বাহুবলে পুলিশ-গ্রামবাসী সংঘর্ষ : গুলিবিদ্ধ ইদ্রিস মিয়া সহ আহত ১০

নিজস্ব প্রতিনিধি : হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলায় সরকারী জমি দখল করাকে কেন্দ্র করে গ্রামবাসীর একাংশ ও পুলিশ সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ সহ ১০ জন আহত হয়েছেন।

বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে উপজেলার ভাদেশ্বর ইউনিয়নের সুন্দ্রাটিকি গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।

আহতদের মধ্যে, সুন্দ্রাটিকি গ্রামের চার হত্যার নিহত শিশু মনির মিয়ার পিতা আব্দাল (৩৫) ও একই গ্রামের হাবিব উল্লাহ (২৮) কে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে। একই গ্রামের রেনু মিয়া (৩০), সোহেল মিয়া (২৫), বিলাল মিয়া (৩০), আব্দুল কদ্দুছ (৪৪), মোজাম্মেল (২৮ কে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
গুরুতর আহত অবস্থায় গুলিবিদ্ধ ইদ্রিস আলী (৭০)কে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সুন্দ্রাটিকি গ্রামের পার্শ্বে সরকারী পতিত টিলা রামপুর চা বাগান কর্তৃপক্ষ লিজ নেয়। এ খবর পেয়ে সুন্দ্রাটিকি গ্রামের এক অংশের লোকজন সরকারী লিজ কৃত জায়গায় মঙ্গলবার দিবাগত রাতে টিন দিয়ে দুটি ঘর নির্মান করে দখল করে নেয়। এদিকে রামপুর চা বাগান কর্তৃপক্ষ বিষয়টি র‌্যাব-৯ শ্রীমঙ্গল ও বাহুবল মডেল থানাকে অবহিত করলে বাহুবল উপজেলা নির্বাহী অফিসার জসিম উদ্দিনের নেতৃত্বে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছেন।

এদিকে জায়গার কাগজপত্র হাতে নিয়ে তৈরি কৃত ঘরের আশপাশে দাড়িয়ে দখল নিশ্চিত করতে প্রস্তুত গ্রামবাসীর একাংশের লোকজন। এক পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওই সরকারী ভূমি থেকে গ্রামবাসীদের সরে যেতে বললে তারা যেতে চায়নি। এক পর্যায়ে গ্রামবাসী একত্রিত হয়ে প্রশাসনের উপর হামলা চালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ অর্ধশতাধিক শর্টগান ও গ্যাস গান নিক্ষেপ করে তাদেরকে চত্রভঙ্গ করে দেয়। এ ঘটনায় ১০ জন আহত হয়।

গ্রামের শাহজাহান মিয়া অভিযোগ করে বলেন, এই জমি আমাদের কাগজপত্র আছে। ইউএনও স্যারকে কাগজ দেখতে বললেও তিনি কাগজ দেখতে রাজি হননি।

বাহুবল উপজেলা নির্বাহী অফিসার জসিম উদ্দীন বলেন, এই জায়গাটি নিয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সহ কয়েকবার বসেছি। এক পর্যায়ে আমরা তাদেরকে ৮ একর জায়গা দিয়ে দিব বলার পরও তারা সরকারী ভূমি ছাড়ছে না। তারা অতিরঞ্জিত করে সরকারী ভূমিতে ঘর তৈরি করেছে। আমরা বিকাল ৪টা এখন পর্যন্ত ঘটনাস্থলে আছি।

     এই ক্যাটাগরীর আরো খবর

ge-418" />