হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে চা-বাগানগুলোতে যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যা বাড়লেও প্রয়োজনীয় ওষুধের সংকট দেখা দিয়েছে। প্রায় এক মাস ধরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডটস (DOTS) কর্নারে যক্ষ্মার চিকিৎসায় ব্যবহৃত ‘টু এফডিসি’ (রিফামপিসিন ও আইসোনিয়াজিড) ট্যাবলেটের পর্যাপ্ত সরবরাহ নেই। এতে চা শ্রমিকসহ দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে।
উপজেলার চন্ডিছড়া, আমু, নালুয়া, পারকুল, চান্দপুর, বেগম খান, লালচান্দসহ ১৭ টি চা-বাগানে যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্য অনুযায়ী মে মাসে ২৭ জন, জুনে ২৫ জন এবং জুলাইয়ে ৩০ জন নতুন যক্ষ্মা রোগী শনাক্ত হয়েছেন।
চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডটস কর্নারে বর্তমানে নিবন্ধিত যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যা সাড়ে ৪শ। কেন্দ্রে বিনামূল্যে কফ পরীক্ষা, রোগ নির্ণয় ও ওষুধ দেওয়া হয়। তবে সরবরাহ সংকটের কারণে চাহিদা অনুযায়ী ওষুধ দেওয়া যাচ্ছে না।
আমু চা-বাগানের যক্ষ্মা রোগী শনি মুণ্ডা বলেন, আগে মাসে একবার হাসপাতালে এসে পুরো মাসের ওষুধ নেওয়া যেত। এখন ওষুধের সংকটে কয়েকবার হাসপাতালে আসতে হচ্ছে। এতে যাতায়াত খরচ বাড়ার পাশাপাশি কাজের সময়ও নষ্ট হচ্ছে। চা শ্রমিকরা জানান, তারা দৈনিক মজুরির ওপর নির্ভরশীল। তাই বারবার হাসপাতালে আসতে গিয়ে একদিকে যেমন কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে বাড়ছে যাতায়াতের খরচ। দ্রুত ওষুধ সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোজাম্মেল হোসেন বলেন, “ওষুধ সরবরাহে সাময়িক সমস্যা হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশা করছি দ্রুতই ওষুধের ঘাটতি পূরণ হবে এবং রোগীদের ভোগান্তি কমবে।”

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬
হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে চা-বাগানগুলোতে যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যা বাড়লেও প্রয়োজনীয় ওষুধের সংকট দেখা দিয়েছে। প্রায় এক মাস ধরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডটস (DOTS) কর্নারে যক্ষ্মার চিকিৎসায় ব্যবহৃত ‘টু এফডিসি’ (রিফামপিসিন ও আইসোনিয়াজিড) ট্যাবলেটের পর্যাপ্ত সরবরাহ নেই। এতে চা শ্রমিকসহ দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে।
উপজেলার চন্ডিছড়া, আমু, নালুয়া, পারকুল, চান্দপুর, বেগম খান, লালচান্দসহ ১৭ টি চা-বাগানে যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্য অনুযায়ী মে মাসে ২৭ জন, জুনে ২৫ জন এবং জুলাইয়ে ৩০ জন নতুন যক্ষ্মা রোগী শনাক্ত হয়েছেন।
চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডটস কর্নারে বর্তমানে নিবন্ধিত যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যা সাড়ে ৪শ। কেন্দ্রে বিনামূল্যে কফ পরীক্ষা, রোগ নির্ণয় ও ওষুধ দেওয়া হয়। তবে সরবরাহ সংকটের কারণে চাহিদা অনুযায়ী ওষুধ দেওয়া যাচ্ছে না।
আমু চা-বাগানের যক্ষ্মা রোগী শনি মুণ্ডা বলেন, আগে মাসে একবার হাসপাতালে এসে পুরো মাসের ওষুধ নেওয়া যেত। এখন ওষুধের সংকটে কয়েকবার হাসপাতালে আসতে হচ্ছে। এতে যাতায়াত খরচ বাড়ার পাশাপাশি কাজের সময়ও নষ্ট হচ্ছে। চা শ্রমিকরা জানান, তারা দৈনিক মজুরির ওপর নির্ভরশীল। তাই বারবার হাসপাতালে আসতে গিয়ে একদিকে যেমন কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে বাড়ছে যাতায়াতের খরচ। দ্রুত ওষুধ সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোজাম্মেল হোসেন বলেন, “ওষুধ সরবরাহে সাময়িক সমস্যা হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশা করছি দ্রুতই ওষুধের ঘাটতি পূরণ হবে এবং রোগীদের ভোগান্তি কমবে।”

মতামত