হবিগঞ্জ সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অবহেলা, কর্মস্থলে নিয়মিত উপস্থিত না থাকা, খামারি ও গবাদিপশু পালনকারীদের সঙ্গে অসদাচরণ এবং খামারে গিয়ে চিকিৎসাসেবার নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন শাহিন আহমেদ নামে এক গরুর খামারি।
হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বাগুনীপাড়া এলাকার বাসিন্দা শাহিন আহমেদ তার লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে গরুর খামার পরিচালনা করায় গবাদিপশুর চিকিৎসা, টিকাদান ও পরামর্শের প্রয়োজনে তাকে নিয়মিত উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়ে যেতে হয়। তবে ডা. মোহাম্মদ আলী যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন সময়ে তিনি সেবা নিতে গিয়ে সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে সরকারি ভ্যাকসিন না থাকার কথা বলে খামারিদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করতে বাধ্য করা হয়। পশুর চিকিৎসা ও পরামর্শ নিতে গেলে মোহাম্মদ আলী উচ্চবাচ্য, দুর্ব্যবহার এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে গালমন্দ করার অভিযোগও করেন। এমনকি প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও চিকিৎসাসেবা দিতে অনীহা প্রকাশের অভিযোগ রয়েছে।
কর্মস্থলে উপস্থিতি নিয়েও অভিযোগ তুলেছেন খামারীরা। তাদের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার পর তিনি কর্মস্থল ত্যাগ করার পাশাপাশি রবিবার দুপুর ১২টার পর আসেন। এর ফলে প্রয়োজনীয় সময়ে খামারি ও গবাদিপশু পালনকারীরা চিকিৎসা ও পরামর্শ নিতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়ছেন। এমনকি সরকারি নাম্বারটিও বন্ধ রাখার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
অন্যদিকে, খামারি বা গবাদিপশু পালনকারীদের বাড়ি কিংবা খামারে গিয়ে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে ১ হাজার ৫০০ টাকা করে ‘ভিজিট’ আদায় করেন তিনি । অভিযোগকারীর দাবি, দাবিকৃত অর্থ দিতে অনাগ্রহ প্রকাশ করলে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে অসদাচরণ করা হয়।
এবিষয়ে অভিযোগকারী শাহীন আহমেদ বলেন, ডা. মোহাম্মদ আলী এখানে যোগদানের পর থেকে আমরা খামারিরা নানাভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছি। আশাকরি কর্তৃপক্ষ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করবে।
অভিযোগের বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আলীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
হবিগঞ্জ সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অবহেলা, কর্মস্থলে নিয়মিত উপস্থিত না থাকা, খামারি ও গবাদিপশু পালনকারীদের সঙ্গে অসদাচরণ এবং খামারে গিয়ে চিকিৎসাসেবার নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন শাহিন আহমেদ নামে এক গরুর খামারি।
হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বাগুনীপাড়া এলাকার বাসিন্দা শাহিন আহমেদ তার লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে গরুর খামার পরিচালনা করায় গবাদিপশুর চিকিৎসা, টিকাদান ও পরামর্শের প্রয়োজনে তাকে নিয়মিত উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়ে যেতে হয়। তবে ডা. মোহাম্মদ আলী যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন সময়ে তিনি সেবা নিতে গিয়ে সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে সরকারি ভ্যাকসিন না থাকার কথা বলে খামারিদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করতে বাধ্য করা হয়। পশুর চিকিৎসা ও পরামর্শ নিতে গেলে মোহাম্মদ আলী উচ্চবাচ্য, দুর্ব্যবহার এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে গালমন্দ করার অভিযোগও করেন। এমনকি প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও চিকিৎসাসেবা দিতে অনীহা প্রকাশের অভিযোগ রয়েছে।
কর্মস্থলে উপস্থিতি নিয়েও অভিযোগ তুলেছেন খামারীরা। তাদের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার পর তিনি কর্মস্থল ত্যাগ করার পাশাপাশি রবিবার দুপুর ১২টার পর আসেন। এর ফলে প্রয়োজনীয় সময়ে খামারি ও গবাদিপশু পালনকারীরা চিকিৎসা ও পরামর্শ নিতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়ছেন। এমনকি সরকারি নাম্বারটিও বন্ধ রাখার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
অন্যদিকে, খামারি বা গবাদিপশু পালনকারীদের বাড়ি কিংবা খামারে গিয়ে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে ১ হাজার ৫০০ টাকা করে ‘ভিজিট’ আদায় করেন তিনি । অভিযোগকারীর দাবি, দাবিকৃত অর্থ দিতে অনাগ্রহ প্রকাশ করলে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে অসদাচরণ করা হয়।
এবিষয়ে অভিযোগকারী শাহীন আহমেদ বলেন, ডা. মোহাম্মদ আলী এখানে যোগদানের পর থেকে আমরা খামারিরা নানাভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছি। আশাকরি কর্তৃপক্ষ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করবে।
অভিযোগের বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আলীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
