তপাত হতে পারে এবং চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।