হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা সংক্রান্ত রিট মামলায় হাইকোর্টের রুল

ডেস্ক : বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১ম থেকে ১২তম নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মেধাতালিকা তৈরি এবং প্রকাশ করে ১৪ জনকে নিয়োগের নির্দেশ কেন দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের সচিব, টেকনিক্যাল ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) চেয়ারম্যান ও এর সদস্য (যুগ্ম সচিব) সহ সংশ্লিষ্টদের উক্ত রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। হাইকোর্টের আদেশের বিষয়টি এ প্রতিবেদককে নিশ্চিত করেছেন রিটকারীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট সজীব চন্দ্র বণিক ও অ্যাডভোকেট মোস্তাক আহাম্মদ।

রিটের শুনানি নিয়ে গত ১৬ আগস্ট বুধবার হাইকোর্টের বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোস্তাক আহাম্মদ। রাষ্ট্র পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ডেপুটি এটর্নী জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস, সহকারি এটর্নী জেনারেল তিতাস হিল্লোল রিমা ও মাহমুদা পারভীন।

অপর এক রুলে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১ থেকে ১২তম নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের তালিকা প্রকাশ না করে ১৩ ও ১৪তম পরীক্ষার গ্রহণ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে উত্তীর্ণদের জেলা ও উপজেলা কোটা করে তাদের কেন নিয়োগ দেয়া হবে না তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১ থেকে ১২তম নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের নিয়োগ না দিয়ে ১৩ এবং ১৪তম (এনটিআরসিএ) পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার রাজেন্দ্রপুর গ্রামের মোঃ মাহমুদুর রহমানের নেতৃত্বে ১৪ জন রিট দায়ের করেন। অন্যান্য রিটকারীরা হলেন হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার শায়েস্তাগঞ্জের লাকি ইলেকট্রনিক্সের এ কে এম সালেহ, বড়াইল গ্রামের বাশিরা আক্তার, দঃ নরপতি গ্রামের শামীমা আক্তার, রাণীর কোট গ্রামের রাজেশ চন্দ্র দেব, বড়াইল গ্রামের দেবাশীষ দাস ও আমকান্দি গ্রামের মামুনুর রশীদ, বাহুবল উপজেলার আব্দল্লাহপুর গ্রামের মোঃ শুয়েব মিয়া, কল্যাণপুর গ্রামের শিশির রঞ্জল পাল, পূর্ব জয়পুর গ্রামের মোঃ আল এমরান খান ও বাসিনা গ্রামের মোঃ জামাল আহমেদ, হবিগঞ্জ সদর উপজেলার মরোরা গ্রামের মোঃ নান্নু মিয়া ও দঃ লাঙ্গাপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ খলিলুর রহমান এবং মৌলভীবাজার জেলার পূর্ব ধরকাপন গ্রামের মোঃ সেলিম মিয়া।

রিটে বলা হয়, ১ম থেকে ১২তম নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদেও মেধা তালিকা প্রকাশ করা হয়নি এবং উত্তীর্ণদের নিয়োগ না দিয়েই আবার ১৩ এবং ১৪তম পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ (এনটিআরসিএ) আইনের ২০০৫ সালের ৮(ঘ) এবং ১০ এর (১)(২) ধারা এবং বাংলাদেশ সংবিধানের ২৭, ২৮, ২৯ ও ৩১ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী।

     এই ক্যাটাগরীর আরো খবর

ge-418" />