মেয়ে তাহিয়া তাসনিম ওরফে ফিমা (১৯) নির্মমভাবে খুন হয়েছেন অথচ খুনি এখনো অধরা; মেয়ের খুনিকে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে অবশেষে রাস্তায় নেমেছেন মা রিনা ইয়াসমিন।
মঙ্গলবার বেলা ১১টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে খুনির গ্রেফতারের আকুতি জানান এই মা।
জানা গেছে, গত ২০ মার্চ রাতে ঢাকার আজিমপুরের বিসি দাস স্ট্রিটের একটি বাসা থেকে ফিমার ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই ঘটনার পর থেকেই ফিমার স্বামী কাজী সাগর আত্মগোপনে।
সাগরের গ্রেফতদার দাবিতে প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে লিখিত বক্তব্য রাখেন ফিমার বাবা মো. তাজুল ইসলাম। এ সময় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। মানববন্ধনে তার সঙ্গে ছিল পরিবারের অন্যান্য সদস্য ও স্বজনরা।
বাবা তাজুল ইসলাম বলেন, বিয়ের পর আমার মেয়েটি কখনো ভালো ছিল না। ওর স্বামী আগেও গায়ে হাত তুলেছে, নির্যাতন করেছে। ফিমা ওর মায়ের কাছে সেই নির্যাতনের কথাও জানিয়েছিল। আমরা অপেক্ষা করেছিলাম, নতুন পরিবেশ, নতুন জীবন, কিছু দিনের মধ্যেই হয়তো সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমার মেয়েটিকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হলো।
তিনি আরও বলেন, আমি শুধু ফিমার জন্য আজ এখানে দাঁড়াইনি। দাঁড়িয়েছি অন্য ফিমাদের জন্যও, যাদেরকে হত্যা করা হয়েছে এবং যাদের পরিবার সেই হত্যার ন্যায় বিচার পাননি। আমি সেই সব পিতামাতার জন্য দাঁড়িয়ে আছি, যারা তাদের সন্তানদের হারিয়েছেন কারণ কোনো না কোনোভাবে আমাদের পুলিশ এবং বিচার ব্যবস্থা ব্যর্থ হয়েছে।
মানববন্ধনে ফিমার মা রিনা ইয়াসমিন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার মেয়েটিকে হত্যা করা হলো, তারপর থেকে আমরা থানার বারান্দায় ঘুরছি।’
মামলাটিকে প্রভাবিত করার সব চেষ্টাই করছে আসামিপক্ষ এমন দাবি করেন তিনি।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিএমপির লালবাগ থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মো. সায়দুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, মামলাটি তদন্ত শেষে ফিমার স্বামীকে একমাত্র আসামি করে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। তদন্তে ভুক্তভোগী ফিমাকে নির্যাতন ও গলাটিপে হত্যার আলামত পাওয়া গেছে।
তিনি বলেন, অভিযুক্ত কাজী সাগর জামিনে থাকায় তাকে গ্রেফতার করা যায়নি।

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
মেয়ে তাহিয়া তাসনিম ওরফে ফিমা (১৯) নির্মমভাবে খুন হয়েছেন অথচ খুনি এখনো অধরা; মেয়ের খুনিকে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে অবশেষে রাস্তায় নেমেছেন মা রিনা ইয়াসমিন।
মঙ্গলবার বেলা ১১টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে খুনির গ্রেফতারের আকুতি জানান এই মা।
জানা গেছে, গত ২০ মার্চ রাতে ঢাকার আজিমপুরের বিসি দাস স্ট্রিটের একটি বাসা থেকে ফিমার ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই ঘটনার পর থেকেই ফিমার স্বামী কাজী সাগর আত্মগোপনে।
সাগরের গ্রেফতদার দাবিতে প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে লিখিত বক্তব্য রাখেন ফিমার বাবা মো. তাজুল ইসলাম। এ সময় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। মানববন্ধনে তার সঙ্গে ছিল পরিবারের অন্যান্য সদস্য ও স্বজনরা।
বাবা তাজুল ইসলাম বলেন, বিয়ের পর আমার মেয়েটি কখনো ভালো ছিল না। ওর স্বামী আগেও গায়ে হাত তুলেছে, নির্যাতন করেছে। ফিমা ওর মায়ের কাছে সেই নির্যাতনের কথাও জানিয়েছিল। আমরা অপেক্ষা করেছিলাম, নতুন পরিবেশ, নতুন জীবন, কিছু দিনের মধ্যেই হয়তো সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমার মেয়েটিকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হলো।
তিনি আরও বলেন, আমি শুধু ফিমার জন্য আজ এখানে দাঁড়াইনি। দাঁড়িয়েছি অন্য ফিমাদের জন্যও, যাদেরকে হত্যা করা হয়েছে এবং যাদের পরিবার সেই হত্যার ন্যায় বিচার পাননি। আমি সেই সব পিতামাতার জন্য দাঁড়িয়ে আছি, যারা তাদের সন্তানদের হারিয়েছেন কারণ কোনো না কোনোভাবে আমাদের পুলিশ এবং বিচার ব্যবস্থা ব্যর্থ হয়েছে।
মানববন্ধনে ফিমার মা রিনা ইয়াসমিন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার মেয়েটিকে হত্যা করা হলো, তারপর থেকে আমরা থানার বারান্দায় ঘুরছি।’
মামলাটিকে প্রভাবিত করার সব চেষ্টাই করছে আসামিপক্ষ এমন দাবি করেন তিনি।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিএমপির লালবাগ থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মো. সায়দুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, মামলাটি তদন্ত শেষে ফিমার স্বামীকে একমাত্র আসামি করে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। তদন্তে ভুক্তভোগী ফিমাকে নির্যাতন ও গলাটিপে হত্যার আলামত পাওয়া গেছে।
তিনি বলেন, অভিযুক্ত কাজী সাগর জামিনে থাকায় তাকে গ্রেফতার করা যায়নি।

মতামত