২৪-এর গণ-আন্দোলনে প্রথম আত্মত্যাগকারী শহীদ আবু সাঈদের প্রতি গভীর সম্মান প্রকাশ করে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা বলেছেন, ‘২৪-এর গণ-আন্দোলন যখন শুরু হলো, গণ-অভ্যুত্থানে প্রথম যাঁর আত্মত্যাগ, যে প্রথমে বুক পেতে দিয়েছিল পুলিশের সামনে—সে হচ্ছে আবু সাঈদ। আমি তাঁকে অনেক বেশি সম্মান করি। কেন সম্মান করি? আমি তখন যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক আশ্রয়ে ছিলাম। প্রথম ভিডিওটা যখন আমার চোখে পড়ে, সেখানে দেখেছি আবু সাঈদ পুলিশের সামনে বুক পেতে দিয়েছিল। ও হয়তো আশা করেছিল, বুক পেতে দিলেও পুলিশ গুলি করবে না। কিন্তু এভাবে নির্মমভাবে গুলি করা হবে, তা আবু সাঈদও চিন্তা করেনি। সেই জায়গায় তাঁর এই আত্মত্যাগ অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই।’
আজ শুক্রবার বিকেলে রংপুরের পীরগঞ্জে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা আরও বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে আমরা স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি। কিন্তু এই আন্দোলনের প্রকৃত ফল আমরা পেয়েছি আবু সাঈদের মতো শহীদদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে। তাঁদের ভুলে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যত দিন আমরা বেঁচে আছি, মনে রাখতে হবে—বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের বাক্স্বাধীনতা, কথা বলার অধিকার ও ভোটের অধিকারসহ সব মৌলিক স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছিল। আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে এখনো এক ধরনের প্রাণের ভীতি রয়েছে, তবে সে বিষয়ে আমরা পুরোপুরি সজাগ আছি।’
শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে ছড়িয়ে পড়া গুজবের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সংরক্ষিত আসনের এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘যাঁরা বলছেন, ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা দেশে ফিরছেন—এমন মিথ্যা প্রচারণায় বিশ্বাস করার কোনো কারণ নেই। যাঁরা এসব কথা বলছেন, তাঁরা অতীতেও নানা ধরনের প্রোপাগান্ডা ছড়িয়েছেন এবং এখনো ছড়িয়ে যাচ্ছেন। এসব গুজবে কান দেওয়ার বা বিশ্বাস করার কোনো যুক্তি নেই।’
এর আগে আজ বিকেলে ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা পীরগঞ্জের বাবনপুরে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেন। জিয়ারত শেষে তিনি শহীদ আবু সাঈদের স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁদের সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং দীর্ঘ সময় ধরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।
এ সময় পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদুন নবী চৌধুরী পলাশ, সাধারণ সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক জাকির হোসেনসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা-কর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
২৪-এর গণ-আন্দোলনে প্রথম আত্মত্যাগকারী শহীদ আবু সাঈদের প্রতি গভীর সম্মান প্রকাশ করে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা বলেছেন, ‘২৪-এর গণ-আন্দোলন যখন শুরু হলো, গণ-অভ্যুত্থানে প্রথম যাঁর আত্মত্যাগ, যে প্রথমে বুক পেতে দিয়েছিল পুলিশের সামনে—সে হচ্ছে আবু সাঈদ। আমি তাঁকে অনেক বেশি সম্মান করি। কেন সম্মান করি? আমি তখন যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক আশ্রয়ে ছিলাম। প্রথম ভিডিওটা যখন আমার চোখে পড়ে, সেখানে দেখেছি আবু সাঈদ পুলিশের সামনে বুক পেতে দিয়েছিল। ও হয়তো আশা করেছিল, বুক পেতে দিলেও পুলিশ গুলি করবে না। কিন্তু এভাবে নির্মমভাবে গুলি করা হবে, তা আবু সাঈদও চিন্তা করেনি। সেই জায়গায় তাঁর এই আত্মত্যাগ অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই।’
আজ শুক্রবার বিকেলে রংপুরের পীরগঞ্জে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা আরও বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে আমরা স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি। কিন্তু এই আন্দোলনের প্রকৃত ফল আমরা পেয়েছি আবু সাঈদের মতো শহীদদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে। তাঁদের ভুলে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যত দিন আমরা বেঁচে আছি, মনে রাখতে হবে—বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের বাক্স্বাধীনতা, কথা বলার অধিকার ও ভোটের অধিকারসহ সব মৌলিক স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছিল। আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে এখনো এক ধরনের প্রাণের ভীতি রয়েছে, তবে সে বিষয়ে আমরা পুরোপুরি সজাগ আছি।’
শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে ছড়িয়ে পড়া গুজবের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সংরক্ষিত আসনের এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘যাঁরা বলছেন, ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা দেশে ফিরছেন—এমন মিথ্যা প্রচারণায় বিশ্বাস করার কোনো কারণ নেই। যাঁরা এসব কথা বলছেন, তাঁরা অতীতেও নানা ধরনের প্রোপাগান্ডা ছড়িয়েছেন এবং এখনো ছড়িয়ে যাচ্ছেন। এসব গুজবে কান দেওয়ার বা বিশ্বাস করার কোনো যুক্তি নেই।’
এর আগে আজ বিকেলে ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা পীরগঞ্জের বাবনপুরে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেন। জিয়ারত শেষে তিনি শহীদ আবু সাঈদের স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁদের সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং দীর্ঘ সময় ধরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।
এ সময় পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদুন নবী চৌধুরী পলাশ, সাধারণ সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক জাকির হোসেনসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা-কর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
