গাজীপুর মহানগরীর কাউলতিয়ায় একদল যুবকের ধাওয়া খেয়ে তুরাগ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে মোয়াজ্জেম হোসেন (৪৫) নামের ১ ব্যক্তি নিখোঁজ হয়েছেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা আরও ৪ জন তীরে উঠতে সক্ষম হয়েছেন। গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে কাউলতিয়া কারখানা বাজারের দক্ষিণ পাশে এ ঘটনা ঘটে।
নিখোঁজ মোয়াজ্জেম হোসেন খালিশা বার্তা এলাকার মোহাম্মদ আলী মেম্বারের ছেলে।
মোয়াজ্জেমের চাচাতো ভাই দেলোয়ার হোসেন বলেন, মোয়াজ্জেমসহ ৫ জন তুরাগ নদীতে একটি ট্রলারের ওপর বসেছিলেন। এ সময় ৫-৬ জন যুবক সেখানে গিয়ে তাঁদের ট্রলার থেকে নেমে আসতে বলেন। নেমে না এলে গুলি করার হুমকি দেওয়া হয়। একপর্যায়ে ভয়ে ৫ জনই ট্রলার থেকে নদীতে ঝাঁপ দেন। পরে ৪ জন তীরে উঠতে পারলেও মোয়াজ্জেম নিখোঁজ হন।
খবর পেয়ে স্থানীয়রা নদীতে উদ্ধার অভিযান চালান। তাঁর সন্ধান না পেয়ে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়। পরে গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
গাজীপুর সদর মেট্রো থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, নদীতে ঝাঁপ দিয়ে একজন নিখোঁজ থাকার খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬
গাজীপুর মহানগরীর কাউলতিয়ায় একদল যুবকের ধাওয়া খেয়ে তুরাগ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে মোয়াজ্জেম হোসেন (৪৫) নামের ১ ব্যক্তি নিখোঁজ হয়েছেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা আরও ৪ জন তীরে উঠতে সক্ষম হয়েছেন। গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে কাউলতিয়া কারখানা বাজারের দক্ষিণ পাশে এ ঘটনা ঘটে।
নিখোঁজ মোয়াজ্জেম হোসেন খালিশা বার্তা এলাকার মোহাম্মদ আলী মেম্বারের ছেলে।
মোয়াজ্জেমের চাচাতো ভাই দেলোয়ার হোসেন বলেন, মোয়াজ্জেমসহ ৫ জন তুরাগ নদীতে একটি ট্রলারের ওপর বসেছিলেন। এ সময় ৫-৬ জন যুবক সেখানে গিয়ে তাঁদের ট্রলার থেকে নেমে আসতে বলেন। নেমে না এলে গুলি করার হুমকি দেওয়া হয়। একপর্যায়ে ভয়ে ৫ জনই ট্রলার থেকে নদীতে ঝাঁপ দেন। পরে ৪ জন তীরে উঠতে পারলেও মোয়াজ্জেম নিখোঁজ হন।
খবর পেয়ে স্থানীয়রা নদীতে উদ্ধার অভিযান চালান। তাঁর সন্ধান না পেয়ে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়। পরে গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
গাজীপুর সদর মেট্রো থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, নদীতে ঝাঁপ দিয়ে একজন নিখোঁজ থাকার খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

মতামত