২০০৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পরিবারের পক্ষ থেকে দোয়া ও স্মরণসভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
আলহাজ্ব মুসলিম উদ্দিন পাকিস্তান আমলে একবার এবং স্বাধীনতার পর একাধিকবার চুনারুঘাট সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন। জনকল্যাণমূলক নানা কর্মকাণ্ডে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।
বিশেষ করে হবিগঞ্জের দুঃখ হিসেবে পরিচিত খোয়াই নদীর গতিপথ পরিবর্তনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁর উদ্যোগ ও স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে হবিগঞ্জ ও চুনারুঘাট শহরকে নদীভাঙন ও বন্যার কবল থেকে রক্ষায় অসামান্য অবদান রাখেন। এ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কাছ থেকে পদক লাভ করেন এবং চট্টগ্রাম বিভাগের শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
চুনারুঘাটে হাসপাতাল নির্মাণের প্রয়োজন দেখা দিলে তিনি এর উদ্যোগের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন এবং হাসপাতালের জন্য জমি দান করেন। এছাড়া হাজী ইয়াছিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় তিনি অন্যতম দাতা হিসেবে ভূমিকা রাখেন।
তিনি চুনারুঘাট সদর ঈদগাহ, সাহিত্য নিকেতন ও চুনারুঘাট শ্মশান কমিটির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।
রাজনৈতিক জীবনেও আলহাজ্ব মুসলিম উদ্দিনের সক্রিয় ভূমিকা ছিল। পাকিস্তান আমলে তিনি চুনারুঘাট থানা মুসলিম লীগের সভাপতি এবং পরবর্তীতে ১৯৭৯ সালে চুনারুঘাট থানা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
ব্যক্তিজীবনে তিনি ছিলেন সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের শ্রদ্ধাভাজন একজন মুরুব্বি। তাঁর সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন চুনারুঘাট পৌরসভার সাবেক মেয়র নাজিম উদ্দিন সামসু, দৈনিক ইত্তেফাকের নির্বাহী সম্পাদক সালেহ উদ্দিন, আশা’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন খসরু, বিশিষ্ট মুরুব্বী আলাউদ্দিন ও সমাজসেবক নাসির উদ্দিন।
মৃত্যুর দুই দশক পরও তাঁর জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড ও অবদানের কথা চুনারুঘাটবাসী শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছেন।

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২০০৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পরিবারের পক্ষ থেকে দোয়া ও স্মরণসভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
আলহাজ্ব মুসলিম উদ্দিন পাকিস্তান আমলে একবার এবং স্বাধীনতার পর একাধিকবার চুনারুঘাট সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন। জনকল্যাণমূলক নানা কর্মকাণ্ডে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।
বিশেষ করে হবিগঞ্জের দুঃখ হিসেবে পরিচিত খোয়াই নদীর গতিপথ পরিবর্তনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁর উদ্যোগ ও স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে হবিগঞ্জ ও চুনারুঘাট শহরকে নদীভাঙন ও বন্যার কবল থেকে রক্ষায় অসামান্য অবদান রাখেন। এ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কাছ থেকে পদক লাভ করেন এবং চট্টগ্রাম বিভাগের শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
চুনারুঘাটে হাসপাতাল নির্মাণের প্রয়োজন দেখা দিলে তিনি এর উদ্যোগের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন এবং হাসপাতালের জন্য জমি দান করেন। এছাড়া হাজী ইয়াছিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় তিনি অন্যতম দাতা হিসেবে ভূমিকা রাখেন।
তিনি চুনারুঘাট সদর ঈদগাহ, সাহিত্য নিকেতন ও চুনারুঘাট শ্মশান কমিটির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।
রাজনৈতিক জীবনেও আলহাজ্ব মুসলিম উদ্দিনের সক্রিয় ভূমিকা ছিল। পাকিস্তান আমলে তিনি চুনারুঘাট থানা মুসলিম লীগের সভাপতি এবং পরবর্তীতে ১৯৭৯ সালে চুনারুঘাট থানা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
ব্যক্তিজীবনে তিনি ছিলেন সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের শ্রদ্ধাভাজন একজন মুরুব্বি। তাঁর সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন চুনারুঘাট পৌরসভার সাবেক মেয়র নাজিম উদ্দিন সামসু, দৈনিক ইত্তেফাকের নির্বাহী সম্পাদক সালেহ উদ্দিন, আশা’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন খসরু, বিশিষ্ট মুরুব্বী আলাউদ্দিন ও সমাজসেবক নাসির উদ্দিন।
মৃত্যুর দুই দশক পরও তাঁর জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড ও অবদানের কথা চুনারুঘাটবাসী শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছেন।
