জনমত ২৪

সারাদেশ

চুনারুঘাটে হস্তান্তরের আগেই হেলে পড়েছে গাদিশাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন

নিজস্ব প্রতিনিধি
নিজস্ব প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ
চুনারুঘাটে হস্তান্তরের আগেই হেলে পড়েছে গাদিশাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের গাদিশাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন নির্মাণাধীন ভবন হস্তান্তরের আগেই হেলে পড়ার অভিযোগ উঠেছে। ভবন নির্মাণে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নির্মাণাধীন ভবনটির বিভিন্ন অংশে অসঙ্গতি ও কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভবন নির্মাণে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। দরজা-জানালায় ব্যবহার করা হয়েছে সস্তা কাঠ, পাশাপাশি বৈদ্যুতিক কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারেরও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, ভবন নির্মাণের শুরু থেকেই কাজের মান নিয়ে নানা প্রশ্ন থাকলেও সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাদের দাবি, ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীর যোগসাজশে নিম্নমানের কাজ করা হয়ে থাকতে পারে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগেই ভবন হেলে পড়ার বিষয়টি ভবিষ্যতে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই ভবনটি হস্তান্তরের আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নির্মাণকাজের মান যাচাই ও প্রয়োজনীয় তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।

তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী আবুল কালামের বক্তব্য জানা যায়নি। 

এখন প্রশ্ন—হস্তান্তরের আগেই যদি ভবনের এমন অবস্থা হয়, তাহলে ভবিষ্যতে এই ভবনে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত?

জনমত ২৪

রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


চুনারুঘাটে হস্তান্তরের আগেই হেলে পড়েছে গাদিশাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন

প্রকাশের তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের গাদিশাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন নির্মাণাধীন ভবন হস্তান্তরের আগেই হেলে পড়ার অভিযোগ উঠেছে। ভবন নির্মাণে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নির্মাণাধীন ভবনটির বিভিন্ন অংশে অসঙ্গতি ও কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভবন নির্মাণে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। দরজা-জানালায় ব্যবহার করা হয়েছে সস্তা কাঠ, পাশাপাশি বৈদ্যুতিক কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারেরও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, ভবন নির্মাণের শুরু থেকেই কাজের মান নিয়ে নানা প্রশ্ন থাকলেও সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাদের দাবি, ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীর যোগসাজশে নিম্নমানের কাজ করা হয়ে থাকতে পারে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগেই ভবন হেলে পড়ার বিষয়টি ভবিষ্যতে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই ভবনটি হস্তান্তরের আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নির্মাণকাজের মান যাচাই ও প্রয়োজনীয় তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।

তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী আবুল কালামের বক্তব্য জানা যায়নি। 

এখন প্রশ্ন—হস্তান্তরের আগেই যদি ভবনের এমন অবস্থা হয়, তাহলে ভবিষ্যতে এই ভবনে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত?


জনমত ২৪

সম্পাদক ও প্রকাশক : রায়হান আহমেদ
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত জনমত