চুনারুঘাটে চাঞ্চল্যকর প্রতিবন্ধি তরুণীকে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি মো. কাউসার মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
শনিবার (৫ আগস্ট) সকালে চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার কাউসার মিয়া চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের আলিরাজাপুর গ্রামের সেলিম মিয়ার ছেলে।
র্যাব জানায়, গত ২৩ জুন চুনারুঘাটের আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের আলিরাজাপুর এলাকায় এক প্রতিবন্ধি তরুণী (২৭) তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে কাউসার মিয়ার বিরুদ্ধে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী নারী স্থানীয় ইউপি সদস্যকে অবগত করে বিচার পায়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে তিনি চুনারুঘাট থানায় হাজির হয়ে অভিযোগ করেন। থানায় ধর্ষণের অভিযোগে কাউসার মিয়া ও তার দুই ছেলেকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভেক্তভোগী রাতে আম খোড়াতে গেলে কাউসার মিয়া তাকে ভয় দেখিয়ে ওই তরুণীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
মামলা দায়েরের পর থেকেই কাউসার মিয়া পলাতক ছিলেন। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, পলাতক অবস্থায় বিভিন্ন ব্যক্তির মাধ্যমে তাকে ও তার পরিবারকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। এতে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন।
র্যাব-৯ বলে, ঘটনার পর থেকেই র্যাব বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারির আওতায় রাখে। এরই ধারাবাহিকতায় চুনারুঘাট থেকে মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তারা আরও বলেন, নারী ও শিশুর ওপর যেকোনো ধরনের নির্যাতন ও অপরাধের বিরুদ্ধে র্যাব কঠোর অবস্থানে রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত কাউছার মিয়াকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চুনারুঘাট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।চুনারুঘাট থানার ওসি সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চুনারুঘাটে চাঞ্চল্যকর প্রতিবন্ধি তরুণীকে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি মো. কাউসার মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
শনিবার (৫ আগস্ট) সকালে চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার কাউসার মিয়া চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের আলিরাজাপুর গ্রামের সেলিম মিয়ার ছেলে।
র্যাব জানায়, গত ২৩ জুন চুনারুঘাটের আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের আলিরাজাপুর এলাকায় এক প্রতিবন্ধি তরুণী (২৭) তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে কাউসার মিয়ার বিরুদ্ধে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী নারী স্থানীয় ইউপি সদস্যকে অবগত করে বিচার পায়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে তিনি চুনারুঘাট থানায় হাজির হয়ে অভিযোগ করেন। থানায় ধর্ষণের অভিযোগে কাউসার মিয়া ও তার দুই ছেলেকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভেক্তভোগী রাতে আম খোড়াতে গেলে কাউসার মিয়া তাকে ভয় দেখিয়ে ওই তরুণীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
মামলা দায়েরের পর থেকেই কাউসার মিয়া পলাতক ছিলেন। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, পলাতক অবস্থায় বিভিন্ন ব্যক্তির মাধ্যমে তাকে ও তার পরিবারকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। এতে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন।
র্যাব-৯ বলে, ঘটনার পর থেকেই র্যাব বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারির আওতায় রাখে। এরই ধারাবাহিকতায় চুনারুঘাট থেকে মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তারা আরও বলেন, নারী ও শিশুর ওপর যেকোনো ধরনের নির্যাতন ও অপরাধের বিরুদ্ধে র্যাব কঠোর অবস্থানে রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত কাউছার মিয়াকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চুনারুঘাট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।চুনারুঘাট থানার ওসি সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
