দাঁতের ক্ষয় রোধে করণীয়

জনমত নিউজ ডেস্ক : দাঁত ভালো রাখতে পুষ্টিকর খাবার খাওয়া এবং মুখকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা প্রয়োজন। হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, খাদ্য তালিকায় মিনারেল, ভিটামিন এ, ভিটামিন ডি-এর অভাব ইত্যাদি কারণে দাঁত ক্ষয়ের সমস্যা হয়।
কিছু বিষয় মেনে চললে দাঁতের ক্ষয় অনেকটাই প্রতিরোধ করা যায়। জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগে প্রকাশিত হয়েছে এই সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন।
১. চিনি বেশি নয়
খুব বেশি চিনি জাতীয় খাবার খাবেন না। চিনি মুখে ব্যাকটেরিয়া বিস্তারে সাহায্য করে। এটি দাঁত ক্ষয় বাড়িয়ে দিতে পারে।
২. পুষ্টিকর খাবার খান
ভিটামিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ খাবার খান। এসব খাবারে থাকা ফ্যাট সলিউবল প্রকৃতি দাঁতের ক্ষয় রোধে কাজ করে। শাকসবজি খান। পাশাপাশি নারকেল তেল, অ্যাভোকেডো, বাদাম ইত্যাদি স্বাস্থ্যকর চর্বি খাদ্যতালিকায় রাখুন।
৩. টুথপেস্ট
রাসায়নিক উপাদান কম থাকে এমন টুথপেস্ট ব্যবহার বরুন।
৪. দাঁত পরিষ্কার রাখুন
রাতে খাওয়ার পর এবং সকালে খাওয়ার পর দাঁত ব্রাশ করুন। দাঁত ব্রাশের ক্ষেত্রে নরম টুথব্রাশ ব্যবহার করা ভালো। দাঁত ব্রাশ করার সময় জিহ্বা পরিষ্কার করুন।
আয়নার সামনে যেতেই বিরক্তি লাগে। কারণ মুখে কালো দাগ, ব্রণ, বলিরেখা, হাত-পায়ের ত্বকে সমস্যা। এই সব সমস্যার সমাধান করবে লেবু। তবে জানতে হবে সঠিক পদ্ধতি। তাহলে আসুন জেনে নেই।
লেবুর উপকারিতা :
১. লেবুর অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ভাইরাল উপাদান দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। রোদে পোড়া ত্বক ঠিক করতে লেবু কার্যকর।
২. লেবুতে থাকা বিভিন্ন অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বকের ভাঁজ ও দাগ দূর করে। লেবুতে থাকা ভিটামিন-সি ব্রণ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া দূর করে।
৩. অ্যারোমাথেরাপির ক্ষেত্রেও লেবু গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। বয়সজনিত মুখের দাগ সারাতে লেবুর রস কার্যকর।
৪. হাতের কনুই, হাঁটু, পায়ের গোড়ালির ময়লা দূর করতে লেবু বেশ কার্যকর।
৫. হাত ও পায়ের রুক্ষভাব দূর করে লেবু।
৬. ত্বকের অতিরিক্ত তেল দূর করার ক্ষেত্রে লেবুর রস ও দুধের মিশ্রণও বেশ কার্যকর লেবু।
লেবুর ব্যবহার :
১. একটি বড় লেবুর অর্ধেক অংশ কেটে রস বের করে নিন। তাতে ২ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে মুখে লাগিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট। ত্বকে টান টান ভাব হলে ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। মধু ত্বক উজ্জ্বল করবে। লেবুর প্রাকৃতিক ব্লিচিং ত্বককে আরো ফর্সা করবে।
২. ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করতে সমপরিমাণ শসার রস ও লেবুর রস মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে তুলার সাহায্যে মুখে লাগান। ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর হয়ে ত্বক সতেজ হবে। মিশ্রণটি মুখে লাগানোর সাথে সাথে যদি জ্বলে, তবে দ্রুত ধুয়ে ফেলুন। সেক্ষেত্রে লেবু ত্বককে অতিরিক্ত শুষ্ক করে ফেলতে পারে।
৩. একটি বড় লেবুর অর্ধেক অংশ কেটে তার রস বের করে নিন। এবার তার সাথে ১০ টেবিল চামচ তরল দুধ ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। ধীরে ধীরে পুরো মুখে ম্যাসাজ করুন, ১৫-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। লেবু ত্বকের তেল দূর করে আর দুধ ত্বকের ময়েশ্চারাইজার ধরে রাখে।
এই মিশ্রণটি চোখের চারপাশে সাবধানে লাগাতে হবে।
৪. একটি ডিমের সাদা অংশের সাথে অর্ধেকটা লেবুর রস ও এক টেবিল চামচ কমলালেবুর রস কুসুম গরম পানি দিয়ে পেস্টের মতো করে মিশিয়ে ত্বকে লাগান। ২০ মিনিট রাখুন। শুকিয়ে যাওয়ার পর ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করার পাশাপাশি উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
৫. হাত ও পায়ের রুক্ষভাব দূর করতে লেবুর রসের সাথে সমপরিমাণ চালের গুড়ো মিশিয়ে ভালভাবে হাত পায়ে লাগান।
দাঁতের নানান সমস্যা সমাধানের সবথেকে সহজ পথ।
দাঁতের গোঁড়া দুর্বল আর সেখান থেকে রক্তপাত, কোনও ঠাণ্ডা জিনিস দাঁতের সংস্পর্শে এলেই শিরশিরিয়ে উঠছে দাঁত কিংবা শক্ত কিছু জিনিস দাঁতে কাটতে গেলে ব্যাথা অনুভব হচ্ছে, এছাড়াও দাঁত পরিষ্কার না থাকার কারণে বিশ্রী গন্ধ-সব সমস্যার সমধান এক চুটকিতে। কোনও ওষুধ নয়, নতুন কোনও পেস্টও নয় কাজ হবে ভেষজ দাওয়াইতে।

বাংলায় যাকে বলা হয় ঋষি পাতা। দু থেকে তিনটি পাতা রোজ চিবিয়ে নিলেই দাঁতের যাবতীয় সমস্যা নিমেষেই উবে যাবে। দুর্গন্ধ থেকে মাড়ির যন্ত্রণা ঋষি পাতার রস কাজ করে টনিকের মত। ঋষি পাতার রসে মজুত থাকে ট্যানিক অ্যাসিড, ইউরোসলিক অ্যাসিড, কারনোসিক অ্যাসিড, ফিউমারিক অ্যাসিড যা মুখের ভিতরে থাকা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। এমনকি থ্রোট ক্যান্সারেরও প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে সেজ পাতা।

     এই ক্যাটাগরীর আরো খবর

ge-418" />